Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
ক্যান্সার থেকে বাঁচতে প্রতিদিন ডার্ক চকোলেট খেতে কেন বলছেন চিকিৎসকেরা?
আই সি এম আর, এইমস এবং অন্যান্য সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে আমাদের দেশে যে হারে ক্যান্সার রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে
আই সি এম আর, এইমস এবং অন্যান্য সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে আমাদের দেশে যে হারে ক্যান্সার রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে আগামী তিন বছরে এই মারণ রোগ যে মহামারির আকার নেবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই বিশেষজ্ঞদের। তাই তো এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ডার্ক চকোলেট খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ডার্ক চকোলেটের অন্দরে উপস্থিত শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে দেহের অন্দরে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক শারীরিক উপকারিতা। এই কারণেই তো এই বিশেষ ধরনের চকোলেটটিকে রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন অঙ্কোলজিস্টরা। কিন্তু চিন্তা একটা জায়গাতেই। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাতে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর কারণে যেভাবে তাপমাত্রা বাড়ছে, তার প্রভাবে কোকার চাষ ঠিক মতো করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চকোলেটের জোগান কমতে বসেছে বাজারে। শুধু তাই নয়, এমনটা চলতে থাকলে আগামী ৪০ বছরের মধ্যে এই পৃথিবী থেকে চকোলেট নামক খাদ্য দ্রব্যটির "নামো নিষাণ" মিটে যাবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ইতিমধ্যেই গবেষণা শুরু করেছিন যে কীভাবে গরম এবং শুষ্ক পরিবেশে কোকা চাষ করা যায়। তারা যদি তাদের কাজে সফল হন, তাহলে বলতে হয় যে আশার আলো কিছুটা হলেও আছে। না হলে যে চকোলেটের বেঁচে থাকা বেজায় কঠিন হয়ে দাঁড়াবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আর যদি বাস্তবিকই ডার্ক চকোলেটের জোগন বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আমাদের শরীরের উপর যে মারাত্মক খারাপ প্রভাব পরবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ কোকা তেকে তৈরি এই সুস্বাদু খাবারটি যে কেবল আমাদের ক্যান্সার রোগের হাত থেকে রক্ষা করে, এমন নয়, সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু রোগের খপ্পর থেকেও আমাদের দূরে রাখে। যেমন ধরুন...

১. টক্সিকমুক্ত করে শরীরকে:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ডার্ক চকোলেট খাওয়া শুরু করে শরীরের অন্দরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা এতটা বৃদ্ধি পায় যে দেহে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের খোঁজ পাওয়া মুশকিল হয়ে পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আরও সব জটিল রোগও ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে গেলে যে শরীর নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকে না, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। প্রসঙ্গত, ডার্ক চকোলেটে দুধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। একটা হল ফ্লেবোনয়েড এবং দ্বিতীয়টি হল পলিফেনলস, যা নানাভাবে শরীরের গঠনে সাহায্য করে থাকে।

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়:
আমাদের শরীরের ইঞ্জিন হল হার্ট। তাই এই অঙ্গটির দেখভাল যদি ঠিক মতো করতে পারেন, তাহলে শরীর বাবাজিকে নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকে না। আর এখন যদি প্রশ্ন করেন কীভাবে হার্টকে চাঙ্গা রাখবেন? তাহলে উত্তর হবে প্রতিদিন ডার্ক চকোলেট খাওয়া শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন হার্টের কর্মক্ষমতা লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাবে। আসলে ডার্ক চকোলেটে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শক্তিশালী এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি হার্টের অন্দরে রক্তের প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে একেবারেই সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, ফ্লেবোনয়েড রক্তের প্রবাহ এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে ব্লাড ক্লট হওয়ার আশঙ্কাও একেবারে কমে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে।

৩. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে:
ডার্ক চকোলেটে উপস্থিত পলিফেনলস রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচ ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে শরীরে উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা যত বৃদ্ধি পায়, তত হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে, সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে শরীরেরও অনেক উপকার হয়। এই কারণেই তো হার্টের রোগীদের নিয়মিত ডার্ক চকোলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৪. ব্রেন ফাংশন লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পায়:
আপনি কি ব্যোমকেশ বক্সী বা ফেলু মিত্তিরের মতো বুদ্ধিমান হয়ে উঠতে চান? তাহলে তো মশাই নিয়মিত একটু করে ডার্ক চকোলেট খেতেই হবে। কারণ এর মধ্যে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড ব্রেন ফাংশনের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটায় যে একদিকে যেমন বুদ্ধির ধার বাড়তে শুরু করে, তেমনি অন্যদিকে স্মৃতিশক্তি এবং মনযোগেরও বিকাশ ঘটে। প্রসঙ্গত, চকোলেটের পাশাপাশি ওয়াইন এবং লাল চায়েও প্রচুর মাত্রায় ফ্লেবোনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাই এই দু ধরনের পানীয় সেবন করলেও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৫. রক্তচাপ এবং ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে:
এই বিষয়ক হওয়া একাধিক স্টাডিতে একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে টানা ৮ সপ্তাহ যদি নিয়মিত ডার্ক টকোলেট খাওয়া যায়, তাহলে একদিকে যেমন রক্তে সুগারের মাত্রা কমতে শুরু করে, তেমনি রক্তচাপও স্বাভাবিক হয়ে যায়। প্রসঙ্গত, যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পয়েছে, তেমনি ব্লাড প্রসারের প্রকোপও বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এমন পরিস্থিতিতে ডার্ক চকোলেট খাওয়ার প্রয়োজনও যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়:
ডার্ক চকোলেটে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো নিয়মিত এই বিশেষ ধরনের চকোলেটটি খাওয়া শুরু করলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষার সুয়োগ পায় না।



Click it and Unblock the Notifications