(ছবি) ১০টি খাবার যা আপনার এনার্জির দফারফা করতে পারে!

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান হল খাবার। খাবারের জোরেই আমাদের শরীর শক্তি পায়। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঠিক ভাবে কাজ করার শক্তি পায়। [এই ৭ ধরণের খাবারে আপনার স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে পারে!]

তবে খাওয়ার অভ্যাস কিন্তু ব্যক্তি নির্বিশেষে আলাদা। আবার ধরুন রাজ্য নির্বিশেষে আলাদা এমনকী দেশ নির্বিশেষে তো আলাদাই বটে। জাপানের সুসি, তো ইতালির পাস্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্গার বিখ্যাত। [এই খাবারগুলি খেলেই ঘুম পায়]

তবে খাবারের গুণাগুণের বিষয়ে ভুললে চলবে না। শরীরকে চালনা শক্তি প্রদান করতে খাবারের প্রয়োজন অতুলনীয়। কিন্তু আজকের জীবনের কাজের চাপ, কর্ম ব্যস্ততা, তাড়াহুড়োর জীবনে খুব তাড়াতাড়িই শরীরের শক্তি খরচ হতে থাকে। তাই শরীরকে এমন সব খাবার ও খাদ্যগুণ দিতে হবে যাতে শরীরে এনার্জি দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে। [দৈনন্দিন খাবার সম্পর্কে এমন কিছু অজানা তথ্য যা শুনলে চমকে উঠবেন]

কিন্তু অনেকসময় আমরা না জেনে আমরা এমন খাবার খেয়ে বসি যা আমাদের শরীরের এনার্জি একেবারে শেষ করে দেয়। বিশেষ করে এই যে ১০ খাদ্য যা শরীরের এনার্জি নষ্ট করে তা নিচের স্লাইডে দেখে নিন। [অবসাদ বাড়িয়ে তোলে এই খাবারগুলি]

ডোনাট

ডোনাট

বার্গার হল কার্বোহাইড্রেটের একতাল মণ্ড। একগাদা চিনির ব্যবহার হয়। ডোনাটে কোনও ফাইবার থাকে না। কার্বোহাইড্রেট শরীরে শক্তিতে চট করে রূপান্তরিত হতে পারে না।

কর্নফ্লেক্স

কর্নফ্লেক্স

ব্রেকফাস্টের সবচেয়ে সহজ বিকল্প হল কর্নফ্লেক্স। আমরা ভাবি এটা শরীরের পক্ষে উপকারীও বটে। কিন্তু আমরা এটা জানি না শরীরের এনার্জি নষ্ট করার প্রথম ১০ তালিকায় রয়েছে এই খাবার। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকে। আর চিনির ব্যবহার শরীরে ইনসুলিনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। যা শরীরের অ্যামিনো অ্যাসিড ট্রিপটোফ্যানের জেরে হয়। এর ফলে ঘুম ঘুম পায়।

বড় পরিমানে স্যান্ডউইচ

বড় পরিমানে স্যান্ডউইচ

স্বাভাবিক ভাবেই বড় মাপের স্যান্ডউইচ তৈরি হয় বড় আকারের পাউরুটি দিয়ে। এছাড়া এতে প্রসেসড মাংসও থাকে বেশি পরিমানে। এছাড়াও সোডিয়াম কার্বোনেট, এমএসজি, কৃত্রিম রংয়ের মতো উপাদানের ফলে শরীরে মেদ জমতে থাকে। স্থূলত্বের সমস্যা দেখা দেয়। এবং যা শরীরের এনার্জির দফারফা করে দেয়।

চেরি

চেরি

চেরিতে একপ্রকারের উপাদান থাকে যার নাম মেলাটোনিন। এটি স্নায়ুকে প্রভাবিত করে। যার ফলে শরীরের এনার্জি তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়।

দোকানের মিষ্টি দই

দোকানের মিষ্টি দই

বাড়িতে যদি দই পাতা যায় সেই দইয়ের পুষ্টিগত গুন অনেক বেশি। কিন্তু আমরা দোকান থেকে যে দই কিনি তাতে উপকারি ব্যাকটেরিয়া থাকে না। দইয়ের স্বাদ আনতে অতিরিক্ত পরিমান চিনি ব্যবহার করা হয়। এর ফলে শরীরের ওজন বাড়তে শুধু সাহায্য করে এই ধরণের দই। এর ফলেই শরীরের ক্লান্তি বেড়ে যায়।

মেদযুক্ত মাংস

মেদযুক্ত মাংস

সসেজ, বেকন, হ্যাম নাম শুনলেই মুখে জল চলে আসে। কিন্তু জেনে রাখা ভাল এই ধরণের জিনিস তৈরি হয় মেদযুক্ত মাংস দিয়ে। যা শরীরের ভিতরে গিয়ে ভাঙতে অতিরিক্ত এনার্জি খরচ হয়ে যায়। কাজের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্লান্তি আসে।

মাফিন

মাফিন

এই তালিকায় মাফিন অবশ্যই থাকবে। এগুলি আকারে ছোট হতে পারে খেতে সুস্বাদু হতে পারে কিন্তু এটিও চিনিম মণ্ড। যা আপনার শরীরের ইনসুলিনের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। এটি কেক প্যাস্ট্রির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

পাস্তা

পাস্তা

পাস্তা ময়দা দিয়ে তৈরি হয়। তাই এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমান অনেক বেশি থাকে। তাই পাস্তাও আপনার শরীরের এনার্জি নষ্ট করতে থাকে।

পটেটো চিপস

পটেটো চিপস

আলু নিজেই কার্বোহাইড্রেটের উৎস। চিপস তো অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট ছাড়া আর কিছুই না। এতে সোডিয়ামের পরিমাণও অনেক বেশি থাকে। ফলে শরীরে মেদ জমা হতে সাহায্য করে।

ওটমিল

ওটমিল

দুপুরে যদি আপনি একবাটি ওটমিল দুধ দিয়ে চিনি দিয়ে খান তাহলে দেখবেন আপনার ঘুম ঘুম পাচ্ছে। কারণ কার্বোহাইড্রেট আপনার শরীরে ঢুকে সমস্ত এনার্জি নষ্ট করে দেয়। তবে ভুলেও মধুর ব্যবহার করতে যাবেন না। কারণ মধুতে আরও বেশি পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকে।

Story first published: Monday, September 21, 2015, 15:25 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion