Tips to reduce depression: পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বেশি! কীভাবে এড়াবেন জানুন

By Bhagysree Sarkar

Tips to reduce depression: কর্মব্যস্ততা ও অনিয়মিত জীবনধারায় (Busy and irregular lifestyle) সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমাদের শারীরিক ও মানষিক স্বাস্থ্যে। যারমধ্যে অন্যতম ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা (Depression)। বর্তমানে ঘরে ঘরে এই সমস্যার দেখা মিলছে। এটি একটি গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সমগ্র সমাজকে প্রভাবিত করে।

তবে গবেষণায় বলছে, পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। মহিলাদের মধ্যে হতাশার লক্ষণগুলি পুরুষদের মতোই হতে পারে। যেমন দুঃখ, ঘুমের সমস্যা, ক্ষুধা পরিবর্তন, ক্লান্তি এবং ওজন হ্রাস। কিন্তু মহিলাদের বিষণ্নতার সঠিক কারণ (cause of depression) কী, জানেন?

depression

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহিলাদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মাসিক সমস্যা, গর্ভাবস্থা, অনিয়মিত পিরিয়ড, বন্ধ্যাত্ব এবং মেনোপজের মতো অবস্থা বিষণ্নতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এই কারণগুলি ছাড়াও, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক চাপও মহিলাদের বিষণ্নতার জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। এছাড়াও মহিলাদের জীবনের বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়। তাই আপনার জানা দরকার, কীভাবে এই সমস্যা রুখবেন। এজন্য এখানে কিছু টিপস (Tips to reduce depression) দেওয়া হল-

  • মনে রাখবেন, বিষণ্নতার প্রাথমিক দিনগুলিতে রোগী প্রতিদিনের কাজকর্মে উৎসাহ এবং হতাশার অভাবের অভিযোগ করে থাকেন। তবে দিন দিন রোগের বিকাশের সঙ্গে তার দুঃখ, সামাজিক অন্তর্মুখীতা, রাগ, বিরক্তি, কান্নার মতো অনুভূতি, যৌন সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্নতার মতো লক্ষণগুলি ক্রমশই বাড়তে থাকে। তবে সঠিক চিকিৎসা না হলে, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী আকারে স্বাস্থ্যব্যাধি দেখা দিতে পারে। সঙ্গে পরিচ্ছন্নতার অভাব, অনিদ্রা, ক্ষুধা হ্রাস এবং আত্মহত্যার চিন্তাভাবনাও হতে পারে।
  • বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীদের ক্ষেত্রে তাদের হরমোন মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় খুবই সহায়ক। তাই বিষণ্নতার চিকিৎসা করার সময়, রোগীর দৈনন্দিন রুটিন এবং জীবনধারা পরিবর্তন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা এবহেলা করা একেবারেই উচিত নয়।

Health tips: শীতে শরীরকে সুস্থ রাখতে রোজ খান এই বীজগুলি, রয়েছে আশ্চর্যজনক উপকারিতা

  • এই সমস্যা রুখতে খাদ্যাভাসে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি। তাই যত দ্রুত সম্ভব ক্যাফেইন, অ্যালকোহল এবং ভারী ও ধীর-হজমকারী খাবার খাওয়া বন্ধ করুন।
  • সবথেকে বড় ভুল যা করে থাকেন রোগীরা, বিষণ্নতায় কিছুটা উপশম দেখলেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ। কিন্তু এতে রোগের পুনরাবৃত্তি হতে পারে খুব শীঘ্রই। তাই সতর্ক থাকুন।
  • বিষণ্নতা জীবনের যেকোনও সময়, যেকোনও মানুষের মধ্যে জন্মাতে পারে। এই সমস্যা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। এটিকে সঠিক সময়ে সঠিকভাবে চিকিৎসা করা উচিত। সঠিক চিকিৎসায় খুব কম সময়েই সমস্যা মিটবে।
  • মনে রাখবেন, নিয়মিত ব্যায়াম করলে মানসিক চাপ কমবে। তাই ব্যায়াম করুন, অন্তত ৪৫ মিনিটের জন্য। যোগব্যায়াম ও ধ্যানের প্রাচীন ভারতীয় রূপগুলিকে আজ সারা বিশ্বে স্ট্রেস রিলিফ এবং সুস্বাস্থ্যের সমাধান হিসাবে দেখা হচ্ছে।

Story first published: Tuesday, November 12, 2024, 13:50 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion