কয়েক দানা চালের সঠিক ব্যবহারেই দূর হবে আর্থিক সংকট, ধন সম্পদে ভরে উঠবে সংসার!

অনেক সময় কঠোর পরিশ্রমের পরেও আমরা মনের মতো ফল পাই না। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রে এমন কিছু উপায় বলা হয়েছে, যা মেনে চললে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্রে চাল সংক্রান্ত অনেক উপায় বলা হয়েছে। পূজায় ব্যবহৃত চাল বা অক্ষতকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। শাস্ত্র অনুসারে, অক্ষত ছাড়া কোনও পূজাই সম্পূর্ণ হয় না। জীবনে যত সমস্যাই আসুক না কেন, চাল বা অক্ষতের প্রভাবে তা দূর হয়ে যায় এবং মনের সমস্ত ইচ্ছা পূরণ হয়।

শাস্ত্রে বলা হয়েছে, পূজায় অক্ষতের যথাযথ ব্যবহার করলে ঘরে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি আসে। তবে ভুলেও ভাঙা চাল পূজায় ব্যবহার করবেন না, তাহলে মহা সংকটে পড়বেন। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, চালের কিছু সহজ উপায় সম্পর্কে।

Try these remedies with rice to become rich

১) কথিত আছে, পুজোয় গোটা চাল ব্যবহার করা এবং রোলির সঙ্গে নিয়ে কপালে তিলক লাগালে জীবনে সৌভাগ্য ফেরে। তাছাড়া, একটি তামার ঘটে রোলির সঙ্গে সামান্য অক্ষত মিশিয়ে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন করলে ভাগ্য উজ্জ্বল হয় এবং আর্থিক সমস্যা দূর হয়।

২) ঘরে আর্থিক সমস্যা থাকলে তা দূর করার জন্য পূজার ঘরে চাল বা ধানের স্তূপ করে সেখানে মা অন্নপূর্ণাকে প্রতিষ্ঠা করুন। এতে ঘরে খাবার ও অর্থের অভাব হবে না।

৩) পূর্ণিমা তিথিতে সকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে পরিষ্কার লাল রেশমী কাপড়ে ২১ দানা চাল বেঁধে মা লক্ষ্মীর পূজা করুন। খেয়াল রাখবেন এই ২১টি দানা যাতে অখণ্ডিত থাকে, অর্থাৎ ভাঙা চাল যাতে না থাকে। পুজো শেষ হওয়ার পর সেই কাপড়টি নিজের পার্সে বা টাকা রাখার জায়গায় রেখে দিন। এই প্রতিকার করলে কখনই অর্থের অভাব হবে না।

৪) বিশ্বাস করা হয় যে, শুক্লপক্ষ বা কোনও মাসের চতুর্থী তিথিতে শিবকে মাত্র পাঁচ দানা চাল নিবেদন করলে ভগবান ভোলেনাথ প্রসন্ন হন। শিবকে মাত্র পাঁচ দানা অক্ষত অর্পণ করলে প্রতিটি সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।

৫) দৈনন্দিন পুজোয় চাল ব্যবহার করা উচিত। অবশিষ্ট চাল কোনও মন্দিরে দান করে দিন অথবা অসহায় ব্যক্তিকেও দান করতে পারেন। প্রতি সোমবার এই উপায় করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

আরও পড়ুন : অর্থ কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে পুজোয় ব্যবহৃত পান! কাজে লাগান এই টোটকা

X
Desktop Bottom Promotion