Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
Menstrual Hygiene: পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ? এই অসুখগুলিতে আক্রান্ত নন তো?
প্রত্যেক মহিলার ঋতুস্রাবের রক্তপাতের পরিমাণ আলাদা হয়। কারুর খুব কম হয়, কারুর মাঝারি, আবার কারুর অত্যধিক রক্তপাত হয়। মাসিকের সময় অতিরিক্ত ব্লিডিং বা রক্তক্ষরণ খুবই কষ্টদায়ক। যাঁরা অতিরিক্ত ঋতুস্রাবের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা যদি সঠিক চিকিৎসা না করান, তাহলে অ্যানিমিয়াও দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত প্রতিটি ঋতুচক্রে গড়ে ৩০-৪০ মিলিলিটার বা দুই থেকে তিন টেবিল চামচ রক্ত বেরোয়। কিন্তু যখন ৮০ মিলিলিটার বা তার থেকে বেশি রক্তপাত হয় তখনই তাকে ভারী রক্তক্ষরণ বা 'হেভি মেনস্ট্রুয়াল ব্লিডিং' বলা হয়। পিরিয়ডের এই ভারী রক্তপাতের সমস্যাকে চিকিৎসা ভাষায় মেনোরেজিয়াও বলা হয়।

অতিরিক্ত ঋতুস্রাব কিন্তু মারাত্মক কিছু অসুখের লক্ষণ হতে পারে। ফাইব্রয়েড, পলিপ, ক্যান্সারের মতো অনেক কারণেই মাসিকের সময় ভারী রক্তক্ষরণ হয়। তাই এই ধরনের সমস্যা ফেলে রাখা ঠিক নয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন কারণে ঋতুস্রাবের সময় অত্যধিক রক্তপাত হতে পারে।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
মাসিকের সময় অত্যধিক রক্তপাত হওয়ার অন্যতম কারণ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং থাইরয়েড হরমোনের তারতম্যের জন্যে ভারী ঋতুস্রাব বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়।
পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) হরমোনের ভারসাম্যহীনতার আরেকটি সাধারণ কারণ। এই কারণেও অনেক সময় ভারী পিরিয়ড হতে পারে।
জরায়ুর পলিপ
মহিলাদের জননাঙ্গ ইউট্রাস বা জরায়ুতে পলিপ হতে পারে। জরায়ুর অভ্যন্তরে ছোটো ছোটো অংশের বেড়ে ওঠা। তারপর এগুলি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়, এমনকি জরায়ুর প্রকোষ্ঠটি ভরেও দেয়। এটা এক বা একাধিক হতে পারে। একে বলা হয় ইউটেরাইন পলিপ। এই কারণে মাসিকের সময় ভারী বা দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত হয়। জরায়ুর পলিপ কখনও কখনও জরায়ুর সম্মুখ প্রান্ত দিয়ে যোনির দিকেও চলে যেতে পারে।
ডিম্বাশয়ের সমস্যা
প্রতি বার ঋতুচক্র বা মাসিক চক্রের সময়, ওভারি বা ডিম্বাশয় থেকে একটি ডিম্বাণু নির্গত হয়। কিন্তু ডিম্বাশয় থেকে যদি ডিম্বাণু নির্গত না হয়, তাহলে শরীরে প্রোজেস্টেরন হরমোন উৎপাদন হয় না। এর ফলে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয় এবং অত্যধিক রক্তপাত বা মেনোরেজিয়া হতে পারে।
অ্যাডেনোমায়োসিস
ঋতুস্রাবের সময়ে খুব বেশি রক্ত ক্ষয় হওয়ার অন্যতম কারণ অ্যাডেনোমায়োসিস রোগ। জরায়ুর চারপাশে যে পেশির স্তর রয়েছে তাতে যদি এন্ডোমেট্রিয়াল গ্রন্থি বা স্ট্রোমা তৈরি হয়, তা হলে তাকে বলে অ্যাডিনোমায়োসিস। এতে জরায়ুর আকার অনেকটা বড় হয়ে যায়। এটি জরায়ুর এক অংশে হতে পারে, আবার গোটা জরায়ু জুড়েও হতে পারে।
জরায়ু ফাইব্রয়েড
সাধারণ ভাষায় ফাইব্রয়েড হল জরায়ুর টিউমার। যা প্রধানত মহিলাদের ইউটেরাস বা জরায়ুতে তৈরি হয়। এর ফলে ভারী বা দীর্ঘস্থায়ী মাসিক রক্তপাত, পেটে ব্যথা, কোমরে ব্যথা এবং সন্তান ধারণের সমস্যা হতে পারে। ফাইব্রয়েড বা টিউমার আকারে কখনও ছোট বা কখনও বড় হয়ে থাকে। ফাইব্রয়েড সবসময়ই বিনাইন অর্থাৎ ক্যানসার নয়।
গর্ভাবস্থার সমস্যা
গর্ভপাতের ফলে ভারী রক্তপাত হতে পারে। তাছাড়া, গর্ভাবস্থায় ভারী রক্তপাতের আরেকটি কারণ হল প্লাসেন্টার অস্বাভাবিক অবস্থান, যেমন লো-লাইং প্লাসেন্টা বা প্লাসেন্টা প্রিভিয়া।
ক্যান্সার
অত্যধিক মাসিক রক্তপাত ইউটেরাইন ক্যান্সার এবং সারভাইকাল ক্যান্সারের কারণে হতে পারে। জরায়ুর নীচের অংশকে সারভিক্স বলে। এই অংশে ক্যানসার হলে তাকে সারভাইকাল ক্যান্সার বলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই রোগটি হলে ঋতুচক্রের নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ হয়।
ওষুধ
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ, ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টিনের মতো হরমোনজনিত ওষুধ, ওয়ারফারিন বা এনোক্সাপারিন এর মতো অ্যান্টিকোয়াগুলেন্টস-এর কারণে ভারী বা দীর্ঘস্থায়ী মাসিক রক্তপাত হতে পারে।



Click it and Unblock the Notifications
