Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
রাগ কতটা ক্ষতিকারক জানা আছে?
গৌতম বুদ্ধ প্রায়ই বলতেন রাগ হল এক ধরনের শাস্থি, যা আমরা নিজেদের দিয়ে থাকি। কথাটা যে একেবারে ভুল, এমন নয়। কারণ রাগ কোনও ভাবেই আমাদের উপকারে লাগে না, বরং শরীর এবং মনের এত মাত্রায় ক্ষতি করে
গৌতম বুদ্ধ প্রায়ই বলতেন রাগ হল এক ধরনের শাস্থি, যা আমরা নিজেদের দিয়ে থাকি। কথাটা যে একেবারে ভুল, এমন নয়। কারণ রাগ কোনও ভাবেই আমাদের উপকারে লাগে না, বরং শরীর এবং মনের এত মাত্রায় ক্ষতি করে যে অনেক সময়ই সেই ক্ষতি সমলানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই তো রাগ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকৎসকেরা।
আর এমনটা কীভাবে সম্ভব? এই উত্তরেরই খোজ চালানো হবে এই লেখায়। প্রবন্ধটি পড়তে পড়তে ভাবতেই পারেন হঠাৎ করে কেন রাগ নিয়ে এত আলোচনা করা হচ্ছে? আসলে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে রাগের মতো শক্তিশালী ইমোশানকে যদি ঠিক মতো সামলানো না যায়, তাহলে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। শুধু কী তাই, রাগ ডেকে আনে দুঃখকে। ফলে জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিসহ!
প্রসঙ্গত, রাগের সময় আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে কর্টিজল এবং অ্যাড্রিনালিনের মতো স্ট্রেস হরমেনারে ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মন খারাপ হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হার্ট রেট এবং রক্তচাপ মারাত্মক বেড়ে যায়। ফলে যে কোনও সময় মারাত্মক কোনও ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। যেমন...

১. মাথা যন্ত্রণা:
রাগের সময় শরীরে এমন নেতিবাচক পরিবর্তন হতে শুরু করে যে দেহের অন্দরে প্রদাহের মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মাথা যন্ত্রণার মতো সমস্যা দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে হেডেক এত ক্রণিক আকার ধারণ করে যে কষ্ট কমতেই চায় না।

২. হজম ক্ষমতা কমে যায়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে রাগের মাত্রা বাড়তে থাকলে শরীরে হরমোনাল চেঞ্জ হতে থাকে। সেই সঙ্গে পাচক রসের ক্ষরণও কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গ্যাস-অম্বল এবং বদ-হজমের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, অনেকক সময় রাগের কারণে ক্রণিক অ্যাবডমিনাল পেন হওয়ার মতো সমস্যাও হয়ে থাকে। তাই সাবধান!

৩. ইনসমনিয়া:
যেমনটা আগেই আলোচনা করা হয়েছে যে রাগের সময় মস্তিষ্কের অন্দরে স্ট্রেস হরমেনের ক্ষরণ মারাত্মক বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ঘুম উড়ে যায়। আর ঘুম ঠিক মতো না হাওয়া মানে শরীরে একাধিক রোগের আক্রমণ বেড়ে যাওয়া। তাই তো দীর্ঘকাল যদি সুস্থ থাকতে চান, তাহলে রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিখুন। না হলে কিন্তু...!

৪. মানসিক অবসাদ:
মানুষ তখনই খুব রেগে যায় যখন মন খুব খারাপ হয়। ফলে একদিকে মন খারাপ, তার উপর স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যাওয়া। এই দুয়ে মিলে মনকে এত মাত্রায় ঝাঁঝরা করে দেয় যে মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশনের মতো রোগ মাথায় চেপে বসে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে যে যে রোগের প্রকোপ মারাত্মক বৃদ্ধি পয়েছে, তাদের বেশিরভাগেরই পিছনে হাত রয়েছে মানসিক অবসাদের। এবার বুঝেছেন তো রাগের সঙ্গে শরীরের ভাল-মন্দের কতটা যোগ রয়েছে।

৫. উচ্চ রক্তচাপ:
রাগের পাড়া যখন চড়তে শুরু করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপও বাড়তে থাকে। আর হঠাৎ করে এমনভাবে ব্লাড প্রেসার বেড়ে যাওয়া বয়স্ক মানুষদের পক্ষে একেবারেই ভা নয়। কারণ এমন ক্ষেত্রে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, অনিয়ন্ত্রিত জীবন এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে এমনিতেই যুব সমাজের শারীরিক অবস্থা ভাল নয়, তার উপর যদি তারা কথায় কথায় রাগ দেখাতে শুরু করেন, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ!

রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় কিভাবে?
মাথা গরম হতে থাকলে এবার থেকে সঙ্গে সঙ্গে জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিতে শুরু করবেন। দেখবেন শরীর এবং মন ঠান্ডা হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ঠান্ডা হবে মাথাও। এক্ষেত্রে আরেকটা পদ্ধতিতেও মাথা ঠান্ডা করতে পারেন। কীভাবে? রাগ হলেই জিভটা একটা পাইপের মতো করে শ্বাস টানতে শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন মুখের ভিতরটা ঠান্ডা হতে শুরু করবে। এইভাবে ১২ বার করলেই দেখবেন রাগের টিকিও খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রসঙ্গত, আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে রাগের সময় পায়ের তলায় নারকেল তাল লাগানো যায়। তাহলে নাকি রাগ কমে যায়। আসলে নারকেল তেল আমাদের পিত্তকে ঠান্ডা করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রাগ কমে যায়। আর যদি হাতের কাছে নারকেল তেল না পান, তাহলে অল্প করে ঘি নিয়ে নাসারন্ধ্রে লাগাতে পারেন। এমনটা করলেও রাগ একেবারে কমে যায়।

খাবারের সঙ্গে কি রাগের কোনও সম্পর্ক আছে?
অবশ্যই আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে মাথা গরম থাকার সময় বেশি ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ এমন খাবার খেলে পিত্ত দোষের মাত্র বেড়ে যায়। ফলে রাগ কমার পরিবর্তে আরও বেড়ে যায়।



Click it and Unblock the Notifications