Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে চান তো বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড করাতে ভুলবেন না যেন!
মায়েরা টানা ৬ মাস তাদের বাচ্চাদের নিজের দুধ খাইয়েছেন, তাদের ডায়াবেটিসের মতো রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৭ শতাংশ কমেছে।
ব্রেস্টফিডং-এর সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগের কি সম্পর্ক? গতকাল প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে বাচ্চা জন্মানোর পর তাকে যদি টানা ৬ মাস মায়ের দুধ খাওয়ানো যায়, তাহলে মায়ের শরীরে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগ বাসা বাঁধার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়।
গত তিন দশক ধরে প্রায় ১২০০ মহিলার উপর এই গবেষণাটি চালিয়েছিলেন একদল মার্কিন গবেষক। পরীক্ষাটি চলাকালীন তাঁরা মায়েদের শরীরে যে যে পরিবর্তন লক্ষ করেছিলেন, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ তুলে ধরেছেন জার্নাল অব আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন পত্রিকায়। সেখানে তারা দাবি করেছেন যেসব মায়েরা টানা ৬ মাস তাদের বাচ্চাদের নিজের দুধ খাইয়েছেন, তাদের ডায়াবেটিসের মতো রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৭ শতাংশ কমেছে। কারণ ব্রেস্টফিডিং-এর সময় মায়ের শরীরে বেশ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।
গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে যে হারে ডায়াবেটিস রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পয়েছে, তাতে এই আবিষ্কার যে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রকাশিত একাধিক সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে ধীরে ধীরে আমাদের দেশে ডায়াবেটিস রোগ মহামারির আকার নিতে চলেছে। কারণ গত কয়েক বছরে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা এতটা বেড়েছে যে বর্তমানে প্রায় ৬২ মিলিয়াম ভারতবাসী ডায়াবেটিস রোগের শিকার, যা সারা বিশ্বের মধ্যে সবথেকে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে শুধু ভাবী মায়েরাই নন, প্রত্যেকটি ভারতীয়রই এই প্রবন্ধে চোখ রাখা উচিত। কারণ এই লেখায় এমন কিছু ঘরোয়া খাবার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
এক্ষেত্রে যে যে খাবারগুলি রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল...

১. বিনস:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই সবজির অন্দরে উপস্থিত ফাইবার, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান শুধু ব্লাড সুগার নয়, খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফলতেও সাহায্য করে। আসলে নিয়মিত ১ কাপ করে বিনস খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকে। যার প্রভাবে ক্ষিদে কমে যায়। ফলে ক্যালরির প্রবেশ কমে যাওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেও টাইপ-২ ডায়াবেটিস ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

২. ডেয়ারি প্রডাক্ট:
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর মাত্রা যত বাড়ে, তত ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। অনেক ক্ষেত্রে তো এই মারণ রোগ শরীরে বাসা বাঁধার সম্ভাবনা প্রায় ৩৩ শতাংশ কমে যায়। তাই তো এমন ধরনের রোগের খপ্পর থেকে বাঁচতে নিয়মিত দই, দুধ বা যে কোনও ধরনের দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ প্রায় প্রতিটি ডেয়ারি প্রডাক্টেই প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি থাকে, যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে।

৩. মাছ:
হে মাছে-ভাতে বাঙালি যদি ডায়াবেটিস রোগ থেকে দূরে থাকতে চান, তাহলে ভুলেও রোজের ডেয়েট থেকে মাছকে বাদ দেবেন না যেন! কারণ মাছের অন্দরে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, এই উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডটির মাত্রা শরীরে বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়, যেমন ধরুন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে, দেহে প্রদাহের মাত্রা কমে এবং অতিরিক্ত ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৪. ওটস:
বিনসের মতোই এই খাবারটিও ডায়াবেটিস রোগকে প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে যদি ওটসকে জায়গা করে দিতে পারেন, তাহলে সুস্থ জীবনের স্বপ্ন পূরণ হতে একেবারেই সময় লাগে না। আসলে এই খাবারটির অন্দরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে থাকে।

৫. জাম:
স্বদে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিসকে রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ফলটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ জামের অন্দরে উপস্থিত ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ভিতর এবং বাইরে থেকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে শুধু ডায়াবেটিস নয়, কোনও ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষার সুয়োগ পায় না। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল এমন একটি উপাদান, যা ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতেও সাহায্য করে। আসলে এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর ক্ষতিকারক সব টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।



Click it and Unblock the Notifications