Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
মশার কামড় খেতে খেতে কি অবস্থা খারাপ? তাহলে জেনে নিন কী কারণে এত মশা কামড়ায় আপনাকে!
গায়ের গন্ধের সঙ্গে যেমন নানাবিধ রোগের যোগ রয়েছে, তেমনি কার গা থেকে কেমন গন্ধ বরচ্ছে তার উপর মশার কামড় কতটা খাবেন, তাও কিন্তু নির্ভর করে থাকে।
গায়ের গন্ধে লোক দূরে পালায় ঠিকই! কিন্তু একথা একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়ে গেছে যে আমাদের শরীরের অন্দরে কোনও নেতিবাচক পরিবর্তন হলে প্রথমেই গায়ের গন্ধে তার আভাস পাওয়া যায়। যেমন ধরুন সম্প্রতি পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে গায়ের গন্ধ একেবারে বদলে যায়। যদিও এই ফারাক আমাদের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু তাই বলে বিষয়টিকে এড়িয়ে গেলে কিন্তু ভুল করবেন! কারণ হল...
আসলে মজার বিষয় কি জানেন, গায়ের গন্ধের সঙ্গে যেমন নানাবিধ রোগের যোগ রয়েছে, তেমনি কার গা থেকে কেমন গন্ধ বরচ্ছে তার উপর মশার কামড় কতটা খাবেন, তাও কিন্তু নির্ভর করে থাকে। জানি বন্ধু কথাটা শুনতে হয়তো একটু আজগুবি লাগছে। কিন্তু গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে আমাদের শরীরের অন্দরে ঘটে যাওয়া বিশেষ কিছু বদলের কারণে গায়ের গন্ধেও পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মশারা বেশি মাত্রায় কামড়াতে শুরু করে। আর দুঃখের বিষয় হল আমাদের অনেকেরই এই বিষয়ে কোনও জ্ঞান নেই! তাই তো এই প্রবন্ধে শরীরের অন্দরে যে যে পরিবর্তনের কারণে মশারা বেশি মাত্রায় কামড়ায়, সেই বিষয়টির উপর আলোকপাত করার ছেষ্টা করা হবে।
প্রসঙ্গত, যে যে কারণে মাশারা কাউকে বেশি মাত্রায় কামড়ে থাকে, সেগুলি হল...

১. স্কিন ব্যাকটেরিয়া:
২০১১ সালে হওয়া একটা স্টাডিতে দেখা গেছে ত্বকের উপরিভাগে বিশেষ কিছু ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে মশারা বেশি মাত্রায় কামড়াতে শুরু করে। আসলে এই বিশেষ ধরনের জীবাণুগুলি খেতে মশারা এতটাই ভালবাসে যে লোভ সামলাতে পারে না। ফলে কোনও এক দুর্ভাগার জীবন মশার কামড় খেতে খেতে দুর্বিসহ হয়ে ওঠে।

২. শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দেহের অন্দরে ইউরিক অ্যাসিড, ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং অ্যামোনিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে তা ঘামের সঙ্গে বেরতে শুরু করে, যার দ্বারা মশারা এত মাত্রায় আকৃষ্ট হয় যে একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মশা বাহিত কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে।

৩. রক্তের বিভাগ:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে "ও" বিভাগের রক্ত যাদের শরীরে বইছে তাদের বেশি মশা কামড়ায়। আর "এ" বিভাগের রক্ত যাদের তাদের কামড়ায় কম। আর "বি" বিভাগের রক্ত যাদের তাদের সঙ্গে মশার সেভাবে কোনও ঝামেলা নেই। তাই তো এদের সেভাবে কামড়ায় না। কিন্তু মশা রক্তের বিভাগ সম্পর্কে জানতে পারে কীভাবে? আসলে আমাদের শরীর থেকে প্রতি মুহূর্তে নানা ধরনের সিগনাল বেরতে থাকে। যে সিগনালগুলিকে বিশ্লেষণ করেই মশারা জানতে পেরে যায় কার শরীরে কোন বিভাগের রক্ত বইছে।

৪. কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে:
শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ত্বকের অন্দরেও এর পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। আর এমনটা হলেই মশরা বেশি বেশি করে আক্রমণ করতে শুরু করে। কারণ হল, মশারা কোলেস্টেরল খেতে খুব ভালবাসে। তাই তো লোভে পরে হাই কোলেস্টেরলে ভুগতে থাকা রোগীদের শরীরের দিকে মশারা বেশি করে উড়ে যেতে শুরু করে। তাই যদি লক্ষ করেন বাকিদের তুলনায় আপনাকে বেশ মশা কামড়াচ্ছে, তাহলে একবার প্রয়োজনীয় টেস্ট করে দেখে নেবেন রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক আছে কিনা।

৫.কার্বোন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে:
সহজ একটা ফর্মুলা আছে। সেটা হল- যার শরীর থেকে যত বেশি পরিমাণে কার্বোন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হবে, তত তাকে বেশি বেশি করে মশা কামড়াবে। কারণ কার্বোন-ডাই-অক্সাইডের প্রতি মশাদের বিশেষ এক ধরনের আকর্ষণ রয়েছে। সেই কারণেই লক্ষ করে দেখবেন বাচ্চাদের তুলনায় বড়দের বেশি মশা কমড়ায়। কারণ প্রাপ্ত বয়স্কদের শরীরে থেকে বেশি মাত্রায় এই গ্যাসটি নির্গত হয়। প্রসঙ্গত, গর্ভবতী মহিলাদেরও এই কারণে বেশি মাত্রায় মশা কামড়ায়। কারণ ভাবী মায়েদের শরীর থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি মাত্রায় কার্বোন-ডাই-অর্সাইড বেরয়।

৬. বেশি ঘামলে:
আসলে ঘামার সময় আমাদের শরীর থেকে ল্যাকটিক অ্যাসিড, ইউরিক অ্যাসিড, অ্যামোনিয়া প্রভৃতি উপাদান ঘামের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসে। যাদের এই সব উপাদান বশি মাত্রায় বেরয় তাদের বেশি বেশি করে মশা কামড়ায়। তাই এবার থেকে ঘামার সময় সাবধান থাকবেন। না হলে কিন্তু মশারা আপনার "জিনা হারাম" করে দেবে।

৭. বিয়ার বেশি খেলে:
এমন ধরনের পানীয় খাওয়ার পর পরই আমাদের শরীর থেকে ইথানল নামে একটি কম্পাউন্ড বেরতে শুরু করে। যার গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে মশারা বেশি বেশি করে কামড়াতে শুরু করে।

৮. বেশি মাত্রায় খেলা-ধুলো করলে:
গরম আবহাওয়া মশাদের খুব পছন্দের। তাই তো আমাদের শরীর যখনই বেশি মাত্রায় গরম হয়ে যায়, তখনই বেশ বেশি করে মশারা আক্রমণ করে। প্রসঙ্গত, খেলা-ধুলো বা শরীরচর্চা করার সময় যেহেতু শরীরের চাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই এই সময় আমাদের প্রতি মশাদের ভালবাসাও বৃদ্ধি পায়।



Click it and Unblock the Notifications