সারাদিন ক্লান্ত লাগছে, কাজে মন বসছে না? আপনার উচ্চ কোলেস্টেরল আছে কিনা কীভাবে বুঝবেন

By Bhagysree Sarkar

উচ্চ কোলেস্টেরল একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা। যা বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষের মধ্যে দেখা যায়। এটি হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের মতো বড় স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে সক্ষম। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু জিনিস মাথায় রাখলেই হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ওষুধের সঙ্গে খাদ্যতালিকাগত পরিবর্তন বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ক্লান্তি মানেই কি উচ্চ কোলেস্টেরল?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ কোলেস্টেরল সরাসরি ক্লান্তির কারণ নয়। এমনকি কোনো লক্ষণও প্রকাশ করে না সরাসরি। কিন্তু উচ্চ কোলেস্টেরল থেকে হওয়া বিভিন্ন সমস্যার কারণে ক্লান্তি বোধ হতে পারে। কোলেস্টেরল বাড়ে মূলত অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার কারণে। এসব কারণেই বাড়ে ওজন। সঙ্গেই বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকিও। উচ্চ কোলেস্টেরল থাকার কোনো লক্ষণ সরাসরি প্রকাশ পায় না। তবে এরজন্য নানান সমস্যা দেখা যায়, যা থেকে সাধারণত আন্দাজ করা যায় কোলেস্টেরল বেড়েছে।

cholesterol

লক্ষণগুলি জেনে নিন-

  • সময়ে সময়ে মাথা ঝিমঝিম করা।
  • বুক ধরফর করা। বুকে ব্যথা ও চাপ অনুভব।
  • নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা।
  • হাত বা পায়ে অসাড় বা দুর্বল বোধ, ইত্যাদি।

মাঝে মধ্যেই দাঁতে অসহ্য ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাচ্ছে, দাঁতের যত্নে এসব খাবার খেতে একেবারেই ভুলবেন না!

তবে আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় কিছু পরিবর্তন করলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে পারে। যেমন-

  • চর্বিযুক্ত মাছ: চর্বিযুক্ত মাছ যেমন রুই, কাতলা, পমফ্রেটে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। যা প্রদাহ কমাতে এবং হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। সপ্তাহে অন্তত দুইবার চর্বিযুক্ত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • বাদাম: বাদাম যেমন কাঠবাদাম, আখরোট এবং কাজু স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ফাইবারের দুর্দান্ত উৎস। যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • অ্যাভোকাডো: অ্যাভোকাডো স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ফাইবারের একটি দুর্দান্ত উৎস। যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ-ক্যালোরি সামগ্রীর কারণে পরিমিতভাবে অ্যাভোকাডো খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েল হল চর্বির একটি স্বাস্থ্যকর উৎস । যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে
  • ওটস: ওটস ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস। যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন অন্তত দেড় কাপ ওটস খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
  • শাক-সবজি: ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে খাদ্যতালিকায় বেগনি রঙের সবজি রাখুন। বেগুন বা বেগনি বাঁধাকপিতে অ্যান্থোসায়ানিন নামক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা এইচডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

X
Desktop Bottom Promotion