এই খাবারগুলি খেলে রক্তে কখনও বাড়বে না খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা!

Written By:
Subscribe to Boldsky

গত এক দশকে আমাদের দেশে কম বয়সিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পয়েছে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ি করা হয়েছে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলকে। চিকিৎসকেদের মতে অনিয়ন্ত্রিত জীবন, জাঙ্ক ফুডের প্রতি দুর্বলতা এবং ধূমপান-মদ্যপানের মতো নেশা করার কারণে রক্তে বাড়তে শুরু করে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা, যা এক সময়ে গিয়ে হার্টে রক্ত সরবরাহের পথ আটকে দেয়। ফলে বাড়ে হাঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।

আজকের ডেটে যুবসমাজের একটা বড় অংশই কর্পোরেট সেক্টারে কর্মরত। আর যেমনটা সবারই জানা আছে যে বেসরসারি সংস্থায় কাজের চাপ সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে, কমে তো নাইই। আর এত কাজের চাপে না আছে ঠিক মতো ঘুমনোর সময়, না আছে সময় খাওয়ার। তাই তো উচ্চরক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা এই বয়সিদের মধ্যে এতটা বেড়েছে। তাই তো এমন পরিস্থিতিতে বেশ কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই খাবারগুলি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে রক্তে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যাবে। ফলে বাড়ে আয়ু, কমে রোগভোগের আশঙ্কা।

প্রসঙ্গত, যে যে খাবারগুলি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে কোলেস্টেরলের মাত্রা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, সেগুলি হল...

১. সয়াবিন:

১. সয়াবিন:

ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কীভাবে কমাবেন তাই নিয়ে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে বন্ধু আজ থেকেই সয়াবিন বা সয়ামিল্ক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ২৫ গ্রাম করে সয়া প্রোটিন শরীরে করলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ৫-৬ শতাংশ হারে কমতে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমে, তত হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

২.ওটস:

২.ওটস:

খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে ওটসের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই খাবারটির অন্দরে থাকা ফাইবার একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, অন্যদিকে উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে শরীরের কোনও ক্ষতি হওয়ার পরিবর্তে দেহের নানা উপকার হতে থাকে।

৩. আপেল, আঙুর, জাম:

৩. আপেল, আঙুর, জাম:

এই ফলগুলিতে রয়েছে পেকটিন নামক একটি উপাদান, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুনভাবে কাজে আসে। তাই তো পরিবারে যদি হাই কোলেস্টরলের মতো নন-কমিউনিকেবল ডিজিজের ইতিহাস থাকে, তাহলে ভুলেও রোজের ডায়েট থেকে এই ফলগুলিকে বাদ দেবেন না যেন! প্রসঙ্গত, পাতি লেবু এবং কমলা লেবুর মতো সাইট্রাস ফল খেলেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।

৪. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার:

৪. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার:

এক গ্লাস জলে এক চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে একটি মিশ্রন বানিয়ে ফেলুন। দিনে দুবার এই পানীয়টি খেলে দেখবেন অল্প সময়ের মধ্য়েই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করবে।

৫. আমলা:

৫. আমলা:

এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ আমলা পাউডার মিশিয়ে প্রতিদিন খালি পেটে পান করা শুরু করুন। কয়েক সপ্তাহ এই ঘরোয়া টোটকাকে কাজে লাগালেই দেখবেন কোলেস্টেরল একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

৬.বিনস:

৬.বিনস:

ফাইবার সমৃদ্ধ এই প্রকৃতিক উপাদানটিকে যদি রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, তাহলে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না। কারণ ফাইবার হল খারাপ কোলেস্টেরলের যম। তাই তো এই উপাদানটির মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া মানে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ বা "এল ডি এল" কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে থাকা।

৭. বাদাম:

৭. বাদাম:

কোলেস্টেরল কমাতে আখরোট এবং কাজু বাদাম দারুন কাজে আসে। আসলে এই দুটি বাদামে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। আর একথা তো সকলেরই জানা হয়ে গেছে যে ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে ম্য়াজিকের মতো কাজ করে। তবে বেশি মাত্রায় বাদাম আবার খাবেন না যেন! তাতে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। অল্প অল্প করে বাদাম খেলে দেখবেন নানা উপকার মিলবে।

৮. মধু ও পেঁয়াজের রস:

৮. মধু ও পেঁয়াজের রস:

এক চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে একবার করে এই মিশ্রন খান। টানা কয়েক মাস খেলেই সুফল মিলতে শুরু করবে।

৯.ধনে বীজ:

৯.ধনে বীজ:

কোলেস্টেরল কমাতে এটির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে এক গ্লাস জলে এক চামচ ধনে বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে জলটা একটু গরম করে নিতে হবে। তারপর পান করতে হবে। দিনে দুবার করে এই জল খেলে দেখবেন কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করেছে।

১০. কমলা লেবুর রস:

১০. কমলা লেবুর রস:

এতে রেয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি এবং ফ্লেবোনয়েড, যা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তাই এই শীতে প্রতিদিন কম করে ২-৩ বার কমলা লেবুর রস খেতে ভুলবেন না যেন!

১১. মাছ:

১১. মাছ:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত মাছ খাওয়া শুরু করলে শরীরে উপকারি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: রোগ শরীর
    English summary

    গত এক দশকে আমাদের দেশে কম বয়সিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পয়েছে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ি করা হয়েছে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলকে।

    Different foods lower cholesterol in various ways. Some deliver soluble fiber, which binds cholesterol and its precursors in the digestive system and drags them out of the body before they get into circulation. Some give you polyunsaturated fats, which directly lower LDL. And some contain plant sterols and stanols, which block the body from absorbing cholesterol.
    Story first published: Wednesday, January 10, 2018, 15:44 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more