পরিবেশন দূষণকে ডজন খানের গোল দিতে সাহায্য নিতে পারেন এই ১০ টি ঘরোয়া পদ্ধতির!

Posted By:
Subscribe to Boldsky

যত দিন যাচ্ছে, তত অক্সিজেনের সঙ্গে লড়াই বাড়ছে বিষ বাস্পের। আর তাতে যে বিষ ধোঁয়ারই জয় হচ্ছে, তা পরিবেশ দফতরের রিপোর্ট দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশ করা এক রিপোর্ট অনুসারে ২০১৫ সালে আমাদের দেশে বায়ু দূষণের কারণে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষের। আর এই সংখ্যাটা যে এই বছর বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য়! তাই তো এই প্রবন্ধটি সকলেরই পরা মাস্ট! কারণ এই লেখায় বায়ু দূষণের হাত থেকে বাঁচার এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা বাস্তবিকই বেশ কার্যকরি।

তাহলে আর অপেক্ষা কেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক বায়ু দূষণের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে পরে এমন ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি সম্পর্কে।

১. তুলসি পাতা:

১. তুলসি পাতা:

বাড়ির বাইরে তুলসি গাছ লাগানো আছে তো? না থাকলে আজই লাগান। কারণ একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে বায়ু দূষণের প্রভাব কমাতে তুলসি গাছ দারুনভাবে সাহায্য করে থাকে। আসলে তুলসি পাতা, বাতাসে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের শোষণ করে নেয়। ফলে বাতাসে বিষের পরিমাণ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে প্রতিদিন যদি ১০-১৫ মিলি লিটার করে তুলসির রস খাওয়া যায়, তাহলে আমাদের শরীরের উপর বায়ু দূষণের যে কুপ্রভাব পরে, তা কমতে শুরু করে।

২. হলুদ:

২. হলুদ:

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ চামচ হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে ১ চামচ ঘি বা মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন বায়ু দূষণ আপনার টিকিও ছুঁতে পারবে না।

৩. ঘি:

৩. ঘি:

রাতে শুতে যাওয়ার আগে এবং প্রতিদিন সকালে নাসারন্ধ্র দু ফোটা করে ঘি ফেলবেন। সেই সঙ্গে প্রতিদিন ২-৩ চামচ ঘি খেলে বায়ু দূষণের কারণে শরীরের ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকবে না। আসলে ঘিতে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরি উপাদান বায়ু দূষণের খারাপ প্রভাবকে কমিয়ে দেয়। ফলে শরীরের ক্ষয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা অনেকাংসেই হ্রাস পায়।

৪. নিম:

৪. নিম:

পরিমাণ মতো জলে নিম পাতা ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে সপ্তাহে কয়েকবার ঘা এবং মাথা পরিষ্কার করতে হবে। এমনটা করলেই শরীরের বহিরাংশে পরিবেশ দূষণের খারাপ প্রভাব কমতে শুরু করবে। প্রসঙ্গত, পরিবেশ উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান আমাদের ত্বকের উপর স্থায়ী ঘর বানিয়ে শরীরের নানাবিধ ক্ষতি সাধন করে থাকে। এদের মেরে ফলতেও নিম পাতা দারুন উপকারে লাগে। এক্ষেত্রে একটা বিষয জেনে রাখা জরুরি যে, নিয়মিত যদি নিম জল দিয়ে স্নান করে ওঠা সম্ভব না হয়, তাহলে প্রতিদিন ৩-৪ টে নিম পাতা খেতেই হবে। এমনটা করলেও সমান উপকার পাবেন।

৫. ত্রিফলা:

৫. ত্রিফলা:

বায়ু দূষণের মধ্যে দীর্ঘ সময় থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে শুরু করে। ফলে একে একে ভয়ঙ্কর সব সংক্রমণ শরীরের এসে বাসা বাঁধে। এক্ষেত্রে ত্রিফলা আপনাকে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে? প্রতিদিন রাতে ১ চামচ পরিমাণ ত্রিফলার সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। তাহলেই আর কোনও চিন্তা থাকবে না। কারণ ত্রিফলা এবং মধু, উভয়ই পরিবেশ দূষণের কুপ্রভাব থেকে বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. ডালিমের রস:

৬. ডালিমের রস:

প্রতিদন সকালে, না হয় বিকালে ১ গ্লাস করে ডালিমের রস খাওয়া শুরু করুন। এই প্রকৃতিক উপাদানটি রক্তকে পরিশুদ্ধ করার পাশাপাশি হার্ট এবং ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

৭. বডি মাসাজ:

৭. বডি মাসাজ:

প্রতিদিন গরম সরষের তেল দিয়ে সারা গায়ে মাসাজ করলে স্ট্রেস কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীর একেবারে ভেতর থেকে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। এক কথায় বলা যেতে পারে, শরীরকে পুনরায় চার্জড আপ করে তুলতে বডি মাসাজের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৮. গরম ভাব নেওয়া:

৮. গরম ভাব নেওয়া:

এক বাটি গরম জলে কয়েক ফোটা পিপারমেন্ট তেল ফেলে সেই জলের গরম ভাব নিলে দারুন উপকার পাওয়া যায়। তবে এমনটা দিনে কম করে ২ বার করতেই হবে। তবেই পরিবেশ দূষণের খারাপ প্রভাব থেকে দূরে থাকতে পারবেন, না হলে কিন্তু সেভাবে উপকার নাও পেতে পারেন।

৯. বাড়িতে তৈরি গরম খাবার:

৯. বাড়িতে তৈরি গরম খাবার:

নিশ্চয় ভাবছেন পরিবেশ দূষণের সঙ্গে বাড়িতে তৈরি গরম খাবারের কী সম্পর্ক, তাই তো? আসলে যে কোনও বাঙালি পদে আমরা, হলুদ, লঙ্কা, গোল মরিচ সহ নানাবিধ মশলা দিয়ে থাকি। এই সব মশলাগুলি নানাভাবে আমাদেরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে আমাদের শরীরের উপর পরিবেশ দূষণের প্রভাব যাতে কম পরে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। তাই তো জাঙ্ক ফুড নয়, বেশ করে খাওয়া শুরু করুন বাড়িতে বানানো খাবার।

১০. প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম জরুরি:

১০. প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম জরুরি:

নিয়মিত প্রাণায়াম এবং কপালভাতি করলে পরিবেশ দূষণের কোনও প্রভাবই শরীরের উপর পরে না। এক্ষেত্রে আসন দুটি ৫-১০ বার করতেই হবে। তবেই সুফল মিলবে একেবারে হাতে-নাতে।

English summary
Delhi along with some other cities is engulfed in a worrisome smoke haze, which experts warn is dangerous for our lungs and overall health. And it is no secret that everyone in the city is going bonkers, worrying about their health and that of their loved ones.
Story first published: Monday, June 12, 2017, 16:10 [IST]
Please Wait while comments are loading...