Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
বাড়িতে নীল আলো আছে তো? না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!
নানা কারণে যেভাবে স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা বাড়ছে, তাতে নীল আলোর প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে বেশ লাফিয়ে লাফিয়ে। কিন্তু নীল আলোর সঙ্গে স্ট্রেসের কী সম্পর্ক? এই উত্তর পেতেই চতো পড়তে হবে এই প্রবন্ধটি।
নানা কারণে যেভাবে স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা বাড়ছে, তাতে নীল আলোর প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে বেশ লাফিয়ে লাফিয়ে। কিন্তু নীল আলোর সঙ্গে স্ট্রেসের কী সম্পর্ক?
সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক চাপ বেশি মাত্রায় মাথায় চেপে বসলে, তখন যদি নীল আলোর সামনে কিছুটা সময় কাটানো যায়, তাহলে দারুন উপকার মেলে। সেক্ষেত্রে স্ট্রেস লেভেল একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, স্পেনের ইউনিভার্সিটি অব গ্রেন্ডা-এর গবেষকরা এই পরীক্ষাটি চলাকালীন লক্ষ করেছিলেন নীল আলোর মাঝে কিছুটা সময় কাটালে মস্তিষ্কে এমন কিছু পরিবর্তন হতে থাকে যে স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটি কমতে সময় লাগে না।
আমাদের দেশে গত কয়েক বছরে ক্রণিক স্ট্রেসে আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বেড়েছে, তাতে এই গবেষণা যে বেজায় সাহায্য করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রসঙ্গত, একাধিক সরকারি রিপোর্ট অনুসারে আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৫-৩০ শাতংশ স্ট্রেসের শিকার। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু সমীক্ষা অনুসারে বেসরকারি অফিসে কর্মরত চাকরিজীবীদের মধ্য়ে প্রতি ২ জনের মধ্যে ১ জন ক্রণিক স্ট্রেসের শিকার। এবার বুঝেছেন তো নীল আলো বিক্রি বাড়াটা আমাদের দেশে কতটা প্রয়োজন।
ইলেকট্রোফিজিলজিকাল রেসপন্স নির্ভর এই নতুন পদ্ধতিটিকে কাজে লাগিয়েও যদি দেখেন মানসিক চাপ বা অ্যাংজাইটিকে বাগে আনতে পারছেন না, তাহলে এই প্রবন্ধে আলোচিত ঘরোয়া টোটকাগুলি একবার কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। এমনটা করলে যে উপকার মিলবে, সে কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে যে যে নিয়মগুলি মেনে চললে মন এবং মস্তিষ্ক একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবে, সেগুলি হল...

১. বাদাম:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক মুঠো করে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে মস্তিষ্কের অন্দরে কর্টিজল নামক স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ কমতে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন অ্যাংজাইটি বা দুশ্চিন্তা কমে, তেমনি অন্যদিকে মনও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, বাদাম ছাড়াও মাছ, আখরোট এবং ফ্লেক্সসিডেও প্রচুর মাত্রায় ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা কর্টিজল হরমোনের ক্ষরণ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. মাছ-মাংস খেতে হবে বেশি করে:
বিশেষজ্ঞদের মতে এমন ধরনের খাবার খেলে শরীরে লে-লাইসাইন নামে এক ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা নিউরোট্রান্সমিটারের ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে ব্রেন পাওয়া বাড়াতে সাহায্য করে। আর একবার ব্রেন পাওয়ার বেড়ে গেলে অ্যাংজাইটি কমতেও সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, মাছ এবং মাংস ছাড়াও বিনিসেও লে-লাইসাইনের সন্ধান পাওয়া যায়।

৩. গায়ে রোদ লাগাতে হবে:
গবেষণা বলছে শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেলে দুশ্চিন্তা কমে। তাই তো দেহে কোনওভাবেই যাতে এই ভিটামিনটির ঘাটতি দেখা না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, ভিটামিন ডি-এর সবথেকে ভাল সোর্স হল সূর্যালোক। তাই সকাল বেলা, এই ধরুন ৭-৯ টার মধ্যে প্রতিদিন গায়ে রোদ লাগানোর চেষ্টা করবেন, এমনটা করলে দেখবেন চিন্তা আর মগজ ধোলাই করতে পারবে না।

৪. খরচ করতে হবে ঠিক ২১ মিনিট:
একাধিক কেস স্টাডি করে বিশেষজ্ঞরা জানতে পেরেছেন নিয়মিত মাত্র ২১ মিনিট শরীরচর্চা করলে এন্ডোরফিন নামক একটি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যেতে শুরু করে। এই হরমোনটি মনকে চাঙ্গা করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই তো এন্ডোরফিনের ক্ষরণ যত বৃদ্ধি পায়, তত চিন্তা কমতে থাকে, বাড়তে থাকে আনন্দ।

৫. দু-কাপের বেশি কফি নয়:
ভুলেও দিনে দু কাপের বেশি কফি খাবেন না যেন! আসলে শরীরে ক্যাফিনের মাত্রা বাড়তে থাকলে এনার্জির ঘাটতি দূর হয় ঠিকই, কিন্তু সেই সঙ্গে অ্যাংজাইটি লেভেলও বাড়তে শুরু করে, যা শরীরের জন্য একেবারেই ভাল নয়। তাই এবার থেকে কফির মাত্রা কমিয়ে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করতে পারেন। এমনটা করলে শরীরের উপকার তো হবেই, সেই সঙ্গে অ্যাংজাইটি লেভেল বাড়ার আশঙ্কাও থাকবে না।

৬. ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এবং জিঙ্কের ঘাটতি যেন না হয়:
এই তিনটি উপাদান ব্রেন এবং শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই ভুলেও যেন এদের ঘাটতি না হয়, বিশেষত ভিটামিন বি১২-এর। এক্ষেত্রে ডায়াটের দিকে নজর দিতে হবে। যে যে খাবারে এই উপাদানগুলি বেশ মাত্রায় রয়েছে, সেগুলি খেলেই দেখবেন আর কোনও চিন্তা থাকবে না। প্রসঙ্গত, ভিটামিন বি১২ প্রচুর মাত্রায় থাকে মাছ, মাংস, ডাল, ডায়াটারি প্রডাক্ট এবং ডিমে।

৭. জামের উপর ভরসা বাড়াতে হবে:
এই ফলটির শরীরে উপস্থিত অ্যান্থোসায়ানিন নামক বিশেষ এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে মানসিক চাপ কমতে সময় লাগে না। তাই তো এবার থেকে যখনই দেখবেন স্ট্রেস লেভেল হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখনই এক মুঠো জাম খেয়ে নেবেন। দেখবেন নিমেষে মন চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

৮. কাজু:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শরীরে জিঙ্কের মাত্রা কমতে থাকলে ডিপ্রেশন এবং অ্যাংজাইটি মাত্রা ছাড়ানোর আশঙ্কা থাকে। তাই কোনওভাবেই যাতে শরীরে এই দুই খনিজটির ঘাটতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর কিভাবে খেয়াল রাখবেন এই বিষয়টির? খুব সহজ একটা পদ্ধতি আছে। প্রতিদিন এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন স্ট্রেস কখনও আপনাকে ভোগাতে পারবে না। কারণ কাজু বাদামের মধ্যে মজুত থাকে প্রচুর মাত্রায় জিঙ্ক, যা মানসিক চাপের যোম!

৯. রসুন:
এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে মজুত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে থাকলে স্ট্রেস লেভেলও ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। তাই তো রান্নায় রসুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিপটামি করবেন না যেন!



Click it and Unblock the Notifications