Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
ওয়ার্ল্ড ডায়াবেটিস ডে: ব্লাড ডোনেট করলেই কমবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা!
রক্তদান করলে যেমন বৃহত্তর সমাজের উপকার হয়, তেমনি দাতার শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে থাকে যে বেশ কিছু শারীরিক উপকার মিলতে শুরু করে।
রক্তদান করলে যেমন বৃহত্তর সমাজের উপকার হয়, তেমনি দাতার শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে থাকে যে বেশ কিছু শারীরিক উপকার মিলতে শুরু করে। যেমন ধরুন ব্লাড ডোনেট করলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।
গতকাল কিং জর্জ মেডিকাল ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে ব্লাড ডোনেট করলে শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায়। তাই আমাদের মতো দেশে যেখানে ডায়াবেটিসের আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে, অন্যদিকে কমছে রক্তের ভান্ডার, সেখানে এই আবিষ্কার যে নতুন পথ দেখাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষজ্ঞদের মতে মানুষের মধ্যে যদি এই সচেতনতার বিকাশ ঘটে যে রক্ত দান করলে ব্লাড সুগারের মতো রোগ দূরে থাকবে, তাহলে আরও বেশি মাত্রায় ব্লাড ডোনেট করবে জনসাধারণ, ফলে রক্তের চাহিদা পূরণে যেমন কোনও সমস্যা হবে না, তেমনি ডায়াবেটিস ক্যাপিটালের তামকাও ঝেরে ফেলতে পারবে আমাদের দেশে।
প্রসঙ্গত, আরও একভাবে ডায়াবেটিস রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব। কিভাবে? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশ কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার সুযোগই পায় না। যেমন ধরুন...

১. বিনস:
নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরে একদিকে যেমন ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, তেমনি পটাশিয়ামের ঘাটতি দূর হয়। এই দুটি উপাদান একসঙ্গে ওজন হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ফলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সই সঙ্গে কমে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও।

২. দুগ্ধজাত খাবার:
বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন দুধ, দই এবং পনিরের মতো দুগ্ধজাত খাবার খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩. মাছ:
হে মাছে-ভাতে বাঙালি ভুলেও আধুনিকতার চক্করে রোজের ডায়েট থেকে মাছকে বাদ দেবেন না যেন! কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত মাছ খেলে শরীরে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এই উপাদানটি ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, ওজন হ্রাসে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. ওটস:
বিনসের মতো এই খাবারটির অন্দরেও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা শরীরে প্রবেশ করার পর ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরে সুগার লেভেল বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই থাকে না। প্রসঙ্গত, নিয়মিত ওটস খেলে আরও কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন এই খাবারটি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৫. জাম:
আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে নিয়মিত এই ফলটি খেলে একদিকে যেমন সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে, তেমনি শরীরে উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। প্রসঙ্গত, জামের শরীরে থাকা ফাইবার হজম ক্ষমতার উন্নতিতে এবং কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. খেজুর:
ফাইবার এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ এই ফলটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীর ভিতর থেকে এতটাই শক্তিশালী হয় ওঠে যে শুধু ডায়াবেটিস নয়, কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। তাই ডায়াবেটিস রোগকে যদি দূরে রাখতে চান, তাহলে নিয়মিত এই মরু ফলটি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।

৭. সবুজ শাক সবজি:
ডায়াবেটিসের পাশাপাশি ছোট-বড় যে কোনও রোগ থেকে দূরে থাকতে চাইলে রোজের ডায়েটে সবুজ শাকসবজির অন্তর্ভুক্তি মাস্ট! কারণ এমন ধরনের খাবারে এত মাত্রায় ভিটামিন এবং উপকারি খনিজ থাকে যে দেহের অন্দরের সব ঘাটতি পূরণ হয়। ফলে শরীর ভিতর-বাইরে থেকে এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও রোগই সেইভাবে কামড় বসানোর সুযোগ পায় না।



Click it and Unblock the Notifications