বাড়ি বসেই শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি পেতে চান নাকি?

Written By:
Subscribe to Boldsky

সরকারি নথি বলছে সারা দেশের মধ্যে বায়ু দূষণের দিক থেকে সবাইকে পিছনে ফেলেছে শহর কলকাতা। এমনকি মুম্বাই-দিল্লিও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে কলকাতাবাসীদের মধ্যে যে ফুসফুসের রোগ বাড়বেই, তাতে নতুন কথা কী! আর হচ্ছেও তেমনটা। গত কয়েক দশকে বাচ্চা থেকে বয়স্ক, সব বয়সিদের মধ্যেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা চোখে পরার মতো বেড়েছে।

বায়ু দূষণ ছাড়াও আরও নানা কারণে এই রোগ হতে পারে। যেমন ফুসফুসে সংক্রমণ, ওয়েদার কন্ডিশন, খাবার এবং অ্যালার্জি প্রভৃতি। তবে কারণ যাই হোক না, হাতের কাছে কয়েকটি সাধারণ জিনিস থাকলেই কেল্লাফতে! বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আমাদের রান্না ঘরে থাকা সাধারণ কিছু খাবার চটজলদি অ্যাস্থেমা বা শ্বাসকষ্ট কমাতে দারুন কাজে আসে। ফলে পকেট ফাঁকা করে ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়ার কোনও প্রয়োজনই নেই। এবার থেকে যখনই দেখবেন শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, তখনই এই প্রবন্ধে আলেচিত খাবারগুলির কোনওটি সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে নেবেন। দেখবেন সঙ্গে সঙ্গে ফল মিলবে।

প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে যে যে খাবরগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল...

১. আদা:

১. আদা:

গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে থাকা বেশ কিছু উপকারি উপাদান শ্বাসনালীর প্রদাহ কমিয়ে অক্সিজেনের প্রবেশ যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শ্বাসকষ্ট কমতে শুরু করে। এক্ষেত্রে সম পরিমাণে আদার রস, বেদানার রস এবং মধু মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করতে হবে। এই মিশ্রনটি দিনে ২-৩ বার খেলে দেখবেন দারুন উপকার মিলবে।

২. সরষের তেল:

২. সরষের তেল:

একেবারে ঠিক শুনেছেন! শ্বাসকষ্ট কমাতে বাস্তবিকই সরষের তেল দারুন কাজে আসে। আসলে এই তেলটি রেসপিরেটারি প্যাসেজকে খুলে দেয়। ফলে শ্বাস নিতে কোনও কষ্টই হয় না। তাই এবার থেকে অ্যাস্থেমার অ্যাটাক হলেই অল্প করে সরষের তেল গরম করে নেবেন। তারপর সেটি অল্প ঠান্ডা করে বুকে-পিঠে ভাল করে মালিশ করতে থাকবেন। এমনটা করলেই ধীরে ধীরে লক্ষণ কমে যেতে শুরু করবে। সঙ্গে কমবে কষ্টও।

৩. ডুমুর:

৩. ডুমুর:

এতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর একবার ফুসফুস ঠিক মতো কাজ শুরু করে দিলে শ্বাস-প্রশ্বাসও স্বাভাবিকভাবে হতে শুরু করে। ফলে শ্বাসকষ্ট দূরে পালায়। এখন প্রশ্ন হল এমন পরিস্থিতিতে ডুমুরকে কাজে লাগাবেন কিভাবে? প্রথমে তিনটে ডুমুরকে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালবেলা খালি পেটে জল এবং ডুমুর তিনটে খেয়ে ফেলুন। ব্যাস তাহলেই কেল্লাফতে!

৪. রসুন:

৪. রসুন:

হাফ কাপ দুধে পরিমাণ মতো রসুন ফেলে ভাল করে দুধটা ফোটান। তারপর হলকা ঠান্ডা করে দুধটা খেয়ে ফেলুন। এই পানীয়টা খাওয়ার পর দেখবেন কষ্ট কমতে সময় লাগবে না। আসলে ফুসফুস যাতে ঠিক মতো কাজ করতে পারে, সেদিকে রসুন নজর রাখে। ফলে সমস্যা কমতে সময়ই লাগে না।

৫. কফি:

৫. কফি:

কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাই তো? তবে সত্যিই অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমাতে কফি দারুন কাজে আসে। কারণ গরম গরম এক পেয়ালা কফি খেলে শ্বাসনালী খুলে যায়। ফলে অক্সিজেন খুব সহজেই ফুসফুসের অন্দরে প্রবেশ করে যায়। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে কফি যত কড়া হবে, তত উপকার পাবেন। তাই এবার থেকে শ্বাস নিতে সামান্য অসুবিধা হলেই কফি খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার মিলবে। তবে দিনে ৩ কাপের বেশি কফি কিন্তু ভুলেও খাবেন না। কারণ এই পানীয়টি যতটা উপকারি, বেশি মাত্রায় খেলে কিন্তু ততটাই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

৬. মধু:

৬. মধু:

অ্যাস্থেমার চিকিৎসায় মধুর ব্যবহার বহু কাল ধরে হয়ে আসছে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে রয়েছে বেশ কিছু উপকারি উপাদান, যা এমন রোগের প্রকোপ কমাতে দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে মধুর গন্ধ নিলেও অনেকের উপকার হয়। আর যদি এমনটা করে ফল না মেলে। তাহলে দিনে তিনবার, এক গ্লাস করে গরম জলে এক চামচ করে মধু মিশিয়ে পান করলে দারুন উপকার মিলবে।

৭. পেঁয়াজ:

৭. পেঁয়াজ:

এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা শ্বাসনালীর প্রদাহ কমিয়ে অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে কাঁচা পিঁয়াজ খেলেই বেশি উপকার মেলে, অন্যভাবে নয় কিন্তু!

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: রোগ শরীর
    English summary

    এমন কিছু খাবার আছে যা চটজলদি অ্যাস্থেমা বা শ্বাসকষ্ট কমাতে দারুন কাজে আসে। কী সেই সব খাবার চলুন তো খোঁজ লাগানো যাক!

    Ginger is a well-known natural treatment for various ailments including asthma. Researchers have found that it can help reduce airway inflammation and inhibit airway contraction.Plus, studies indicate that it has compounds that may enhance the muscle relaxant effects of certain asthma drugs.
    Story first published: Wednesday, October 4, 2017, 14:11 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more