Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
রাত ১১ টার পর শুতে যান নাকি? তাহলে তো হার্টের বারোটা বাজলো বলে!
প্যাঁচা যদি আপনার প্রিয় বন্ধু হয়ে থাকে তাহলে জেনে রাখুন ৪০ পেরতে না পেরতেই হার্টের অসুখ তো ঘাড়ে চেপে বসবেই, সেই সঙ্গে লেজুড় হতে পারে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগও।
প্যাঁচা যদি আপনার প্রিয় বন্ধু হয়ে থাকে তাহলে জেনে রাখুন ৪০ পেরতে না পেরতেই হার্টের অসুখ তো ঘাড়ে চেপে বসবেই, সেই সঙ্গে লেজুড় হতে পারে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগও। আসলে দেরি করে শুতে গেলে আমাদের শরীরের ভিতরে বিশেষ কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, তার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়ার ধরনেও পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ফলে হার্টের ক্ষতি হতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, লেট করে শুতে যাওয়া এবং ৭-৮ টার মধ্যে উঠে যাওয়ার কারণে দিনের পর দিন ঘুমের কোটা কমপ্লিট হয় না। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেরে যাওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।
সম্প্রতি হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে দিনের পর দিন রাত ১১ টার পর শুতে গেলে হার্টের রোগ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পায়, তেমনি আরও কিছু রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও যায় বেড়ে। যেমন ধরুন...

১.ব্লাড প্রেসার বাড়তে শুরু করে:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দেরি করে ঘুমতে যাওয়ার অভ্যাস করলে শরীর এবং মস্তিষ্কের উপর মারাত্মক চাপ পরে, যে কারণে ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সময় লাগে না। আর একবার এমনটা হলে এক সময়ে গিয়ে হার্ট এবং কিডনির যেমন মারাত্মক ক্ষতি হয়, তেমনি স্ট্রোক এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই তো বলি বন্ধু, দীর্ঘ দিন যদি সুস্থভাবে বাঁচতে হয়, তাহলে ঘড়ির কাঁটা ১১ টা ছোঁয়ার আগে শুয়ে পরার চেষ্টা করুন। না হলে কিন্তু বিপদ!

২. স্ট্রেস বাড়বে কমবে আয়ু:
ব্যস্ততার জীবনে দেরি করে শুতে তো যেতে পারেন, কিন্তু অফিস যাওয়ার চক্করে তাড়াতাড়ি উঠে যেতে হয়। ফলে ঠিক মতো ঘুম না হওয়ার কারণে দেহের অন্দরে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যেতে শুরু করে। আর এমনটা হওয়ার কারণে মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার ভয় তো থাকেই। সেই সঙ্গে আরও হাজার খানেক রোগ ঘাড়ে চেপে বসার আশঙ্কাও থাকে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে একটা জিনিস জেনে রাখা ভাল যে গত কয়েক বছরে যে যে রোগের কারণে সবথেকে বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু ঘটছে আমাদের দেশে, তার বেশির ভাগের সঙ্গেই কিন্তু স্ট্রেসের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই সিদ্ধান্ত আপনার, দেরি করে শুতে গিয়ে চটজলদি মরতে চান, নাকি সুস্থ জীবন পেতে চান!

৩. চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়:
ঠিক মতো ঘুম না হলে ব্রেন ঠিক মতো রেস্ট নেওয়ার সুয়োগ পায় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা কমতে শুরু করে। আর ঠিক এই কারণেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা যায় কমে। আর আজকের প্রতিযোগিতাময় জীবনে যদি ঠিক মতো ডিসিশন নিতে না পারেন, তাহলে কিন্তু পিছিয়ে যেতে হবে। তাই সাবধান বন্ধু সাবধান!

৪. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পরে:
গবেষণায় দেখা গেছে রাত জেগে কাজ করলে কর্টিজল হরমোনের মতো স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ মারাত্মক বেড়ে যায়। ফলে সারা রাত কাজ করার ক্ষমতা জন্মালেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষণতা একেবারে কমে যায়। ফলে নানাবিধ রোগ ঘাড়ে চেপে বসতে সময়ই লাগে না। প্রসঙ্গত, স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পেলে মানসিক চাপও বাড়তে শুরু করে, যা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক।

৫. ওজন বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো:
দিনের পর দিন রাতে জেগে থাকলে খাবার ঠিক মতো হজম হতে পারে না। ফলে একদিকে যেমন গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়, তেমনি ওজনও বাড়তে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে ওজন বাড়লে ধীরে ধীরে সুগার, প্রেসার এবং কোলেস্টেরলের মতো মারণ রোগ এসে শরীরে বাসা বাঁধে। ফলে আয়ু চোখে পরার মতো কমে যায়।

৬. চোট-আঘাট লাগার প্রবণতা যায় বেড়ে:
সারাদিন যতই ঘুমোন না কেন, রাতে ঘুম আসতে বাধ্য। এমন পরিস্থিতিতে মনোযোগ যেমন হ্রাস পায়, তেমনি শরীরের সচলতাও কমতে শুরু করে। ফলে অফিসে চোট-আঘাত লাগার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

৭. বাবা-মা হতে সমস্যা দেখা দিতে পারে:
শরীরের নিজস্ব ছন্দ বিগড়ে গেলে দেহের অন্দরে এমন কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন হতে থাকে যে তার সরাসরি প্রভাব পরে মা হওয়ার ক্ষেত্রে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যে সব মেয়েরা নিয়মিত নাইট শিফট করেন তাদের মিসক্যারেজ এবং প্রিটার্ম ডেলিভারি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কম ওজনের বাচ্চা জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই মা হওয়ার পরিকল্পনা করলে ভুলেও রাত জেগে কাজ করবেন না যেন!

৮. মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে:
রাতের বেলা মস্তিষ্কের আরাম নেওয়ার সময়। তাই তো এই সময় দিনের পর দিন কাজ করলে ধীরে ধীরে ব্রেন পাওয়ার কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশন, হাইপোলার ডিজঅর্ডার, স্লো কগনিটিভ ফাংশন, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া সহ আরও সব সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।



Click it and Unblock the Notifications