Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
সাবধান: ওষুধের নামে কিন্তু বিষ খাচ্ছি আমরা!
গতকাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে এমনটা দাবী করা হয়েছে যে ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ ওষুধই নকল, নয়তো খারাপ মানের।
গতকাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে এমনটা দাবী করা হয়েছে যে ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ ওষুধই নকল, নয়তো খারাপ মানের। এমন ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে খেয়ে গেলে রোগ তো সারেই না, উল্টে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়।
'হু' এর বিশেষজ্ঞরা আমাদের দেশে বিক্রি হওয়া একাধিক ওষুধ পরীক্ষা করে দেখেছেন। এমনটা করতে গিয়ে তারা লক্ষ করেছেন ভারতে বাজারে বিক্রি হওয়া প্রতি ১০ টা ওষুধে মধ্য়ে ১-২ টো নকল হয়। আর এমন খারাপ ওষুধ খাওয়ার কারণে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরা ধীরে ধীরে বিকল হতে শুরু করে। ফলে ঘারে চেপে বসে একাধিক মারণ রোগ। সহজ কথায় আজকের ডেটে মহৌষধিই বিষের আকার নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সুস্থভাবে বেঁচে থাকাটা বাস্তবিকই কঠিন লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। কি তাই না বন্ধু?
একথা মানতেই হবে যে বর্তমান পরিস্থিত ভয়ঙ্কর এক সমস্যার সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে আমাদের। কিন্তু আশা ছাড়ার কোনও কারণে দেখছেন না চিকিৎসকেরা। তাদের মতো শরীর যদি সুস্থ থাকে, তাহলে তো আর ওষুধ নেওয়া প্রয়োজন পরবে না। আর এমনটা হলে কমবে নকল ওষুধ খাওয়ার আশঙ্কাও। কিন্তু শরীরকে রোগমুক্ত রাখবো কিভাবে? বন্ধু এর জন্য কতগুলি খাবার নিয়ম করে খেতে হবে। তাহলেই শরীরে ভিতর থেকে এতটা শক্তিশালী হয়ে উঠবে যে, ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না।
মানে! খাবারের সঙ্গে শরীরের ভাল-মন্দের কী সম্পর্ক? সম্পর্ক আছে এবং সেই সম্পর্ক বেজায় গভীর। আসলে শরীর কতটা চাঙ্গা থাকবে, তা পুরোটাই নির্ভর করে কী ধরনের খাবর আমরা খাচ্ছি, তার উপর। তাই যদি ঠিক মতো খাবার খাওয়া যায়, তাহলে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই থাবা বসাতে পারে না। আর রোগ যদি না হয়, তাহলে ওষুধ খাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না! প্রসঙ্গত, শরীরে ইউমিউন পাওয়ার বাড়াতে চিকিৎসকেরা বেশ কিছু খাবারকে নিয়ে একটা লিস্ট বানিয়েছেন। তাদের মতে এই খাবারগুলি যদি নানাভাবে প্রতিদিন কেউ খেতে পারেন, তাহলে শরীর নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকে না।
কী কী খাবার রয়েছে সেই লিস্টে?

১. সাইট্রাস ফল:
পাতি লেবু, মৌসাম্বি লেবু এবং কমলা লেবুকে চিকিৎসা পরিভাষায় সাইট্রাস ফল বলা হয়ে থাকে। এই ফলগুলির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শ্বেত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে রোগ প্রতিরোধ করার জন্য় দেহের অন্দরে যে সৌনিকেরা প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে, তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এমনটা হওয়া মাত্র দৈহিক ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে কোনও রোগই কামড় বসাতে পারে না।

২. ব্রকলি:
এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ, সি এবং ই। সেই সঙ্গে রয়েছে বেশ কিছু উপকারি খনিজও। এই পুষ্টিকর উপদানগুলি শরীরকে ভিতর থেকে এতটাই শক্তিশালি করে দেয় যে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়। প্রসঙ্গত, ব্রকলি যে পরিবারের সদস্য, ফুলকপিও সেই একই পরিবারের একজন। তাই ব্রকলি খেতে ইচ্ছা না হলে কব্জি ডুবিয়ে ফুলকপি দিয়ে বানানো নানা পদও খেতে পারেন। এমনটা করলেও সমান উপকার পাওয়া যায়।

৩. রসুন:
ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি হার্টকে সুস্থ রাখতে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদান ব্লাড প্রেসার এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে রসুনের অন্দরে থাকা সালফার, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করে তুলে ভাইরাল ফিবার থেকে সংক্রমণ, কোনও কিছুকেই ধারে কাছে আসতে দেয় না।

৪. আদা:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আদায় উপস্থিত জিঞ্জেরল নামে একটি উপাদান শরীরের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ কমাতে দারুন উপকারে লাগে। সেই সঙ্গে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা উপশমেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. পালং শাক:
প্রতিটি বাঙালিই মায়ের পেট থেকেই যে যে খাবারগুলির প্রতি দুর্বলতা নিয়ে জন্মায়, তার মধ্যে অন্যতম হল পালং শাক। তবে এই ভাললাগাটা নানাভাবে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা-ক্যারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটনার পাশাপাশি ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬.দই:
লাঞ্চের পর নিয়ম করে এক কাপ টক দই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যেই ডাক্তারের নাম ভুলতে বসেছেন। আসলে দুগ্ধজাত এই খাবারটি শরীরে প্রবেশ করার পর শরীরে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করে। ফলে একদিকে যেমন ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তেমনি অন্যদিকে হাড়ও খুব শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে বুড়ো বয়সে গিয়ে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৭. হলুদ:
আর্থ্রাইটিস রোগকে আটকানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে হলুদের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, হলুদে কার্কিউমিন নামেও একটি উপাদান থাকে, যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।



Click it and Unblock the Notifications