গর্ভাবস্থায় খিদে মেটাতে ডায়েটে রাখুন এই ৫ পুষ্টিকর খাবার!

গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া মা ও সন্তান উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্যই অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ফাইবার, প্রোটিন, আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং আয়োডিনের মতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এছাড়াও, ডায়েটে যাতে যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে সেদিকেও নজর দিতে হবে।

Healthy Snacks to Stock in Your Kitchen During Pregnancy

গর্ভবতী মহিলারা যা খাবেন, তা তাঁর নিজের পাশাপাশি গর্ভস্থ সন্তানকেও পুষ্টি ও শক্তি জোগাবে। অনেকেরই গর্ভবতী অবস্থায় বিশেষ কিছু খাবার খাওয়ার প্রতি টান থাকে। কারও আইসক্রিম, পিৎজা, চকোলেট, চিপস ও মশলাদার খাবার খেতে ইচ্ছে হয়, কেউ আবার টক, ঝাল খাবার বা আচার খেতে চান। কিন্তু প্রেগনেন্সির সময় এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা খিদেও মেটাবে এবং শরীরে পুষ্টিও যোগাবে। এই আর্টিকেলে এমনই কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের উল্লেখ করা হল, যেগুলি গর্ভাবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত উপকারি।

দইয়ের স্মুদি

দইয়ের স্মুদি

প্রেগনেন্সির সময় ঠান্ডা পানীয় খেতে মন চাইলে দইয়ের স্মুদি পান করতে পারেন। দই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। আর শিশুর হাড় ও দাঁতের বিকাশের জন্য ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। এছাড়া, দই প্রোটিনেরও দুর্দান্ত উৎস, যা শিশুর সামগ্রিক বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

সেদ্ধ ডিম

সেদ্ধ ডিম

সেদ্ধ ডিম অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। এটি দ্রুত খিদে মেটায় এবং শরীরে এনার্জি ও পুষ্টি সরবরাহ করে। প্রোটিনের সমৃদ্ধ ডিমে কোলিনও থাকে, এটি এক ধরনের পুষ্টি যা শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে।

বিভিন্ন রকমের বাদাম

বিভিন্ন রকমের বাদাম

গর্ভাবস্থায় আখরোট খাওয়া দারুণ উপকারি, কারণ এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে দারুণ কাজ করে। এছাড়াও আপনি আমন্ড, কাজু, পেস্তাও খেতে পারেন। বাদাম প্রোটিন, ফাইবার, হেলদি ফ্যাট এবং খনিজ সমৃদ্ধ। বাদামের পুষ্টিগুণ পেশী পুনর্গঠনেও সাহায্য করে।

পিনাট বাটার

পিনাট বাটার

চিনাবাদামে অ্যালার্জি না থাকলে গর্ভাবস্থায় নির্দ্বিধায় পিনাট বাটার খেতে পারেন। দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটারে 8 গ্রাম প্ল্যান্ট-বেসড প্রোটিন থাকে, যা গর্ভবতী মহিলাদের শরীরে প্রোটিনের প্রয়োজনীয়তা মেটাতে সাহায্য করে।

দুধ

দুধ

গর্ভাবস্থায় শরীরে পুষ্টির চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন দুধ পান করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এক কাপ উষ্ণ দুধে এক চিমটি দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন, এতে ভাল ঘুম হবে। গবেষণা অনুযায়ী, দুধে উপস্থিত এল-ট্রিপটোফ্যান অ্যামিনো অ্যাসিড মস্তিষ্কে সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিনের মাত্রা বাড়ায়, ফলে দ্রুত ঘুম চলে আসে। দুধ অ্যান্টাসিড হিসেবেও কাজ করে, যে কারণে গর্ভাবস্থায় অম্বলের সমস্যা দূর হয়।

Story first published: Thursday, August 18, 2022, 17:28 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion