For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

২৫-৫০ বছর বয়সিদের প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস জলে ২ চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়া উচিত কেন জানা আছে?

|

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে গত কয়েক দেশকে আমাদের দেশে একাধিক মারণ রোগের প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মতো এই সব রোগের শিকার মূলত কম বয়সিরাই। এমন পরিস্থিতিতে তাই সবার মনেই একটা প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে যে কীভাবে সম্ভব নিজেকে সুস্থ রাখা?

নিজেকে সুস্থ রাখা যায় কীভাবে সে সম্পর্কে না হয় জেনে নেওয়াটা কোনও কটিন কাজ নয়। কিন্তু আসল প্রশ্নটা হল আদৌ কি সম্ভব এই সব রোগ থেকে দূরে থাকা? আলবাৎ সম্ভব! তবে তার জন্য নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে মধু এবং জল একসঙ্গে খেতে হবে। তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে!

আসলে মধুতে উপস্থিত প্রোটিন, উপকারি এনজাইম, অ্যামাইনো অ্যাসিড, নানাবিধ মিনারেল, ভিটামিন, পলিফেনল, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, জিঙ্ক এবং ফলিক অ্যাসিড শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে একটাও জটিল রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সাহস পায় না। শুধু তাই নয়, এই উপাদানগুলির গুণে আরও একাধিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন...

১. হজম ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটে:

১. হজম ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটে:

বাঙালি হয়ে যখন জন্মেছেন, তখন জাতে যে খাদ্যরসিক হবেন, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে। তবে সমস্যা হল এদিক-সেদিকের টক-ঝাল খাবার খেতে খেতে মনের রসনা তৃপ্তিটা হয় বৈকি, কিন্তু পেটের হাল বেহাল হয়ে যায়। তাই তো মনের রসনা তৃপ্তির পথে যাতে কোনও বাঁধা না আসে, তা সুনিশ্চিত করতে নিয়মিত এক গ্লাস জলে মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করতে হবে। আসলে এমনটা করলে যে ধরনের খাবারই খান না খেন হজম ক্ষমতা কমে যাওয়ার আর কোনও আশঙ্কা থাকবে না। সেই সঙ্গে মধুতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপও কমবে।

২. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে ওঠে:

২. রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে ওঠে:

প্রতিদিন হানি ওয়াটার খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যে কারণে একদিকে যেমন ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি ইমিউনিটি এতটা বেড়ে যায় যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে আরেকটি উপকার পাওয়া যায়। তা হল, দেহের অন্দরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ হওয়া মাত্র শরীরের ইতি ইতি জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও আর থাকে না।

৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:

৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:

একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত এক গ্লাস জলে মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে ব্রেণর প্রকোপ তো কমেই, সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। আসলে মধুতে উপস্থিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ত্বকের অন্দরে লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে, যে কারণে নানাবিধ স্কিন ডিজিজের প্রকোপ তো কমেই, সেই সঙ্গে ত্বকের বয়সও কমে চোখে পরার মতো। প্রসঙ্গত, নিয়মিত মুখে মধু লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:

পরিমাণ মতো জলে মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে হজম ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে দেহের অন্দরে মেদ ঝরার প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত হয়। এই দুই কারণে দেহের ইতি-উতি জমে থাকা ফ্যাট ঝরে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, যে কারণে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার কোনও সুযোগই পায় না।

৫. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে চোখে পরার মতো:

৫. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে চোখে পরার মতো:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত হানি ওয়াটার খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাশাপাশি এমন কিছু উপাদানের প্রবেশ ঘটে যে তার প্রভাবে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা তো কমেই, সেই সঙ্গে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে আমাদের দেশের যুব সমাজের মধ্যে যে হারে হার্টের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পয়েছে, তাতে ২৫-৫০ বছর বয়সিদের নিয়মিত হানি ওয়াটার খাওয়ার যে প্রয়োজন বেড়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬. অ্যালার্জির প্রকোপ কমে:

৬. অ্যালার্জির প্রকোপ কমে:

পরিবেশ উপস্থিত নানাবিধ অ্যালার্জেনের কারণে কি মাঝে মধ্যেই অ্যালার্জির শিকার হন? তাহলে মধুর সঙ্গে বন্ধুত্ব না পাতালে কিন্তু চলবে না। কেন এমন কথা বলছি তাই ভাবছেন নিশ্চয়? আসলে একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত মধু-জল খাওয়া শুরু করলে শরীর, ভিতর এবং বাইরে থেকে এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে অ্যালার্জির মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে অ্যাস্থেমার মতো রোগর প্রকোপও কমে চোখে পরার মতো।

৭. এনার্জির ঘাটতি মেটে:

৭. এনার্জির ঘাটতি মেটে:

আজকাল কি অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পরছেন নাকি? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে রোজের ডায়েটে হানি ওয়াটারকে জায়গা করে দিতে ভুলবেন না যেন! কারণ এই পানীয়টি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীর তো চাঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই সঙ্গে এনার্জির ঘাটতিও দূর হয়। ফলে ক্লান্তির মার আর সইয়ে হয় না।

Read more about: শরীর রোগ
English summary

7 Fantastic Benefits Of Drinking Honey With Water

Maybe you only know the benefits of a glass of water in the morning or maybe you have only heard about how honey is great for your skin, but have you heard what wonders combining water and honey can do for you overall? Read on...
Story first published: Wednesday, November 21, 2018, 15:54 [IST]
X