এই আসনগুলি করলে টাক ঢেকে যাবে চুলে!

Written By:
Subscribe to Boldsky

বয়স ৩০-এর কোটা পেরোয়নি, এদিকে মাথা ফাঁকা হতে শুরু করেছে নাকি? তাহলে বন্ধু আজ থেকেই এই আসনগুলি করা শুরু করুন। দেখবেন ফাঁকা ময়দান ভরতে সময় লাগবে না।

আজকাল কখনও দূষণের কারণে, তো কখনও কসমেটিক্সের কারণে চুল পরার হার কেমন যেমন বেড়ে গেছে। তার উপর জেনেটিক কারণ তো রয়েছেই! এমন পরিস্থিতিতে নতুন চুল যাতে গজায় তার জন্য যেতে পারে অনেক কিছুই। তবে রামদেব বাবার মতে এই প্রবন্ধে আলোচিত আসনগুলি যদি নিয়মিত করা যায়, তাহলে দ্রুত চুল গজাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ঢেউ খেলানো চুল পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এই আসনগুলি নিয়ম করে করলে চুল পরার হারও কমে যেতে শুরু করে। তাই মাথা ভর্তি চুল পেতে সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই নিয়ম করে আসনগুলি করা শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলতে সময় লাগবে না। কিন্তু যোগাসন কিভাবে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে? আসলে এই আসনগুলি করার সময় স্কাল্পে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যেতে শুরু করে। ফলে হেয়ার ফলিকলসগুলি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। আর এমনটা হওয়া মাত্র নতুন করে চুল গোজাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে দুর্বল চুলেরা শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে নতুন করে হেয়ার ফলের আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, নিয়মিত আসন করলে স্ট্রেস লেভেল একেবারে কমে যায়। এই কারণেও চুল পরা অনেক কমে যায়। আসলে মানসিক চাপ অনেক সময়ই চুল পরার হার বাড়িয়ে দেয়।

প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে যে যে আসনগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল...

১. অধো মুখ সবাসন:

১. অধো মুখ সবাসন:

এই আসনটি করার আগে হাঁটু মুড়ে বসে পরুন। তারপর হাতের উপ চাপ দিয়ে শরীটাকে পাহাড়ের মতো করে নিন। তারপর ধীরে ধীরে মাথাটা নিচু করুন। যেমনটা উপরের ছবিতে দেখানো হয়েছে। কয়েক মিনিট করার পর পুনরায় প্রথম পজিশনে চলে আসুন। এইভাবে কয়েকবার করুন। নিয়ম করে এই আসনটি করলে দেখবেন উপকার মিলতে শুরু করবে।

২. উত্তাসনা:

২. উত্তাসনা:

একেবারে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পরুন। তারপর হাত দুটো উপরে তুলে ধীরে ধীরে নিচে নেমে পায়ের পাতা ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। যখন পায়ের পাতা ছোঁবেন তখন চোখ থাকবে পায়ের দিকে। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে নিতে এই আসনটি করতে হবে। প্রসঙ্গত, এই আসনটি করার সময় যে শুধু মাথার দিকে রক্তের সরবরাহ বাড়ে এমন নয়, সেই সঙ্গে শরীরও সার্বিকভাবে চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

৩. বজ্রাসন:

৩. বজ্রাসন:

এই আসনটি শুরু করার আগে পা সোজা করে বসে পরুন। তারপর ধীরে ধীরে পা দুটি ভাঁজ করে পিছনের দিকে নিয়ে আসুন। এমনটা যখনই করবনে তখন দেখবেন আপনি পায়ের পাতার উপর বসে আছেন। এই সময় শিরদাঁড়া থাকবে একেবারে সোজা। এই অবস্থায় কয়েক মিনিট থাকতে হবে। নিয়মিত যদি বজ্রাসন করতে পারেন, তাহলে একদিকে যেমন চুল পরা কমে, তেমনি শরীর এতটাই কর্মক্ষম হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৪. শশাঙ্কাসন:

৪. শশাঙ্কাসন:

বজ্রাসনে বসে ধীরে ধীরে মাথাটা সামনের দিকে নিয়ে এসে মাটিতে লাগান, আর হাত দুটি গোড়ালির পাশে রাখার চেষ্টা করুন। একান্তই যদি গোড়ালি ছুতে না পারেন, তাহলে হাঁটুর উপর হাত রাখতে পারেন। খেয়াল করে দেখবেন এই আসনটি করার সময় মাথা নিচের দিকে থাকার কারণে রক্তের প্রবাহ মাথার দিকে হতে থাকে। ফলে চুলের গোড়ায় পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়।

৫. উস্ট্রাসন:

৫. উস্ট্রাসন:

অনেক জয়াগায় ক্যামেল পোজ নামে পরিচিত এই আসনটি করার সময় প্রথমে বজ্রাসনে বসতে হবে। তারপর হাঁটুর উপর ভর দিয়ে উঠে ধীরে ধীরে হাত দুটি পিছনে নিয়ে গিয়ে গোড়ালি ছুঁতে হবে। এমনটা করার সময় মাথা থাকবে আকাশের দিকে। আর থাই থাকবে সোজা। প্রসঙ্গত, এই আসনটি নিয়মিত করলে সারা শরীরের সচলতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে ডয়েন্ট পেনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পাবে।

৬. পবনমুক্তাসন:

৬. পবনমুক্তাসন:

সোজা হয়ে শুয়ে পরুন। তারপর ধীরে ধীরে পা টা সোজা করে উপরের দিকে তুলুন। এরপর পা টা ভাঁজ করে বুকের কাছে নিয়ে আসুন। এমনটা করার পর হাত দিয়ে শক্ত করে হাঁটু দুটো জাপটে ধরুন এবং ধীরে ধীরে মুখটা হাঁটুর কাছে নিয়ে আসুন। কয়েক মিনিট আসনটি করার পর স্বাভাবিক অবস্থায় চলে আসুন। যদি বেশিক্ষণ এই অবস্থায় থাকতে কষ্ট হয়, তাহলে ১০-৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত আসনটি করতে পারেন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন নিয়ম করে পবনমুক্তাসন করলে পিঠের পেশীর কর্মক্ষমতা বাড়ে, সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: শরীর রোগ
    English summary

    বয়স ৩০-এর কোটা পেরোয়নি, এদিকে মাথা ফাঁকা হতে শুরু করেছে নাকি? তাহলে বন্ধু আজ থেকেই এই আসনগুলি করা শুরু করুন। দেখবেন ফাঁকা ময়দান ভরতে সময় লাগবে না।

    One of women’s biggest concerns after their weight is their hair! And although in the past, the issue was as trivial as controlling a bad hair day, today, the scene is different. Owing to extreme lifestyle and environmental changes, hair loss is become a common problem. Be it stress or bad water, one swish of the hand through the hair results in a few bundled up strands in the fingers. It is alarming because nobody wants to be bald. But then, there is always a solution!
    Story first published: Tuesday, November 28, 2017, 14:36 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more