Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
এই মন্ত্রটি শরীরকে যে কোনও রোগ থেকে মুক্ত করতে পারে!
মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র আসলে ভগবান শিবের মন্ত্র। ঋক বেদে উল্লেখ পাওয়া যায় এই মন্ত্র বলে মৃত্যুকেও জিতে নেওয়া সম্ভব।
বেদের অন্দরে নজর রাখলে জানতে পারবেন সেখানে এমন সব মন্ত্রের উল্লেখ রয়েছে, যা প্রতিদিন পাঠ করলে শারীরিক এবং মানসিক শক্তি এতটাই বেড়ে যায় যে রোগ, দুঃখ সহ জীবনের সব খারাপ কিছু নিমেষে ঘুঁচে যায়।
সত্যিই কি এমন মন্ত্রের সন্ধান পাওয়া সম্ভব? একেবারেই। আর তার জন্য বেদ-উপনিষদ উল্টে দেখতে হবে না, বরং এই প্রবন্ধে চোখ রাখলেই সেই শক্তির সন্ধান মিলবে। এই লেখায় যে বিশেষ মন্ত্রটির বিষয়ে আলোচনা করা হল, তা হল মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র। একাধিক প্রাচীন গ্রন্থে উল্লেখ পাওয়া যায়, এই মন্ত্রিটি নিয়মিত যপ করলে শরীরের অন্দরে লুকিয়ে থাকা যে কোনও রোগ এবং ক্ষত সেরে যেতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, আয়ুও বৃদ্ধি পায়।

বেদের কথা:
মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র আসলে ভগবান শিবের মন্ত্র। ঋক বেদে উল্লেখ পাওয়া যায় এই মন্ত্র বলে মৃত্যুকেও জিতে নেওয়া সম্ভব। যদি ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে এই মন্ত্রটি যপ করা যায়, তাহলে দেহের অন্দরে দৈবিক শক্তি এতটাই বেড়ে যায় যে মৃত্যু ধারে কাছেও ঘেঁষতে ভয় পায়। প্রসঙ্গত, অনেক বইতে এই মন্ত্রকে রুদ্র মন্ত্র নামেও ডাকা হয়ে থাকে। রুদ্র কথার অর্থ হল তেজ বা শক্তি, যা শরীরকে ভিতরে এত পরিমাণে শক্তির প্রবেশ ঘটায় যে রোগ বেড়ে ওঠার সুযোগই পায় না। অনেকে মনে করেন দেবাদিদেব শিবের তেজর কথা মাথায় রেখেই বহু মুনি-ঋষিরা এই নামে ডেকে থাকেন এই বিশেষ মন্ত্রটিকে। অনেকের কাছে ত্রিয়াম্বাকাম নামেও পরিচিত এই মন্ত্রটি। ত্রিয়াম্বকম কথার অর্থ হল মাহাদেবেপ শিবের তিন নয়ন। এখানেই শেষ নয়, মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রকে অনেকে "মৃত্যু সঞ্জীবনী মন্ত্র" নামেও চিনে থাকেন।

মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র:
বেদে এই মন্ত্রিটি সংস্কৃততে লেখা রয়েছে। মন্ত্রটি হল- "ওম। ত্রম্বকাম যজমাহে, সুগন্ধিম পুষ্টি-বর্ধানাম, উরুভারুকম্ভিয়া বান্ধানাম, মৃত্যুয়র মুখশিয়া মামরিতাত।" প্রসঙ্গত, চার লাইনে ভাঙা এই মন্ত্রটির প্রতিটি লাইনে আটটা চিহ্ন রয়েছে, যা উচ্চারণ করার সময় সারা শরীরজুড়ে একটা কম্পন ছড়িয়ে পরে। এই কম্পনই শরীরে ভেতরে থাকা হাজারো ক্ষতকে নিমেষে সারিয়ে তোলে। শুধু তাই নয়, ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই মন্ত্রটি। আধুনিক কালে এই মন্ত্রটিকে নিয়ে একাধিক গবেষণা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে মন্ত্রটি পাঠ করার সময় মস্তিষ্কের অন্দরে থাকা নিউরনগুলি এতটাই অ্যাক্টিভ হয়ে যায় যে ধীরে ধীরে মনোযোগ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে।

ভয় দূর হয়:
বেদে একটা সময়ের উল্লেখ পাওয়া যায়, যখন এই পৃথিবীতে বসবাস করা কোনও মানুষেরই মৃত্যু হত না। ফলে একটা সময়ে গিয়ে সারা পৃথিবীর খবার শেষ হতে শুরু করেছিল। সে সময়ই যম রাজ প্রথম মৃত্যুর সঙ্গে পরিচয় ঘটালো মানুষের। কারণ এমন পরিস্থিতি হয়ে গিয়েছিল যে জীবন এবং মৃত্যুর মধ্যে ভারসাম্য ফিরে আসাটা খুব দরকার ছিল। আর সেই কাজটিই করেছিলেন যোম রাজ। কিন্তু এর প্রভাবে মানুষের মনে মৃত্যু ভয় এমন ঢুকে গিয়েছিল যে তাদের সব সময়ই মনে হত তারা মরে যাবেন। এমনকি এই ভয়ের কারণে শরীরও ভাঙতে শুরু করেছিল। সে সময়ই ভগবান শিব মানবজাতির হাতে তুলেছি এক ব্রহ্মাস্ত্র, যে অস্ত্রের বলে ভয়ের উপর জিত সম্ভব ছিল। সেই ব্রহ্মাস্ত্র কি ছিল জানেন? মাহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র। তাই আপনিও যদি সুন্দর, রোগমুক্ত জীবন পেতে চান, তাহলে স্বয়ং ভগবান শিবের দেওয়া এই মন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। উপকার যে পাবেন, তা হলফ করে বলতে পারি।

সুখের চাবিকাঠি:
মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র নিয়মিত যপ করলে জীবনে সুখ-সমৃদ্ধির সন্ধান পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে ভাগ্যও ফেরে। তাই দুর্ভাগ্যের কারণে যাদের জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে তারা নিয়মিত এই মহা মন্ত্রের পাঠ শুরু করতে পারেন। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতিদিন যদি এক মনে ১০৮ বার এই মন্ত্রটি যপ করা যায়, তাহলে জীবনে কোনও দিন কষ্টের সম্মুখিন হতে হয় না।

মন্ত্রটি যপ করার নিয়ম:
প্রথম ধাপে মন্ত্রটি ঠিক মতো উচ্চারণ করার চেষ্টা করুন। খেয়াল রাখুন যাতে কোনও ভাবেই ভুল উচ্চারণ না করে ফেলেন। এরপর শান্তভাবে পদ্মাসনে বসে এক মনে মন্ত্রটি যপ করা শুরু করুন। মন্ত্রটি পাঠ করার সময় দুই চোখের মাঝখানে মনোনিবেশ করার চেষ্টা করবেন। এমনটা করলে দেখবেন সহজে একাগ্রতা ফিরে আসবে। প্রসঙ্গত, প্রথম প্রথম এক মনে মন্ত্রটি পাঠ করতে হয়তো অসুবিধা হতে পারে। তাই ধীরে ধীরে যপের সময় বাড়াবেন। এক সময় গিয়ে দেখবেন খুব সহজেই ১০৮ বার মন্ত্রটি পাঠ করতে পারছেন।



Click it and Unblock the Notifications