প্রতিদিন স্নান না করলে কী হতে পারে জানেন?

Written By:
Subscribe to Boldsky

আমরা সবাই সকাল-বিকাল স্নান করে থাকি। আর এই গরমে তো কথাই নেই। কিন্তু স্নান করি কেন আমরা, এই উত্তর কেউ দিতে পারেন?

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ঠান্ডা জলে করুন কি গরম জলে, নিয়মিত স্নান করলে একাধিক উপকার মেলে। সেই সঙ্গে বেশ কিছু জটিল রোগও দূরে থাকতে বাধ্য হয়। ফলে একথা বলা যেতেই পারে যে নিয়মিত সকাল-বিকাল স্নান করলে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো! তবে এখানেই শেষ নয়, স্নান করার আরও অনেক উপকারিতা আছে। এই কারণেই তো জন্মানোর কিছু সময় পর থেকেই নবজাতককে স্নান করানো শুরু হয়ে যায়। সেই যে শুরু হয়, চলে যত দিন না মৃত্যু ছোবল মারছে, ততদিন পর্যন্ত! তবে কী কী উপকার পাওয়া যায় নিয়মিত স্নান করলে?

১. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়:

১. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়:

শুনে অবাক লাগলেও একথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে নিয়মিত স্নান করলে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তি এবং বুদ্ধির বিকাশ ঘটে চোখে পরার মতো। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে স্নান করার সময় ব্রেনের অন্দরে ইনফ্লেমেশন রেট কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে নার্ভাস সিস্টেমেরও কর্মক্ষমতা বাড়ে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন পাওয়ার বাড়তে সময় লাগে না।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে:

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে:

স্নানের সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগের কী সম্পর্ক? গবেষণা বলছে ডায়াবেটিস রোগীরা যদি টানা ৩ সপ্তাহ, দৈনিক ২০-৩০ মিনিট গরম জলে স্নান করেন, তাহলে রক্তে শর্করার মাত্রা প্রায় ১৩ শতাংশ কমে যায়। ফলে ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

৩. ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:

৩. ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:

বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে প্রতিবার ঠান্ডা জন মাথায় ঢালার সময় কোনও এক অজানা কারণে আমাদের ফুসফুস সংকুচিত হয়ে যায়। এমনটা বারে বারে হওয়ার কারণে লাং-এ অক্সিজেনের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, যে হারে আজকাল বায়ুদূষণের প্রকোপ বাড়ছে তাতে ফুসফুসকে অতিরিক্ত চাঙ্গা না রাখলে কিন্তু বিপদ! তাই যতই ল্যাথারজিক লাগুক না কেন, প্রতিদিন সকাল-বিকাল স্নান করা মাস্ট!

৪. পেশির কর্মক্ষমতা বাড়ে:

৪. পেশির কর্মক্ষমতা বাড়ে:

সারা দিন ধরে কাজ করতে করতে আমাদের সারা শরীরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পেশিরা যেমন ক্লান্ত হয়ে পরে, তেমনি তাদের গায়ে বেজায় চোট-আঘাতও লাগে। এমন অবস্থায় দিনের শেষে হলকা গরম জলে অথবা ঠান্ডা জলে স্নান করলে পেশির চোট সারতে শুরু করে। সেই সঙ্গে তারা পুনরায় চাঙ্গা হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, পেশির সচলতা বৃদ্ধির পিছনে স্নানের যে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, তা মেনে নিয়েছেন গবেষকরাও।

৫. হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:

৫. হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:

বেশ কিছু গবেষাণায় দেখা গেছে হালকা গরম জলে স্নান করলে সারা শরীরে রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে হার্টের কর্মক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে কোনও ধরনের কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, নিয়মিত উষ্ণ গরম জলে স্নান শুরু করলে রক্তচাপও স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ফলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমতে সময় লাগে না।

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

শুধু ঠান্ডা নয়, গরম জলে স্নান করার সময়ও ভাসকুলার এবং লিম্ফ সিস্টেম থেকে প্রচুর মাত্রায় ইমিউন সেলের জন্ম হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে থাকে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে, রোগ প্রতিরোধ ব্য়বস্থা যত শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তত রোগভোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। এবার বুঝেছেন তো প্রতিদিন স্নান করার গুরুত্ব কতটা!

৭. রক্ত প্রবাহের উন্নতি ঘটে:

৭. রক্ত প্রবাহের উন্নতি ঘটে:

গবেষণায় দেখা গেছে স্নান করার সময় ঠান্ডা জলের স্পর্শ লাগার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে একদিকে যেমন হার্টের পাশাপাশি দেহের ভাইটাল অর্গানদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তেমনি অন্যদিকে রক্তচাপও কমতে থাকে। ফলে সার্বিকভাবে শরীর একেবারে তরতাজা হয়ে ওঠে।

৮. স্ট্রেস লেভেল কমতে থাকে:

৮. স্ট্রেস লেভেল কমতে থাকে:

দিন শেষে ক্লান্তি এবং স্টেস যখন ঘারে চেপে বসে, তখন যেন পা এগতে চায় না। মনে হয় জীবনটা যেন থেমে গেছে কোনও বোল্ডারে বাঁধা পেয়ে। এমন অবস্থায় মহৌষধির কাজ করে এক বালতি ঠান্ডা জল। সেটা যখন মাথা হয়ে সারা শরীরে ঝাপিয়ে পরে, তখন আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে বিটা-এন্ডোরফিন এবং নোরাএড্রেনালিনের মতো হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে নিমেষে স্ট্রেস এবং ডিপ্রেশন কমে গিয়ে মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে ক্লান্ত জীবন ফিরে পায় তার হারিয়ে যাওয়া মরুদ্যান!

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: শরীর রোগ
    English summary

    taking a warm bath will make your heart beat faster and can give it a healthy work out. This can improve circulation around the body and to the extremities as it makes the blood less viscous and the vessels function better.

    A simple warm bath can help you to reduce the number of trips to a physiotherapist. Bathing reduces tension on overstretched muscles. It helps to heal sore muscles by relaxing them and improves flexibility or elasticity of muscles, especially when you bathe after exercising. Here are some expert tips to get rid of post-workout muscle soreness.
    Story first published: Wednesday, April 4, 2018, 18:00 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more