অসুস্থ হতে ভাল লাগে নাকি?

Written By:
Subscribe to Boldsky

এ কেমন প্রশ্ন মশাই! অসুস্থ হতে কারও ভাল লাগে নাকি! ঠিক, একেবারেই লাগে না! তাহলে এই খাবারগুলি থেকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছেন কেন!

মানে! খাবারের সঙ্গে শরীরের ভাল-মন্দের কী সম্পর্ক? কি বলেন মশাই! সম্পর্ক তো ষোল আনা। শরীর কতটা চাঙ্গা থাকবে, তা যে খাবারের উপরই নির্ভর করে। তাই তো চিকিৎসকেরা বেশ কিছু খাবারকে নিয়ে একটা লিস্ট বানিয়েছেন। তাদের মতে এই খাবারগুলি যদি নানাভাবে প্রতিদিন কেউ খেতে পারেন, তাহেল ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষার সাহস পায় না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে চোখে পরার মতো।

কী কী খাবার রয়েছে সেই লিস্টে! আছে অনেক কিছুই আছে! হাতে সময় থাকলে একবার বাকি প্রবন্ধে চোখ রাখুন। তাহলেই জানতে পেরে যাবেন সেই সব প্রাকৃতিক মহৌষধিগুলি সম্পর্কে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে শরীরকে একশো শতাংশ সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এক্ষেত্রে যে যে খাবারগুলির উপর লাইম লাইট ফেলাটা জরুরি, সেগুলি হল...

১. সাইট্রাস ফল:

১. সাইট্রাস ফল:

এ কেমন ফল মশাই! আরে ঘাবড়াবেন না! পাতি লেবু, মৌসাম্বি লেবু এবং কমলা লেবুকে চিকিৎসা পরিভাষায় সাইট্রাস ফল বলা হয়ে থাকে। এই ফলগুলির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শ্বেত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে রোগ প্রতিরোধ করার জন্য় দেহের অন্দরে যে সৌনিকেরা প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে, তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এমনটা হওয়া মাত্র দৈহিক ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে কোনও রোগই কামড় বসাতে পারে না।

২. ব্রকলি:

২. ব্রকলি:

এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ, সি এবং ই। সেই সঙ্গে রয়েছে বেশ কিছু উপকারি খনিজও। এই পুষ্টিকর উপদানগুলি শরীরকে ভিতর থেকে এতটাই শক্তিশালি করে দেয় যে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়। প্রসঙ্গত, ব্রকলি যে পরিবারের সদস্য, ফুলকপিও সেই একই পরিবারের একজন। তাই ব্রকলি খেতে ইচ্ছা না হলে কব্জি ডুবিয়ে ফুলকপি দিয়ে বানানো নানা পদও খেতে পারেন। এমনটা করলেও সমান উপকার পাওয়া যায়।

৩. রসুন:

৩. রসুন:

ইমিউন স্টেস্টেটকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি হার্টকে সুস্থ রাখতে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদান ব্লাড প্রেসার এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে রসুনের অন্দরে থাকা সালফার, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করে তুলে ভাইরাল ফিবার থেকে সংক্রমণ, কোনও কিছুকেই ধারে কাছে আসতে দেয় না।

৪. আদা:

৪. আদা:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আদায় উপস্থিত জিঞ্জেরল নামে একটি উপাদান শরীরের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ কমাতে দারুন উপকারে লাগে। সেই সঙ্গে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা উপশমেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. পালং শাক:

৫. পালং শাক:

প্রতিটি বাঙালিই মায়ের পেট থেকেই যে যে খাবারগুলির প্রতি দুর্বলতা নিয়ে জন্মায়, তার মধ্যে অন্যতম হল পালং শাক। তবে এই ভাললাগাটা নানাভাবে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা-ক্যারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটনার পাশাপাশি ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬.দই:

৬.দই:

লাঞ্চের পর নিয়ম করে এক কাপ টক দই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যেই ডাক্তারের নাম ভুলতে বসেছেন। আসলে দুগ্ধজাত এই খাবারটি শরীরে প্রবেশ করার পর শরীরে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করে। ফলে একদিকে যেমন ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তেমনি অন্যদিকে হাড়ও খুব শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে বুড়ো বয়সে গিয়ে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৭. হলুদ:

৭. হলুদ:

অর্থ্রাইটিস রোগকে আটকানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে হলুদের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, হলুদে কার্কিউমিন নামেও একটি উপাদান থাকে, যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

Read more about: রোগ, শরীর
English summary
Keeping your immune system healthy is very important, no matter the season.Naturally, what you eat can majorly influence your immune health.Certain foods may actually decrease your chances of getting sick, while others can help you recover more quickly if you do get ill. This article lists 10 foods you should eat if you want to boost your immune system.
Story first published: Monday, September 18, 2017, 12:27 [IST]
Please Wait while comments are loading...