অফিসে বেরনোর আগে প্রতিদিন দুটো লবঙ্গ ফেলে দিন মুখে তারপর দেখুন কী হয়!

Subscribe to Boldsky

গতকাল তো ছিল গণেশ চতুর্থি। আপনিও নিশ্চয় বাকি অনেকের মতোই সামিল হয়েছিলেন গণপতির অরাধনায়। তা কী চাইলেন বাপ্পার থেকে?

অনেক অনেক টাকার মালিক হয়ে ওঠার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন নাকি, আর সঙ্গে কোনও রোগভোগ যাতে ছুঁতে না পারুক সেই আর্জিও নিশ্চয় জানিয়েছেন গজাননকে! কিন্তু একটা কথা বলুন তো, সত্য়িই কি ঠাকুর-দেবতারা আপনাকে নানা নানা রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন?

এটা কিন্তু বেশ শক্ত প্রশ্ন হয়ে গেল, তাই না। আচ্ছা উত্তর দেওয়ার বা জানার দরকার নেই। সুস্থ শরীর পেতে দেব-দেবীদের সামনে যেমন মাথা ঠুকছেন, তেমনটা চালিয়ে যান, তবে সেই সঙ্গে প্রতিদিন দুটো করে লবঙ্গ খাওয়া শুরু করুন, তাহলেই দেখবেন কোনও রোগই আপনাকে ছুঁতে পারবে না।

মানে! হ্যাঁবন্ধু, একেবারেই ঠিক শুনেছেন! বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রকৃতিক উপাদানটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ডায়াটারি ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল সহ আরও নানা সব উপাকারি উপাদানের প্রবেশ ঘটে, যে কারণে হজম ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে আরও সব উপকার পাওয়া যায়, যেমন ধরুন...

১. হাড় শক্তপোক্ত হয়:

১. হাড় শক্তপোক্ত হয়:

লবঙ্গে উপস্থিত ফেনোলিক কম্পাউন্ড, শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন বোন ডেনসিটির উন্নতি ঘটায়, তেমনি হাড়ের অন্দরে নানাবিধ মিনারেলের ঘাটতিও দূর করে। ফলে আদূর ভবিষ্যতে কোনও ধরনের হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে!

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে:

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে লবঙ্গে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে প্রবেশ করার পর ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শকর্রার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা যায় কমে। তাই তো বলি বন্ধু, যাদের পরিবারে এই মারণ রোগটির ইতিহাস রয়েছে, তারা নিয়মিত দুটো করে লবঙ্গ খেতে ভুলবেন না যেন!

৩. ত্বকের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে:

৩. ত্বকের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে:

এবার থেকে কোনও ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গের রস বা এই প্রকৃতিক উপাদানটি দিয়ে বানানো চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না। আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে। ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৪. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটির ঘাটতি মেটে:

৪. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটির ঘাটতি মেটে:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত একাধিক অ্যান্টি-অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ যে কোনও ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো সংক্রমণের থেকে দূরে থাকতে অনেকেই নিয়মিত লবঙ্গ খেয়ে থাকেন। একই কাজ আপনিও কিন্তু করতে পারেন, যদি ইনফেকশনের থেকে দূরে থাকতে চান তো!

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন। এমনটা করলে উপকার যে মিলবে, তা হলফ করে বলতে পারি।

৬. আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ কমায়:

৬. আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ কমায়:

লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এই ধরনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠান্ডা চা ব্যথা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লাগালে দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে কমে গেছে। প্রসঙ্গত, জয়েন্ট পেন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষধিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. লিভারের ক্ষমতা বাড়ে:

৭. লিভারের ক্ষমতা বাড়ে:

লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের অন্দরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই নিয়মিত যদি অ্যালকোহল খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে রোজ লবঙ্গ খেতেও ভুলবেন না যেন!

৮. দাঁতের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটে:

৮. দাঁতের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটে:

লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে কয়েকটা লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৯. সাইনাসের মতো রোগ দূরে পালায়:

৯. সাইনাসের মতো রোগ দূরে পালায়:

মাঝে মধ্য়েই কি সাইনাসের আক্রমণ সহ্য করতে হয়? তাহলে তো বলতে হয় এই প্রবন্ধটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ লবঙ্গ যে এই ধরনের সমস্যা দূর করতে কাজে আসতে পারে, সে বিষয়ে কি জানা ছিল? আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আজও এই ধরনের অসুখের চিকিৎসায় লবঙ্গের উপরই ভরসা করে থাকেন।

১০. জ্বরের প্রকোপ কমে:

১০. জ্বরের প্রকোপ কমে:

লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: শরীর রোগ
    English summary

    10 Amazing & Proven Health Benefits of Clove!

    Cloves are the aromatic flower buds of trees that abound in Asia. India is one of its primary producers. Cloves can offer many health benefits due to their antibacterial and antioxidant properties. They are a primary ingredient of toothpastes. They can help preserving the bone quality and even help you condition your hair and protect them against dandruff. Here we have compiled for you a list of 10 such advantages of cloves and why you should include them in your daily life.
    Story first published: Friday, September 14, 2018, 17:17 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more