রান্না করছেন রিফাইন ওয়েলে? জেনে নিন সুস্বাস্থ্যের জন্য কোন তেল বেছে নেবেন

By Bhagysree Sarkar

আমরা সকলেই খেতে ভালোবাসি। সে বাড়ির মশলাদার খাবার হোক বা কোনও পাঁচ তারা হোটেল, এমনকি স্টিট ফুড দেখলেও নিজেকে আটকে রাখতে পারি না। কিন্তু আপনি কি জানেন এইসমস্ত বাইরের খাবার কীভাবে বানানো হয়? কোন তেলই বা বেছে নেওয়া হচ্ছে? জানেন না। ফলে রাস্তার ধারে যেকোনও ফুড স্টল খেতে খাবার খেলে আপনার হতে পারে বদহজম, পেট খারাপ সহ খাদ্য-বিষক্রিয়ার মত সমস্যাগুলি। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সবার আগে বাইরের খাবার খাওয়া বন্ধ করুন।

তবে এই একই সমস্যা হতে পারে বাড়ির খাবার খেয়েই। এর নেপথ্যে থাকে রান্নায় ব্যবহৃত তেল। সরিষার তেল, নারকেল তেল, সূর্যমুখী তেল-তেলের অভাব নেই বাজারে। কিন্তু কোন তেলটি আপনার জন্য় ভালো হবে? বাড়িতে কোন তেল ব্যবহার করবেন, জানেন?

extra virgin olive oil

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিফাইন তেল বা পরিশোধিত তেল স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। এই তেল পরিশোধন করার জন্য খুব বেশি তাপমাত্রার মধ্যে দিয়ে যায়। ফলে এর পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায়। আবার কিছু তেলে আনস্যাচুরেইটেড ফ্যাটের মাত্রা বেশি থাকে। আবার কিছু তেলে স্যাচুরেইটেড ফ্যাট বেশি। এমনকি আনস্যাচুরেইটেড ফ্যাটের মধ্যে বিভিন্ন ভাগ রয়েছে। যেমন- মনোআনস্যাচুরেইটেড এবং পলিআনস্যাচুরেইটেড। তাই স্বাস্থ্যকর রান্না করতে কোন তেল বেশি ভালো সেটা জেনে রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

  • সরিষার তেল:

সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে। এতে ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ ও রোগের বিরুদ্ধে রক্ষা করে।

  • এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল:

রান্নায় এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। তাছাড়া ঠাণ্ডা বা গরম খাবার তৈরি করা খাবারে এই তেল ব্যবহার করা যায়। এতে আছে আনস্যাচুরেইটেড চর্বি এবং ভিটামিন ই। আছে অলিয়েক অ্যাসিড নামক আনস্যাচুরেইটেড ফ্যাট। এটি মনোআনস্যাচুরেইটেড চর্বি ইন্সুলিন প্রতিরোধের বিরুদ্ধে এবং প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। ভিটামিন ই, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং অনেক রোগ ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

  • ঘি:

ব্যাপক স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে ঘি সবসময়ই একটি সুপারফুড হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ঘি খেলে মিনারেল ও ফ্যাটি অ্যাসিড ভালো ভাবে শোষিত হয় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বক ভালো রাখে। এছাড়া মুখের ঘা সহ যেকোন সমস্যা দূরে রাখে। ঘি তে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হার্ট রোগীদের জন্য উপকারী।

Story first published: Sunday, June 2, 2024, 11:27 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion