Women's Day 2023: সুস্থ থাকতে মহিলারা এই ৮ বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন!

বেশিরভাগ মহিলাই সংসার, কর্মজীবন, সামাজিক জীবন, দায়িত্ব-কর্তব্য, এই সবের চাপে নিজেদের যত্ন নেওয়ার বিশেষ সময় পান না। ফলে একের পর এক মানসিক এবং শারীরিক সমস্যা লেগেই থাকে। তবে কিছু বেসিক জিনিস মনে রাখলে মহিলাদের স্বাস্থ্য একেবারে নীরোগ থাকবে!

Ways For A Woman To Stay Healthy

সার্বিক ভাবে সুস্থ থাকতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কিছু নিয়ম মেনে চলা খুবই জরুরি। দেখে নিন, সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য মহিলারা কোন কোন বিষয় মাথায় রাখবেন-

প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন

প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন

একজন মহিলার সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায় এটি। যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন, দিনের কিছুটা সময় রাখুন শরীরচর্চায় বা ব্যায়ামের জন্য। বিশেষত, সকালে শরীরচর্চা করলে আরও বেশি উপকার মিলবে। শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকলেই আপনার আয়ু বাড়বে। তাছাড়া, প্রতিদিন ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, ক্যান্সার এবং আরও অনেক রোগের ঝুঁকি কমায়। যখন ব্যায়াম করা হয়, তখন হ্যাপি হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি স্ট্রেস বাস্টার হিসেবে কাজ করে, হতাশা এবং উদ্বেগ কমায়। আর, দ্রুত ওজন কমাতে ব্যায়ামের চেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নেই বললেই চলে!

স্বাস্থ্যকর ডায়েট

স্বাস্থ্যকর ডায়েট

খাবার থেকেই আমরা এনার্জি পাই। রোজকার ডায়েটে ফাইবার, আয়রন, খনিজ, প্রোটিন, ফলিক অ্যাসিড এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করুন। এগুলি একজন মহিলার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান বলে মনে করা হয়। বাইরের খাবার বেশি খাবেন না। প্রসেসড ফুড, জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত লবণ ও মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। আর যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে তারা দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

কোলেস্টেরল পরীক্ষা করান

কোলেস্টেরল পরীক্ষা করান

অত্যধিক কোলেস্টেরল রক্তনালীগুলি বন্ধ করে দিতে পারে। ফলে গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই কম চর্বি, কম কোলেস্টেরলযুক্ত খাদ্য খান। ধূমপান এড়িয়ে চলুন এবং প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। এতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল।

হার্টের যত্ন নেওয়া

হার্টের যত্ন নেওয়া

শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হার্ট। তাই হার্টের সঠিক যত্ন নেওয়া এবং নিয়মিত পরীক্ষা করা বিশেষ প্রয়োজন। রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা, বডি মাস ইনডেক্স এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেই হার্টও অনেকটাই সুস্থ থাকবে। আর, এই সব কিছুর পরিবর্তন উপেক্ষা করা মানে নিজের স্বাস্থ্যের অবহেলা করা।

ধুমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন

ধুমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন

সুস্থ-সবল থাকতে ধূমপান ও মদ্যপান অবশ্যই ত্যাগ করুন। সার্ভিকাল এবং ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের চেয়ে ফুসফুসের ক্যান্সারে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে অনেক বেশি। এ ছাড়াও, যে সব মহিলারা ধূমপান করেন তাঁরা খুব কম বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

ইউটিআই সংক্রমণ

ইউটিআই সংক্রমণ

মূত্রনালীর সংক্রমণ (Urinary tract infections) সব বয়সের মেয়েদের মধ্যেই হতে পারে। এই সমস্যা দেখা দিলেই দ্রুত চেক আপ করান। সঠিক মেডিসিন এবং প্রচুর পরিমাণে তরল গ্রহণ এই সমস্যা দ্রুত নিরাময় করতে পারে।

থাইরয়েড পরীক্ষা করান

থাইরয়েড পরীক্ষা করান

হাইপোথাইরয়েডিজমের কারণে পিরিয়ডের সমস্যা, ওজন বাড়া-কমা, ত্বকে লোম এবং গর্ভধারণের সমস্যা হতে পারে। তাই সময়মতো প্রত্যেক মহিলারই থাইরয়েড টেস্ট করানো উচিত।

নিয়মিত চেকআপ করান

নিয়মিত চেকআপ করান

আজকাল কম-বেশি সব মহিলাই ঋতুস্রাবের সমস্যায় ভোগেন। অনিয়মিত ও যন্ত্রণাদায়ক পিরিয়ড, Premenstrual syndrome, পলিসিস্টিক ওভারি, গর্ভধারণে সমস্যা, অপরিকল্পিত গর্ভধারণ, গর্ভপাত, ইত্যাদি। সময়মতো গাইনোকোলজিকাল চেক করালে এই সব সমস্যা প্রতিরোধ হতে পারে।

X
Desktop Bottom Promotion