আপনার লাঞ্চ বক্স আপনাকে অসুস্থ করে তুলছে না তো?

Posted By:
Subscribe to Boldsky

মাঝে মধ্যেই কি তল পেটে যন্ত্রণা হয়? সেই সঙ্গে পেট খারাপ যেন রোজের সঙ্গী হয়ে উঠেছে, তাহলে আজই টিফিন বক্সটা বদলে ফেলুন। না হলে কিন্তু...

টিফিন বক্সের সঙ্গে শরীরের ভাল থাকা, বা না থাকার কী সম্পর্ক? কী বলছেন! যেখানে খাবার স্টোর করে রাখছেন, সেই জয়গা যদি স্বাস্থ্যকর না হয়, তাহলে আপনার শরীর সুস্থ থাকবে কীভাবে! একাধিক সমীক্ষার পর জনা গেছে প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ মানুষই ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে টিফিন বক্স ব্যবহার করেন না অথবা জানেনই না কীভাবে আজকালকার মাইক্রোওয়েভ রেজিটেন্ট টিফিন বক্স ব্যবহার করতে হয়। ফলে অজান্তেই শরীরের উপর কুপ্রভাব পরতে শুরু করে। দেখা দেয় নানা রোগ।

কাজ করতে করতে খাওয়ার অভ্যাস আজকের যুবসমাজের কাছে একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তারা কিই বা করবেন! কাজের যা চাপ, তাতে ডেস্কে বসে খেয়ে নেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় আছে নাকি। আর যদি কুড়িয়ে-বাড়িয়ে ১৫-২০ মিনিট সময় বারও করে নেওয়া যায়, তাহলেও বাইরে গিয়ে তাজা খাবার খাওয়ার সুযোগ হয় না। ফলে অগত্যা সকালে বানানো খাবার টিফিন বক্সে পুরে অফিস ছুটতে হয়। আর লাঞ্চে সেই ঠান্ডা, নেতিয়া পরা খাবারই খেতে হয়। এইসব নানা কারণেই টিফিন বক্সের বিষয়ে জেনে নেওয়াটা জরুরি। না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!

এক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে, সেগুলি হল...

আপনার লাঞ্চ বক্স আপনাকে অসুস্থ করে তুলছে না তো?

১. টিফিন বক্সের খাবার গরম করে খাবেন:

খাবার যখন ঠান্ডা অবস্থায় থাকে, তখন তাতে নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া বাসা বেঁধে বসে। শুধু তাই নয়, সময় যত এগতে থাকে, তত ব্যাকটেরিয়াদের সংখ্যাও বাড়তে শুরু করে। আর এমন খাবার পেটে গেলে যা হওয়ার তাই হয়! কেউ কেউ পেটের যন্ত্রণায় কাবু হয়ে পরেন, তো কারও কারও ফুড পয়েজেনিং-এর মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই তো সকালে বানানো খাবার খাওয়ার আগে মনে করে তা গরম করে নিতে ভুলবেন না। হলকা গরম করে নিলে খাবারের স্বাদ যেমন বাড়বে, তেমনি ব্যাকটেরিয়ারা মরে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

আপনার লাঞ্চ বক্স আপনাকে অসুস্থ করে তুলছে না তো?

২. খাবার গরম করার সঠিক উপায়:

খাবার শুধু গরম করলে চলবে না, কীভাবে ঠিক ঠিক নিয়ম মনে তা করতে হয়, সে সম্পর্কেই জেনে নিতে হবে। না হলে কিন্তু শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কাটা থেকেই যাবে। সহজভাবে বললে, খাবার গরম করার অর্থ হল হাতে বন্দুক এসে যাওয়া। এবার বন্দুকে গুলি ভরতে হবে তো! ঠিক ঠিক নিয়ম মনে খাবার গরম করা হল সেই গুলি। তাছাড়া ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে খাবার গরম না করলে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই তো এ সম্পর্কেও জেনে নেওয়াটা জরুরি। প্রসঙ্গত, আজকাল প্রায় সবাই প্লাস্টিকের টিফিন বক্সে টিফিন নিয়ে যান। এই ধরনের বক্স গরম করার সময় প্লাস্টিকের মধ্যে থাকা নানাবিধ রাসায়নিক খাবারের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। ফলে এক সময়ে গিয়ে নানা সব পেটের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই তো আগেকার দিনের মতো স্টিলের টিফিন বক্স ব্যবহারের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু স্টিলের টিফিন বক্স তো মাইক্রোওয়েভে গরম করা যাবে না, তাহলে? আরে মশাই একটা প্লাস্টিকের প্লেটে খাবারটা ঢেলে নিয়ে প্লেটটা গরম করে নেবেন। আজকাল প্রায় সব অফিন ক্যান্টিনেই তো প্লেট রাখা থাকে। তাহলে অসুবিধাটা কোথায়।

আপনার লাঞ্চ বক্স আপনাকে অসুস্থ করে তুলছে না তো?

৩. তাজা বাতাস পাবেন কোথা থেকে:

যেদিন আপনি টিফিন নিয়ে যান না, সেদিক কী করেন? নিশ্চয় অফিসের বাইরে খাওয়া-দাওয়া করেন। আচ্ছা কখনও ভেবে দেখেছেন যেদিন যেদিন আপনি অফিসের বাইরে খান, সেদিন বেশ একটু চনমনে লাগে কেন? কারণ হল, একভাবে অফিসের ঠান্ডা ঘরে বলে কাজ করতে করতে আমাদের শরীর এবং মন হাঁপিয়ে ওঠে। সে সময় একটু তাজা বাতাসের খোঁজে শরীর যেন ছটফট করতে থাকে। তাই তো লাঞ্চের সময় একটু বাইরে বেরলে শরীর পুনরায় চনমনে হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে কর্মক্ষমতাও বাড়ে। তাই তো পকেট বুঝে মাঝে মধ্যে টিফিন না এনে বাইরে খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন শরীরের উপকার হবে তাতে।

আপনার লাঞ্চ বক্স আপনাকে অসুস্থ করে তুলছে না তো?

৪. টিফিন বক্সে কী ধরনের খাবার আনেন?

যেসব খাবার সহজে নষ্ট হয়ে গিয়ে টক্সিক হয়ে যায়, তেমন খাবার ভুলেও টিফিনে আনবেন না। যেমন ধরুন দই। কোনও দিন যদি টিফিনে দই নিয়ে আসেন, তাহেল মনে করে কন্টেনারটা ফ্রিজে রাখবেন। বাইরে রাখলেই কিন্তু কোলো! কেন এমনটা উপদেশ দেওয়া হচ্ছে জানেন? কারণ অনেক সময়ই খাবার নষ্ট হয়ে গেলেও প্রথম প্রথম তা বোঝা যায় না। ফলে এমন খাবার খেলে পেটের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    English summary

    আপনার লাঞ্চ বক্স আপনাকে অসুস্থ করে তুলছে না তো?

    is-your-lunchbox-making-you-sick
    Story first published: Friday, June 9, 2017, 15:33 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more