Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
নিয়ম করে আলু খান তো?
আপনি যদি প্রতিদিন আলু খান, তাহলে আপনার শরীরে জলের ঘাটতি কমে, সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে আইরন আপনার শরীরে প্রবেশ করে।
বাঙালিরা যে খাবারই রান্না করুক না কেন, তাতে আলু থাকবেই। আর বিরিয়ানিতে আলু মানে তো পুরোটাই বাঙালি স্টাইল। তবে শুধু বাঙালি নয়, পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই আলু খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ভারত এবং চীনে আলুর ব্যবহার প্রায় সব রান্নাতেই করা হয়ে থাকে। তবে শুধু স্বাদের জন্য নয়, আলুর পুষ্টিগুণই একে পৃথিবীজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছে। তাই সবার পাতে সকাল সন্ধ্যায় আলুর উপস্থিতি খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা। প্রসঙ্গত, আলু খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে, খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে, হার্ট ভাল থাকে, ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে, ডায়াবেটিসের সমস্যা কমে, আবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। এছাড়াও ত্বকের সমস্যা নিবারণে, রক্তচাপ কমাতে এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও এই সবজিটি দারুন উপকারে লাগে।
আলুর পৌষ্টিক গুণ:
সারা পৃথিবীতেই আলুর এত জনপ্রিয়তার পিছনে মূল কারণটা হল এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর উপাদান। যেমন...
খনিজ:
আপনি যদি প্রতিদিন আলু খান, তাহলে আপনার শরীরে জলের ঘাটতি কমে, সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে আইরন আপনার শরীরে প্রবেশ করে। কারণ আলু পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। সেই কারণেই তো খোসাসুদ্ধ আলু খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, আয়রন ছাড়াও অলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আইরন এবং ফসফরাস।
ভিটামিন:
আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। প্রতি ১০০ গ্রাম আলুতে ১৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে। সেই সঙ্গে থাকে ভিটামিন এ এবং বি।
জলীয় উপাদান:
আলু দেখতে বেশ বড় হয় এবং ভারী হয়। এর মূল কারণ কি জানেন? কারণ আলুর শরীরের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই হল জল। তাই তো আলু খেলেই ওজন বাড়ে, এই ধারনা একেবারে ভুল। যদিও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা অতিরিক্ত ঘি মাখন মেশানো আলু খেলে কিন্তু ওজন বৃদ্ধি পাবেই। তবে এক্ষেত্রে আলু দায়ি থাকে না। বরং দোষী হল তেল বা ঘি।
স্টার্চ বা শ্বেতসার:
খোসা সমেত আলু খেলে আমাদের ত্বক যেমন ভাল থাকে, তেমনি শরীরে কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি পূরণ হয়। এখানেই শেষ নয়, আলুতে রয়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ স্টার্চ বা শ্বেতসার, যা শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে একতা মনে রাখা ভাল যে শিকড় গজিয়ে যাওয়া অলু খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ এমন ধরনের আলুতে শর্করার মাত্রা অত্যন্ত বেশি থাকে।
শরীর ভালো রাখতে আলুর কেরামতি:
অলুর শরীরে থাকা এইসব পুষ্টিকর উপাদান শরীরের নানা কাজে আসে। যেমন ধরুন...

১. শরীরের গঠনে সাহায্য করে:
আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, যে কারণে যারা খুব রোগা বা রুগ্ন, তাদের শরীরের গঠনে অলুর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। পসঙ্গত, শরীর যাতে ঠিক মতো কার্বোহাইড্রেট শোষণ করতে পারে, তা অলুতে উপস্থিত ভিটামিন বি এবং সি নজর রাখে।

২. হজমে সহায়ক:
আলু খুব সহজে হজম হয়ে যায়। সেই সঙ্গে হজম প্রক্রিয়ার উন্নতিতেও সাহায্য করে। সেই কারণেই তো ছোট বাচ্চাদের আলু খাওয়ানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। আসলে বাচ্চারা অনেক সময়ই খাবার ঠিক মতো হজম করতে পারে না। তাই তো বাচ্চাদের আলু খাওয়ালে একদিকে হজম প্রক্রিয়ায় যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনি পুষ্টির ঘাটতিও দূর হয়। আসলে রান্না করা আলু খেলে গ্যাস্ট্রিক রস নিঃসরণ ঠিক মতো হয়। ফলে হজম প্রক্রিয়া ঠিক মতো সম্পন্ন হতে পারে। প্রসঙ্গত, আলুতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে।

৩. ত্বকের যত্নে আলু:
আলুর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং সি ছাড়াও রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং জিঙ্ক। এই উপাদানগুলি আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে কাঁচা আলু বেঁটে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এমনটা কয়েকদিবন করলেই দেখবেন ত্বকের হারিয়ে যাওয়া জেল্লা ফিরে আসবে। শুধু তাই নয়, এই মিশ্রণটি মুখ লাগালে রাখলে ব্রণ সহ নানারকম দাগ দূর হয়। এছাড়াও শরীরের কোনও অংশ পুড়ে গেলেও এই মিশ্রনটি লাগাতে পারেন।

৪. স্কার্ভি সারাতে সাহায্য করে:
আলুর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এই ভিটামিনটির অভাবেই স্কার্ভি রোগ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই তো বেশি করে আলু খাওয়া পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, স্কার্ভি রোগ হলে ঠোঁটের চারিদিকে চামড়া ফেটে যায় এবং মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। সেই সঙ্গে নানারকম সংক্রামক ব্যাধি ঘাড়ে চেপে বসে।

৫. বাতের থেকে রক্ষা মেলে:
বাতের সমস্যা কমাতে আলু দুইরকম ভাবে কাজে আসে। প্রথমত, আলুর মধ্যে থাকা ভিটামিন, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরে প্রবেশ করার পর হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বাতের সমস্যা দূরে পালায়। অন্যদিকে, আলু সেদ্ধ করা গরম জল বাতের ব্যাথা এবং ফুলে যাওয়ার কমাতে দারুন কাজে আসে।

৬. প্রদাহজনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে:
শরীরের বাইরে এবং ভেতরে প্রদাহজনিত সমস্যা আলু খুব সহজেই সারাতে পারে। কারণ আলুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, যা টিস্যুর যত্নে দারুণ কাজ দেয়। এছাড়াও আলুর মধ্যে থাকা পটাশিয়াম এবং ভিটামিন বি৬ শরীরের ভেতরের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে। প্রসঙ্গত, যারা মুখের ঘায়ে মাঝে মাঝেই ভুগে থাকেন, তাদের জন্য আলু খাওয়া খুবই জরুরি।

৭.ক্যান্সার রোধ করতে পারে:
লাল আলু এবং অন্যান্য কিছু আলুর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনয়েড নামক এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। সেই সঙ্গে থাকে ভিটামিন এ। এই উপাদান দুটি অনেক ধরনের ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে আলুর মধ্যে থাকা কুয়েরসেটিন নামক এক ধরণের উপাদান ক্যান্সার এবং টিউমার রোধে দারুনভাবে সাহায্য করে।

৮.রক্তচাপ কমায়:
রক্তচাপের সমস্যা আমাদের আরও নানা রোগের মধ্যে ঠেলে দেয়। যেমন- ডায়াবেটিস, হজমে সমস্যা, পুষ্টির অভাব সহ আরও অনেক কিছু। তাই তো এই বিষযে সাবধান থাকাটা জরুরি। এক্ষেত্রে আলুকে কাজে লগাতে পারেন। কারণ এই সবজিটি রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।



Click it and Unblock the Notifications