World sleep day 2023: বারবার ঘুম ভেঙে যায়? সহজে ঘুম আসে না? এই ৫ অভ্যাসে নজর দিন!

বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন। আট থেকে আশি, যে কোনও বয়সেই এই সমস্যা হতে পারে। সাধারণত আমরা কেউই এই সমস্যাকে ততটা গুরুত্ব দিই না। কিন্তু জানেন কি, প্রতিদিন ঘুমের সমস্যার কারণেই শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধতে পারে!

ঠিকমতো ঘুম না হলে মস্তিষ্ক ভালভাবে কাজ করে না, স্মৃতিভ্রংশ হওয়া, কাজে বা পড়ায় মনোযোগের অভাব, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা বাড়ে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি, হজমে গন্ডোগোল, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, অবসাদ, হ্যালুসিনেশন, ক্লান্তি, দুর্বলতার মতো আরও অনেক সমস্যা দেখা দেয়। তাই সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ভালো ঘুম হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

Lifestyle Habits That Cause Sleep Disorders

ঘুমের গুরুত্ব এবং স্বাস্থ্যের উপর ঘুমের ব্যাধির প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই প্রতি বছর পালন করা হয় 'ওয়ার্ল্ড স্লিপ ডে'। ঘুমের সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হল খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের এমন কিছু বদভ্যাস আছে, যেগুলি ঘুমের উপর নেগেটিভ প্রভাব ফেলে। জেনে নিন, কোন কোন অভ্যাসের কারণে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।

জীবনযাত্রা ও ঘুম

ঘুম কেমন হবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করে দৈনন্দিন জীবনধারার উপর। জীবনযাত্রার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ঘুমের সমস্যা। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণেই ঘুম আসতে দেরি হয়, অথবা প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীরের উপর। তাই, আপনার কোন কোন অভ্যাস এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে ঘুমের সমস্যা হচ্ছে তা বোঝা খুব জরুরি।

ক্যাফেইন গ্রহণ

চা, কফির নেশা অনেকেরই রয়েছে। দিনের বেলা পরিমিত পরিমাণে কফি খেলে সমস্যা কিছু নেই। তবে বিকেলের পর কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন দীর্ঘক্ষণ রক্তে উপস্থিত থাকে। আমাদের শরীরে ক্যাফিন বিপাক করার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৯-১০ ঘণ্টা। ফলে রাতে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং পর্যাপ্ত ঘুম হয় না।

শরীরচর্চার অভাব

প্রতিদিন শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করলে হার্ট রেট এবং শরীরের তাপমাত্রাও ঠিক থাকে, যা এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিন উৎপাদনে সাহায্য করে। এগুলি স্ট্রেস কমায় এবং ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। তাই, যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাঁদের ঘুমের কোনও সমস্যা হয় না। তবে অতিরিক্ত ব্যায়াম বা সন্ধ্যার পর ব্যায়াম করলে ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

ভালো ঘুমের জন্য় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। প্রসেসড, রিফাইন্ড, অতিরিক্ত চিনি এবং ট্রান্স-ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশি খেলে প্রদাহের সমস্যার পাশাপাশি ওজন বৃদ্ধি পায় এবং ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে।

ঘুমের অভ্যাস

অত্যধিক মোবাইল ব্যবহার, ঘুমানোর আগে ভারী খাবার খাওয়া এবং প্রচুর পরিমাণে চিনি গ্রহণ, অ্যালকোহল পান, এই সব অভ্যাস ঘুমের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যাওয়া, তাড়াতাড়ি ঘুম না আসা, এর পিছনে রয়েছে অভ্যাসের সমস্যা। আবার, প্রতিদিন একই সময়ে না ঘুমোলে, নিয়মিত ঘুম আসতে সমস্যা তৈরি হয়।

Story first published: Friday, March 17, 2023, 15:19 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion