গর্ভাবস্থায় সর্দি-কাশিতে ভুগছেন? কয়েকটি ঘরোয়া উপায়েই সুস্থ থাকতে পারেন!

গর্ভাবস্থায় মায়ের বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ, সরাসরি গর্ভস্থ শিশুর ওপরও প্রভাব ফেলে। তাই প্রত্যেক মহিলারই উচিত স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখা। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আগের তুলনায় কমে যায়, যে কারণে গর্ভবতী মহিলারা প্রায়ই জ্বর, সর্দি,কাশি, গলা ব্যথায় ভোগেন।

Home Remedies For Cold During Pregnancy

প্রেগনেন্সির সময় যে কোনও ওষুধ খেয়ে নেওয়া যায় না। তাই অনেকেই ঘরোয়া প্রতিকারের খোঁজ করেন, যাতে গর্ভস্থ শিশু এবং মায়ের ওপর কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া না পড়ে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, গর্ভাবস্থায় সর্দি, কাশি হলে কোন কোন ঘরোয়া উপায়ের সাহায্য নেবেন-

হাইড্রেশন

হাইড্রেশন

গর্ভাবস্থায় সবসময় হাইড্রেটেড থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রচুর জল ও তরল জাতীয় খাবার খান। বিশেষ করে, সর্দি-কাশি হলে আরও বেশি করে তরল পান করুন। হাইড্রেশন শ্লেষ্মা পাতলা করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, উষ্ণ তরল পান করলে নাক দিয়ে জল পড়া, গলা ব্যথা, ক্লান্তি, হাঁচি এবং কাশি থেকে মুক্তি মেলে।

চিকেন স্যুপ

চিকেন স্যুপ

চিকেন স্যুপ ঠান্ডা লাগার চিকিৎসায় দারুণ কার্যকর। গবেষণায় দেখা গেছে, চিকেন স্যুপ সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

আনারসের জুস

আনারসের জুস

আনারসও গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ আনারস জুসে এক চিমটি লবণ, গোলমরিচ এবং এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।

আদা

আদা

আদায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কাশি, সর্দি এবং গলা ব্যথার প্রতিকার হিসেবে আদা খুব পরিচিত। এক টুকরো আদায় সামান্য মধু দিয়ে চিবিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া, আদা চা বানিয়ে খেতে পারেন।

হলুদ

হলুদ

হলুদে থাকা কারকিউমিন, অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি হলুদের প্রধান উপাদান, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

এক গ্লাস উষ্ণ দুধে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এক চিমটি গোলমরিচ মিশিয়ে খান। এছাড়া, এক গ্লাস উষ্ণ জলে আধা চা চামচ লবণ এবং হলুদ গুঁড়ো দিয়ে গার্গল করুন।

পর্যাপ্ত ঘুম

পর্যাপ্ত ঘুম

গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের পর দিন ঘুম ঠিকমতো না হলে ইমিউন সিস্টেমের উপর প্রভাব পড়ে। ফলে একের পর এক রোগভোগ লেগেই থাকে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম অর্থাৎ ৭-৯ ঘণ্টা টানা ঘুম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং রোগভোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সাহায্য করে।

Story first published: Wednesday, December 21, 2022, 18:16 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion