যৌনাঙ্গে চুলকানির দশটি কারণ ও তার ঘরোয়া প্রতিকার

Posted By: Anindita Sinha
Subscribe to Boldsky

যৌনাঙ্গের এই চুলকানির সমস্যার ঘরোয়া প্রতিকার সম্ভব। যদি আপনার কোন সংক্রমণ হয়ে থাকে তবে মাঝে মাঝে গোপনাঙ্গ দই ব্যবহার করে পরিস্কার করা উচিৎ। দই-এ উপস্থিত উপাদানগুলি, ঐ জায়গা থেকে ব্যাকটেরিয়া অপসারণে সক্ষম।

একইভাবে, আরো কিছু ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে, যা নারী পুরষ উভয়ের ক্ষেত্রেই কার্যকরী। আসুন একবার দেখে নেওয়া যাক, কেন আপনার হাত বারবার চুলকাবার জন্য উদ্যত হয়। এই কারণগুলি জানা থাকলে, নিজে থেকেই আপনাকে, আমাদের দেওয়া ঘরোয়া প্রতিকারগুলিকে মেনে চলতে সাহায্য করবে।

মানসিক চাপঃ

মানসিক চাপঃ

মানসিক চাপ যৌনাঙ্গে চুলকানির সম্ভাবনা বাড়য়ে তোলে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি আরো খারাপ অবস্থার সৃষ্টি করে বা বারংবার যোনিতে চুলকানির সৃষ্টি করে।

মেনোপোজঃ

মেনোপোজঃ

মেনোপোজ ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমিয়ে দেওয়ার একটা কারণ। এর ফলে যোনি প্রাচীর পাতলা করে দেয় ও লুব্রিকেশন কমিয়ে দেয়, যার পরিণতি হয় যৌনাঙ্গের চুলকানি।

শুষ্ক ত্বকঃ

শুষ্ক ত্বকঃ

শুষ্ক ত্বক একটি সাধারণ সমস্যা। নমনীয় থাকার জন্য ত্বকের আর্দ্রতার প্রয়োজন এবং আপনার বয়স যত বাড়বে, ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা ততোটাই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

ইস্ট জনিত সংক্রমণঃ

ইস্ট জনিত সংক্রমণঃ

ইস্ট জনিত সংক্রমণ বা থ্রাস একটি সাধারণ সমস্যা। এই সংক্রমণ ক্যানডিডা আলবিকানস নামক ফাংগাল জীবের দ্বারা হয়ে থাকে। ইস্ট জনিত সংক্রমণের আনুসাঙ্গিকভাবে সাদা দই এর মতো স্রাবও দেখা যায়। এটি অ্যান্টিবায়োটিক, জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি, গর্ভাবস্থা, মাসিক, কন্ডোমের ব্যবহার, সহবাস, ডায়াবেটিস এবং দুর্বল ইমিউনিটি সিস্টেমের ফলে হয়ে থাকতে পারে।

রাসায়ানিক উত্তেজকঃ

রাসায়ানিক উত্তেজকঃ

রাসায়ানিক উত্তেজক, যেমন কাপড় কাচার সাবান, কাপড় মোলায়ম করার রাসায়ানিক, মেয়েলি স্প্রে, সুবাসিত স্যানিটারি টাওয়েল, মলম, ক্রীম, ডুস নেওয়া বা গর্ভনিরোধক ফোম বা জেলও যৌনাঙ্গে চুলকানির কারণ হয়।

দই এর লেপঃ

দই এর লেপঃ

দই এর মধ্যে একটা পট্টিকে ঘণ্টা খানেক ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর এই দই এর লেপ লাগানো পট্টিটি যোনিতে ভালভাবে লাগিয়ে রাখতে হবে ও ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি আরেকটি ঘরোয়া প্রতিকার।

সীডার ভিনিগারঃ

সীডার ভিনিগারঃ

গরম জলের সাথে ২ টেবিল চামচ সীডার ভিনিগার মিশিয়ে যৌনাঙ্গ ভালভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। পুরুষদের যৌনাঙ্গের চুলকানি থেকে নিস্তার পেতে সপ্তাহে দুইবার এই মিশ্রণের ব্যবহার করতে হবে।

ঠান্ডা ঠান্ডা বরফঃ

ঠান্ডা ঠান্ডা বরফঃ

চুলকানি থেকে তাৎক্ষনিক রেহাই এর জন্য বরফ বা বরফ-ঠান্ডা জলের সেঁক দিতে হবে। রাতের বেলা যখন এই চুলকানির তীব্রতা খুব বৃদ্ধি পায় তখন এই প্রতিকারটি খুবই কার্যকারী। নারী ও পুরুষ উভয়েরই ক্ষেত্রে এটি একটি দ্রুত প্রতিকার।

নুন জলে স্নানের বিস্ময়কর ফলঃ

নুন জলে স্নানের বিস্ময়কর ফলঃ

স্নানের জলে বা বাথ-টাবে ৪ টেবিল চামচ নুন মিশিয়ে নিতে হবে। ওই জলে কমপক্ষে আধা ঘন্টা নিজেকে ভিজিয়ে রেখে বসে থাকতে হবে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এই নোনা জল সংক্রমণকারী ব্যাকটেরিয়াগুলিকে বিনাশ করতে সক্ষম। এটিও যৌনাঙ্গের চুলকানি প্রতিরোধের একটি ঘরোয়া প্রতিকার।

এক টাব জলে তুলসী পাতাঃ

এক টাব জলে তুলসী পাতাঃ

টাবের জলে তুলসী পাতা দিন। আধা ঘন্টা পরে নিজেকে ওই জলে ভিজিয়ে নিন। তুলসীপাতায় উপস্থিত বৈশিষ্ঠগুলি, ক্রমবর্ধনশীল ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়ে। এই যৌনাঙ্গে চুলকানির প্রতিকারটি, নারী পুরুষ উভয়েই ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

    English summary

    যৌনাঙ্গে চুলকানির ঘরোয়া প্রতিকার। মহিলাদের যৌনাঙ্গে চুলকানির কারণ। পুরুষদের যৌনাঙ্গে চুলকানির কারণ।

    Genital itching is one of the main problems that is faced in almost 99 percent of men and women. The reasons for genital itching is usually due to skin problems, the wrong choice of clothing or multiple partners.
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more