(ছবি) এই খাবারগুলি খেলেই ঘুম পায়

সারাদিনের কাজকর্মের পরে সঠিক পরিমাণে ঘুম অবশ্যই প্রয়োজন আমাদের। পরিমিত ঘুম হলে শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে আমরা অনেকটা সতেজ থাকতে পারি। শরীরে রোদ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে গেলেও উপযুক্ত পরিমাণে ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে আমাদের। [জেনে নিন শরীর সুস্থ রাখতে কীভাবে শোবেন]

তবে কাজের জায়গায় ঘুম পেয়ে যাওয়া বা সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব কাম্য নয়। সুস্থ থাকতে রাতের পরিমিত ঘুমই যথেষ্ট। [জেনে নিন নাক ডাকার পিছনে লুকিয়ে থাকা বিপদের কথা]

তবে জানেন কি, কিছু খাবার রয়েছে, যা খেলে আমাদের ঘুম ঘুম ভাব আসে। আপনি ক্লান্ত নন, অথচ এই সব খাবার ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে আসে আপনার মধ্যে। নিচের স্লাইডে জেনে নিন তেমনই কয়েকটি খাবারের কথা। [ঘনঘন হাই তোলা থেকে মুক্তি পাবেন এইভাবে]

ওটস

ওটস

অনেকেই ব্রেকফাস্টে এটস খান। তবে অনেকেই জানেন না ওটস ইনসুলিন হরমোন তৈরিতে প্ররোচিত করে। এছাড়াও রক্তে ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে তুলে ঘুম ঘুম ভাব বাড়িয়ে দেয়। একইসঙ্গে ওটসের মধ্য়ে থাকা মেলাটোনিন হরমোন ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে।

অ্যামন্ড

অ্যামন্ড

অ্যামন্ডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম ও ট্রিপ্টোফান। এই দুটি উপাদানই নার্ভ ও মাংসপেশিকে শান্ত করে দেয়। একইসঙ্গে এটি হৃদপিণ্ডের গতিকে আয়ত্তে আনে। অ্যামন্ডের কয়েকটুকরোই আপনাকে ঝিমিয়ে দিতে পারে।

মধু

মধু

মধুতে রয়েছে শর্করা উপাদান যা মস্তিষ্কের মধ্য়ে থাকা 'ওরেক্সিন' নামের রাসায়নিকের কাজকর্মকে স্লথ করে দেয়। এই রাসায়নিকটি আমাদের তৎপর ও মনোযোগী হতে সাহায্য করে। ফলে একচামচ মধু ঘুম ভাব এনে দিতে পারে।

পাঁউরুটি

পাঁউরুটি

পাউরুঁটিতে থাকা উপাদান রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেয়। এরপরে যখন তা খানিকটা কমে আসে, তখন আমরা ক্লান্ত, ঘুমঘুম ভাব অনুভব করি।

চেরি

চেরি

চেরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মেলাটোনিন যা ঘুমকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তাই রাতে ঘুমের সমস্যা থাকলে ওটসের মধ্যে বাদাম ও চেরি দিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

ভেষজ চা

ভেষজ চা

ভেষজ চা ঘুমের অনুঘটক। চার্মোমিল, লেমন বাম ইত্যাদি অনিদ্রায় ভোগা মানুষদের সঠিকভাবে ঘুমোতে বিশেষ সাহায্য করে।

কলা

কলা

কলায় রয়েছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম যা নার্ভ ও মাংসপেশিকে আরাম প্রদান করে। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন বি৬ যা ট্রিপ্টোফানকে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত করে আমাদের রিল্যাক্স করে দেয়।

লেটুস শাক

লেটুস শাক

লেটুসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ল্য়াক্টুক্য়ারিয়াম যা ঘুমে সাহায্য করে। রাতে শোওয়ার আগে কয়েকটি লেটুস পাতা গরম জলে ফুটিয়ে খেলে ঘুম ভালো হবে।

টুনা মাছ

টুনা মাছ

টুনা মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬ যা সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে। এগুলি ঘুমে অনুঘটক হিসাবে কাজ করে।

ভাত

ভাত

ভাত খেলে ঘুম পায় একথা প্রায় সকলেরই জানা। ফলে অফিসে ভাত খেয়ে গেলে ঘুম পাওয়া স্বাভাবিক।

আখরোট

আখরোট

আখরোট শরীরের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ফল হলেও এই ফলটি ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে আসে। এর মধ্য়েও রয়েছে মেলাটোনিন যা ঘুম পেতে সাহায্য করে।

Story first published: Monday, September 14, 2015, 11:59 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion