পেঁয়াজ ছাড়িয়ে খোসাটা ফেলে দেন নাকি?

Subscribe to Boldsky

সৌরভ গাঙ্গুলী এবং মহেন্দ্র সিং ধোনি, ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা দুই ক্যাপ্টেনকে এক সময় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বাতিলের খাতায় ফেলে দিয়েছিল। তাদের মনে হয়েছিল এই দুজেন দ্বারা কিচ্ছুটি হবে না। কিন্তু একটা সময় এসেছিল যখন এরা দুজনেই নিজেদের একক ক্ষমতা বলে ক্রিকেটের ইতিহাসটাই বদলে দিয়েছিল। নিজেদের গুণের ছটায় মুগ্ধ করেছিল সারা দুনিয়াকে। তাই একথা বলতেই হয় যে যাদের আমরা, মানে সাধারণনের অনেকক্ষেত্রেই কোনও কাজের নয় বলে মনে করে থাকি, তরা কোনও কোন সময় এমন কিছু করে দেখায় যে তাক লাগিয়ে দেয়। যেমন পিঁয়াজের খোসার কথাই ধরুন না!

মানে! কথা হচ্ছিল তো সৌরভ আর ধোনিকে নিয়ে, হঠাৎ পেঁয়াজের খোসা এল কোথা থেকে? আরে মশাই আমাদের কাছে পেঁয়াজের খোসাও তো এতদিন বাতিলের দলেই ছিল। কিন্তু আজ থেকে আর থাকবে না। কেন জানেন? কারণ পিঁয়াজ যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায়, তেমনি এর খোসা চুপি চুরি শরীরের একাধিক জোটিল রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে। বলেন কী! পেঁয়াজের খোসা দিয়েও রোগের চিকিৎসা সম্ভব! একেবারেই।

তাহলে আর অপেক্ষা কেন। চলুন খোজ লাগানো যাক পিঁয়াজের খোসার নানা গুণাগুণ সম্পর্কে।

১. অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদেন ঠাসা:

১. অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদেন ঠাসা:

এক গ্লাস জলে পরিমাণ মতো পেঁয়াজের খোসা সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে উঠে জলটা ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন চুলকানি এবং অ্যালার্জি সহ ত্বকের নানাবিধ প্রদাহ সৃষ্টিকারি রোগ একেবারে সেরে যাবে। কারণ পেঁয়াজের খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা অল্প সময়েই শরীরের যে কোনও জ্বালা বা প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. পোকা মাকড়দের দূরে রাখে:

২. পোকা মাকড়দের দূরে রাখে:

আপনার বাড়িতে কি মাছি, মশা এবং পোকা-মাকড়দের সংখ্যা বৃদ্ধি পয়েছে? তাহলে আজই এক গ্লাস জলে পরিমাণ মতো পেঁয়াজের খোসা চুবিয়ে সেই জলটা জানলা অথবা দরজার বাইরে রেখে দিন। এমনটা করলে দেখবেন সমস্যা কমে যাবে। কারণ পেঁয়াজের গন্ধে পোকা-মাকড়েরা আপনার বাড়ির ভিতরে ঢোকার সাহসই পাবে না।

৩. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে:

৩. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে:

স্নান করার পরে পেঁয়াজের খোসা ভেজানা জল দিয়ে ভাল করে চুলটা কয়েকবার ধুয়ে নিন। তাহলেই দেখবেন চুলের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসবে। সেই সঙ্গে স্কাল্পে ঘর বেঁধে থাকা নানাবিধ রোগের প্রকোপও হ্রাস পাবে। আসলে পেঁয়াজের খোসায় এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে যা চুলের অন্দরে প্রবেশ করে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়:

৪. শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়:

পেঁয়াজের খোসা দিয়ে একটু জুস বানিয়ে নিন। তাতে অল্প করে মধু বা চিনি মেশাতে ভুলবেন না। কারণ শুধু মাত্র পেঁয়াজের খোসা দয়ে বানানো পানীয়র স্বা বেশ খারাপ হয়। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করার পাশাপাশি যদি এই জুসটি খেতে পারেন, তাহলে শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা একেবারে কমে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক সহ একাধিক মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

৫. অন্ত্রের নানাবিধ সমস্যা দূর হয়:

৫. অন্ত্রের নানাবিধ সমস্যা দূর হয়:

পেঁয়াজের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-ব্য়াকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল প্রপাটিজ, যা পেটের যে কোনও ধরনের সংক্রমণ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে পেঁয়াজের খোসা ভেজানো জল প্রতিদিন খেতে হবে। তাহলেই দেখবেন রোগের প্রকোপ একেবারে কমে যাবে। প্রসঙ্গত, ইচ্চা হলে অন্ত্রের ইনফেকশন কমাতে আপনি ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি এই ঘরোয়া চিকিৎসাটির সাহায্যও নিতে পারেন।

৬. ক্যান্সার বিরোধী:

৬. ক্যান্সার বিরোধী:

একেবারে ঠিক শুনেছেন! ক্যান্সার রোগের প্রসার আটকাতে পেঁয়াজের খোসার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এতে রয়েছে বিশেষ এক ধরনের এনজাইম যা শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি আটকায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট স্বাভাবিক কোষেদের বৃদ্ধি যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ শরীরে বাসা বাঁধার কোনও সুযোগই পায় না। এক্ষেত্রে প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেঁয়াজের খোসা দিয়ে বানানো চা খেতে হবে। তবেই মিলবে উপকার!

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    English summary

    পেঁয়াজ ছাড়িয়ে খোসাটা ফেলে দেন নাকি?

    In case you knew that some thing you generally throw away has a whole lot of benefits, could you begin saving it? Onion skin is known to be extremely useful to your health. Yes, the stinky smelling scales that you peel off and toss within the trash box can simply paintings wonders on your pores and skin.
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more