(ছবি) হার্ট সুস্থ রাখতে জীবনযাত্রায় এই পরিবর্তন আবশ্যক

শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল হার্ট। এটির স্পন্দন বন্ধ হয়ে গেল মানে সব শেষ। হার্টকে সুস্থ রাখতে আমাদের চেষ্টার ত্রুটি থাকে না। একটু কোনও অসুবিধা ধরা পড়ল কি পড়ল না, আমরা আমাদের খাবারের ব্যাপারে সচেতন হয়ে যাই। শরীরচর্চায় মন দিই। [জানুন মাছ খাওয়াকে কেন মহৌষধী বলছেন বিশেষজ্ঞরা]

তবে আমাদের মধ্যে ক'জন ধূমপায়ী ব্যক্তি সিগারেট ছেড়েছেন বা মদ্যপানে নিজেকে বিরত রেখেছেন তা হাত গুনে বলে দেওয়া যায়। এরকম নানা অভ্যাস ধীরে ধীরে হার্টকে আরও খারাপের দিকে ঠেলে দেয়। [এই অভ্যাস আপনার হার্টকে অসুখের দিকে ঠেলে দিচ্ছে]

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জীবনযাত্রায় কয়েকটি সামান্যতম পরিবর্তন করলেই নিজের হৃদয়কে সুস্থ রাখতে বিশেষ বেগ পেতে হবে না আপনাকে। নিচের স্লাইডে ক্লিক করে জেনে নিন, কি করলে ভালো থাকবে আপনার হার্ট। [ঘুমের মধ্যে অবচেতনে আপনি কি করেন জানেন? জেনে নিন]

আলিঙ্গন করা

আলিঙ্গন করা

নিজের প্রিয়তম মানুষটিকে বা সন্তানকে জড়িয়ে ধরলে সারাদিনের শেষে ক্লান্তি অনেক কমে যায়। এই সময়ে স্ট্রেস লেভেল কমাতে একধরনের হরমোন নিঃসরণ হয় যা শরীরের পাশাপাশি হার্টকে ভালো রাখে।

টিভি দেখা

টিভি দেখা

যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা টিভি দেখার অভ্যাস থাকে, তাহলে এখনই সেই অভ্যাস বন্ধ করুন। টিভি দেখলে হার্টের নানা সমস্যা অনেক বেড়ে যায় বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

ঘুম

ঘুম

কম ঘুমানো যেমন হার্টের স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ, তেমনই বেশি ঘুমালেও হার্টের গোলমাল হতে পারে। দিনে ৭-৮ ঘণ্টার ঘুমই হার্ট সুস্থ রাখতে যথেষ্ট।

ট্রাফিক ও দূষণ

ট্রাফিক ও দূষণ

দূষণের ফলে শরীরের মধ্যে ফুসফুস ও হার্টই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে। যত দিন যাচ্ছে, ততই দূষণ বাড়ছে এবং এর মধ্যে থেকেই যতটা পারা যায় দূষণকে এড়িয়ে চলতে হবে সকলকে।

হাসি

হাসি

শরীর ভালো রাখতে হাসির চেয়ে ভালো ওষুধ আর কিছু নেই। এমনটাই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। প্রাণ খুলে হাসলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় ও হার্ট ভালো থাকে।

কাজে বিরতি নেওয়া

কাজে বিরতি নেওয়া

অফিসে দীর্ঘসময় ধরে একনাগাড়ে কাজ করলে বস খুশি হতে পারেন তবে আপনার হার্টের তাতে ষোলো আনা বিগড়ানোর চান্স রয়েছে। কিছুক্ষণ পরপরই বিরতি নিয়ে ফের কাজে বসুন। হার্টও ভালো থাকবে আর কাজেও মন লাগবে।

মাংস খাওয়া কমান

মাংস খাওয়া কমান

মাংসের চেয়ে বেশি করে শাক-সবজি খাওয়া হার্টের পক্ষে ভালো। সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নিরামিষাশী হলে তাদের হার্টের সমস্য়া বেশি কিছুটা কমে যায়। যদিও মাছ খেলে হার্ট ভালো থাকে।

কফি খাওয়া কমান

কফি খাওয়া কমান

দিনে এক বা দু'কাপ কফি চলতে পারে। তবে তার চেয়ে বেশি হয়ে গেলেই বিপদ। বেশিদিন এমন চলতে থাকলে হার্টের নানা সমস্যা হতে পারে।

তাড়াতাড়ি বিয়ে করা

তাড়াতাড়ি বিয়ে করা

সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কমবয়সে বিয়ে করে যারা সুখী জীবনযাপন করছেন, তাদের হার্টের অসুখে ভোগার প্রবণতা অনেকটা কম।

Story first published: Wednesday, September 23, 2015, 16:44 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion