For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ভরপেট ভাত খাচ্ছেন? স্বাস্থ্যের জন্য তা উপকারী না ক্ষতিকর, জেনে নিন

|

গর্ভাবস্থায় প্রত্যেক মহিলাকেই অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হয়, যাতে নিজের এবং আগত শিশুর কোনও ক্ষতি না হয়। খাবারের ক্ষেত্রেও এই সময় নানা বিধি নিষেধ থাকে। গর্ভাবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া মা ও সন্তান উভয়ের জন্যই একান্ত প্রয়োজনীয়। খাবারে যাতে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে সেদিকেও নজর দেওয়া দরকার।


প্রেগনেন্সির সময় বেশি করে খাওয়া দরকার বলে অনেক মহিলাই দিনে দু-তিন বার করে ভাত খান। কিন্তু সত্যিই কি গর্ভাবস্থায় বারবার ভাত খাওয়া ভাল? এতে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হচ্ছেনা তো? আসুন জেনে নেওয়া যাক, গর্ভবতী অবস্থায় ভাত খাওয়ার উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে -

১) তাৎক্ষণিক শক্তি প্রদান করে

১) তাৎক্ষণিক শক্তি প্রদান করে

ভাতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা আমাদের শরীরে তৎক্ষণাৎ শক্তি যোগায়। তাই, গর্ভাবস্থায় ভাত খাওয়া শরীরে এনার্জি যোগাবে এবং অ্যাক্টিভ রাখবে।

২) হাড় মজবুত করে

২) হাড় মজবুত করে

ভাতে ভিটামিন ডি, রাইবোফ্ল্যাভিন এবং থায়ামিন থাকে। এছাড়াও, ভাতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ রয়েছে, যেমন - ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফাইবার। তাই গর্ভাবস্থায় ভাত খেলে হাড় ও দাঁত মজবুত হয়।

৩) কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে

৩) কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে

ভাতে স্টার্চের উপস্থিতি পেটে উপকারী ব্যাকটিরিয়ার বিকাশকে সহজতর করে, যা গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক এবং মসৃণ মলত্যাগে সহায়তা করে। এটি খাবারকে আরও ভাল ভাবে হজমে সহায়তা করে। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ হয়।

৪) ইউরিনো-জেনিটাল ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে

৪) ইউরিনো-জেনিটাল ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে

ইউরিনোজেনিটাল সংক্রমণ মা এবং বাচ্চা উভয়ের উপরই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। ভাত হল প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক, যা হবু মায়েদের ইউরোজেনিটাল সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে পারে। তাই, গর্ভাবস্থায় ভাত খাওয়া মা এবং বাচ্চাকে সুরক্ষিত রাখে।

৫) মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে

৫) মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে

ব্রাউন রাইসে নিউরোট্রান্সমিটার পুষ্টি উপাদান রয়েছে। গর্ভাবস্থায় ভাত খাওয়া মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে এবং শিশুর কগনিটিভ ফাংশন উন্নত করে।

৬) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

৬) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

ভাতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে।

৭) রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

৭) রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

ব্রাউন রাইসে প্রচুর পরিমাণে অদ্রবণীয় ফাইবার এবং লো গ্লাইসেমিক কনটেন্ট রয়েছে। ব্রাউন রাইস রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাই, গর্ভাবস্থায় ব্রাউন রাইস খাওয়া গর্ভকালীন ডায়াবেটিস উপশম করতেও সাহায্য করে।

৮) কোলেস্টেরলের সমস্যা দূর করে

৮) কোলেস্টেরলের সমস্যা দূর করে

ভাত কোলেস্টেরল-মুক্ত খাবার। তাই, গর্ভাবস্থায় ভাত খেলে কোলেস্টেরলের সমস্যা থেকে সুরক্ষিত রাখবে।

গর্ভাবস্থায় ভাত খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

গর্ভাবস্থায় ভাত খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

১) গর্ভাবস্থায় অত্যধিক ভাত খেলে ওজন বাড়তে পারে এবং মোটা হয়ে যেতে পারেন।

২) বাদামী চালের চেয়ে সাদা চালে উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) থাকে। সাদা ভাত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে পারে এবং গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত করতে পারে। তবে বাসমতি চালে কম GI থাকে এবং এটি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য খুব ভাল।

৩) গবেষণা অনুযায়ী, ভাতে যথেষ্ট পরিমাণে আর্সেনিক রয়েছে, যা গর্ভস্থ সন্তানের অকাল মৃত্যু বা মৃত শিশুর জন্মের কারণ হতে পারে। তাই অত্যধিক ভাত খাওয়া এড়ানো উচিত।

৪) ভাতে উচ্চ মাত্রায় সোডিয়াম থাকে, ফলে আপনার রক্তচাপ বাড়তে পারে। তাই গর্ভবতী মহিলারা ভাত খাওয়া এড়িয়ে চলুন। পরিবর্তে অন্যান্য কম সোডিয়ামযুক্ত খাবার যেমন বিনস, মসুর ডাল এবং আলু খান।

English summary

Eating Rice During Pregnancy: Health Benefits And Side Effects In Bengali

Rice should be consumed in limited quantities after being properly cooked. Know Benefits and Side Effects of Eating Rice During Pregnancy.
X
Desktop Bottom Promotion