Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
শিবাজী জয়ন্তী : আজ তাঁর জন্মবার্ষিকীতে জেনে নিন শিবাজী সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
আজ, ১৯ ফেব্রুয়ারি শিবাজী জয়ন্তী। ভারতের বীর যোদ্ধা-রাজা শিবাজী ভোঁসলে, যিনি ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ নামে সর্বাধিক খ্যাত, তিনি ছিলেন মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শিবাজী 'স্বরাজ' অর্থাৎ স্ব-শাসনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। ১৬৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন শিবাজী। প্রতিবছর, ১৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মবার্ষিকী পালিত হয়, যদিও ঐতিহাসিকরা তাঁর জন্ম তারিখ নিয়ে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেছেন। এই মহান মারাঠা যোদ্ধা-রাজার জন্মবার্ষিকীতে, আসুন আমরা তাঁর জীবন সম্পর্কিত কিছু স্বল্প-পরিচিত তথ্য জেনে নিই।

১) শিবাজী জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহারাষ্ট্রের পুণের জুনার শহরের ছোট্ট শহর শিবনেরি-র এক পার্বত্য দুর্গে। তাঁর পিতা শাহজী ভোঁসলে ছিলেন ডেকান সুলতানিয়ার একজন জেনারেল এবং তাঁর মাতা ছিলেন জীজাবাঈ।
২) শিবনেরির স্থানীয় দেবতা শিবাই-এর নামানুসারে শিবাজি তাঁর নাম পান।
৩) বলা হয় যে, শিবাজী-র রামায়ণ ও মহাভারতের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল, যা তাঁর ধর্মীয় মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের উপর প্রভাব ফেলেছিল এবং শিশুকালেই শিবাজীর মনে বীরত্ব ও দেশপ্রেমের সঞ্চার হয়েছিল। এগুলি ছাড়াও, শিবাজী ধর্মীয় পণ্ডিত এবং সাধুদের কাছ থেকে সাহায্য ও পরামর্শ চেয়েছিলেন।
আরও পড়ুন : চলে গেলেন 'কেদার', ৬১ তেই থমকে গেল জীবন
৪) ১৬৪০ সালে তিনি সাইবাঈ (সাই ভোঁসলে) -কে বিয়ে করেছিলেন, যিনি নিম্বলকার পরিবার, মারাঠা বংশের বাসিন্দা।
৫) শিবাজী ১৬৪৬ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তোরণা দুর্গ দখল করেছিলেন। এটিই ছিল তাঁর প্রথম দখল করা কেল্লা।
৬) শিবাজিকে ধরার জন্য ২৫ জুলাই ১৬৪৮ সালে বিজাপুরের সুলতান শিবাজীর পিতা শাহজী (শিবাজীর পিতা)-কে কারারুদ্ধ করেন। তবে, শাহজী ১৬৪৯ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন।
৭) অতীতে শাহজী-র ২০০০ লোকসহ একটি সেনাবাহিনী ছিল। তবে চূড়ান্ত বুদ্ধি দিয়ে শিবাজী একটি শক্তিশালী এবং সাহসী সেনা গঠন করেছিলেন, যা ১০,০০০ সৈন্য নিয়ে গঠিত ছিল। পরে সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১.৫ লাখে। এঁরা সকলেই যুদ্ধের বিভিন্ন দক্ষতা, বিশেষত গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ পেয়েছিলেন।
৮) শিবাজী ভারতীয় নৌ বাহিনী-র জনক হিসেবেও পরিচিত কারণ, তিনিই প্রথম নৌ বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর শক্তিশালী নৌবাহিনী দিয়ে তিনি মহারাষ্ট্রের উপকূলরেখা কোঙ্কন-কে সুরক্ষিত করেছিলেন। ভারতকে অন্য যেকোনও বিদেশী হামলা থেকে রক্ষার জন্য তিনি বহু সমুদ্র দুর্গও তৈরি করেছিলেন।
৯) ১০ নভেম্বর ১৬৫৯ সালে শিবাজী আফজল খাঁ-কে হত্যা করেছিলেন, যিনি আদিল শাহের সেনাপতি ছিলেন, যাকে শিবাজী-কে ধরার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আফজল খাঁ শিবাজীর চেয়ে লম্বা এবং শক্তিশালী ছিলেন। কিন্তু, শিবাজি তাঁকে পরাজিত করতে সক্ষম হন। আফজল খাঁ আলিঙ্গনের সুযোগে শিবাজীকে ছুরির আঘাত করতে উদ্দ্যত হলে শিবাজী লোহার তৈরি 'বাঘনখ' অস্ত্রের সাহায্য-এ আফজল খাঁর বক্ষ বিদীর্ণ করেন।
১০) একই দিনে বিজাপুরি ও শিবাজী বাহিনীর মধ্যে প্রতাপগড়ের যুদ্ধ হয়েছিল। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জয়ী হয়েছিল এবং শিবাজী প্রতাপগড় দুর্গ জয় করেছিলেন।
১১) শিবাজী পানাহাল দুর্গে থাকাকালীন দ্বৈত আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছিলেন, তখন তিনি দুর্গ থেকে পালানোর এক উজ্জ্বল পরিকল্পনা ভেবেছিলেন। এজন্য দুটি পালকি সাজানো হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী শিবাজী তাঁর ৬০০ সৈন্য নিয়ে সফলভাবে পালিয়ে গিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন : মারা গেলেন ফ্যাশন দুনিয়ার পথপ্রদর্শক, মাত্র ৫৯-এই থমকে গেল পদ্মশ্রী প্রাপ্ত এই ডিজাইনারের জীবন
১২) শিবাজী তিনি ৩০টি দুর্গ জয় করতে সক্ষম হন।
১৩) ১৬৬৭ সাল অবধি শিবাজী মুঘল রাজ্যের সাথে সুসম্পর্ক রেখেছিলেন এবং বিজাপুর জয় করতে তিনি অনেকবার ঔরঙ্গজেবকে সহায়তা করেছিলেন। কিন্তু মোগল সম্রাটের কাছ থেকে খারাপ ব্যবহার পাওয়ার পর শিবাজী মুঘল ডেকানে আক্রমণ চালিয়েছিলেন।
১৪) ১৬৬৪ সালে, শিবাজী ঔরঙ্গজেবের মামা শায়েস্তা খানকে আক্রমণ করেছিলেন, যাকে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল শিবাজি-কে আক্রমণ ও পরাজিত করার।
১৫) ১৬৬৬ সালে, ঔরঙ্গজেব শিবাজী-কে তাঁর নয় বছরের পুত্র সাম্ভাজী-র সাথে আগ্রার আদালতে উপস্থিত হতে বলেছিলেন। পিতা-পুত্র-কে একসঙ্গে হত্যা করার জন্য কারাগারে বন্দী করা হয়েছিল। কিন্তু, শিবাজী যেহেতু পালানোর রাস্তা ভাল জানতেন তাই তাঁরা সেখান থেকে পালাতে পেরেছিলেন।
১৬) ১৬৮০ সালে যখন শিবাজী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ওই বছর এপ্রিল মাসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর পরে, শিবাজী-র বড় পুত্র সাম্ভাজী নতুন শাসক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
১৭) তাঁর দেড় লাখ সৈন্যের মধ্যে ৬৬,০০০ জনই ছিলেন মুসলমান। শিবাজী-র মতে তিনি কখনই কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করেননি। আসলে, তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রাজাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন যারা তাঁর রাজ্যকে পরাভূত করার চেষ্টা করেছিলেন।
আরও পড়ুন : লালা লাজপত রায় : তাঁর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকীতে রইল কিছু না জানা তথ্য
১৮) তাঁর উত্তরাধিকার সূত্রে অনেকগুলি রাস্তা, লোকালয় এবং তাঁর নামানুসারে পাবলিক প্লেসও রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, মহারাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি শহরে এবং দেশের অনেক জায়গায় তার অসংখ্য মূর্তিও আছে।



Click it and Unblock the Notifications

