Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
সুস্থভাবে বাঁচতে নিয়মিত দাবা খেলা উচিত কেন জানেন?
সুস্থভাবে বাঁচতে নিয়মিত দাবা খেলা উচিত কেন জানেন?
স্মার্টফোন আছে হাতের কাছে? ঝটপট তাহলে দাবা খেলাটা ডাইনলোড করে নিন তো! নিশ্চয়ই ভাবছেন হঠাৎ এমন কথা কেন বলছি, তাই তা? আসলে বিজ্ঞান বলছে, মস্তিষ্ক যদি চাঙ্গা থাকে, তাহলে আয়ুও চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়। কিন্তু মস্তিষ্কের সঙ্গে আয়ু বৃদ্ধির কী সম্পর্ক? মস্তিষ্ক হল আমাদের শরীরের সেন্ট্রাল কন্ট্রোল সিস্টেম। তাই তো শরীরের এই অংশটা যদি সুপার অ্যাকটিভ থাকে তাহলে সার্বিকভাবে শরীরে কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের কুপ্রভাব থেকেও বেঁচে থাকা সম্ভব হয়। আর ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দাবার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে! তাই তো চিকিৎসকেরা সুস্থ থাকতে প্রতিদিন দাবা খেলার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দাবা খেলার সময় মস্তিষ্কের অন্দরে বিশেষ কিছু পরিবর্তন হয়ে থাকে। যার প্রভাবে শরীরে একাধিক উপকার হয়, যেমন...

১. রিডিং স্কিলের উন্নতি ঘটে:
১৯৯১ সালে হওয়া একটি স্টাডিতে দেখা গেছে বাচ্চারা যদি নিয়মিত দাবা খেলা শুরু করে, তাহলে তাদের মনযোগ শক্তির বৃদ্ধি ঘটে। আর এমনটা হওয়া মাত্র স্বাভাবিকভাবেই রিডিং স্কিলের উন্নতি ঘটে। আর একথা নিশ্চয় দিতে হবে না যে বাচ্চাদের পড়াশোনা করার ইচ্ছা বাড়লে তাদের উন্নতির পথে কোনও বাঁধা আসার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

২. দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করে:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে স্ট্রোক,মারাত্মক কোনও অ্যাক্সিডেন্ট অথবা কোনও জটিল রোগ থেকে সেরে ওঠার পর সার্বিকভাবে মস্তিষ্ক এবং শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে দাবার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই খেলাটি খেলার সময় মস্তিষ্কের মোটর স্কিল মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

৩. সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে এই বিষয়টি লক্ষ করা গেছে, যেসব বাচ্চা ছোট থেকেই দাবা খেলে, তাদের পড়াশুনোয় খুব উন্নতি ঘটে। কারণ মস্তিষ্কের কাজ করার স্পিড বেড়ে যাওয়ার কারণ এমন বাচ্চারা সহজেই যে কোনও জটিল কাজের সমাধান বের করে দিতে পারে। ফলে স্বাভাবিকভাবই অঙ্ক থেকে বিজ্ঞান, এমনকি জীবন সম্পর্কিত নান ক্ষেত্রেও এরা বাকি বাচ্চাদের থেকে অনেক এগিয়ে যায়। প্রসঙ্গত, বিশেষজ্ঞদের মতে ক্লাস ২-এর পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পরই যদি বাচ্চাদের চেস ক্লাসে ভর্তি করে দেওয়া যায়, তাহলে আগামী দিনে গিয়ে দারুন উপকার পাওয়া যায়।

৪. অ্যালঝাইমার্স রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে:
যাদের পরিবারে ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমার্স রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা আজ থেকেই নিয়মিত দাবা খেলা শুরু করুন। কারণ সম্প্রতি অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কলেজ অব মেডিসিনের চিকিৎসকেরা ৪৮৮ জন বয়স্ক মানুষের উপর একটা গবেষণা চালিয়েছিলেন। তাতে দেখা গিয়েছিল নিয়মিত দাবা খেললে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে সিগনালের আদান-প্রদানের উন্নতি ঘটার কারণে ডিমেনশিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা চোখে পরার মতো কমে যায়। প্রসঙ্গত, ব্রেনকে যত কম কাজ করাবেন, তত কিন্তু সে বিকল হতে শুরু করবে। তাই সময় থাকতে থাকতে মস্তিষ্কের দেখভাল করা শুরু করুন। দেখবেন বয়স্কালে উপকার পাবেন।

৫.ডেনড্রাইটের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে থাকা লক্ষাধিক নিউরনের মধ্যে সিগনাল আদান প্রদানের কাজটি করে থাকে এই ডেনড্রাইট। তাই তো ডেনড্রাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে নিউরাল কমিউনিকেশন বা সিগনাল আদান প্রদানেও উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে বুদ্ধি, মনোযোগ এবং স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দাবা খেলার অভ্যাস করলে খুব কম সময়ে ডেনড্রাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সেই কারণেই তো চিকিৎসকেরা দাবা খেলার সপক্ষে এত সাওয়াল করে থাকেন।

৬. ক্রিয়েটিভি বাড়ে:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত দাবা খেলা শুরু করলে মস্তিষ্কের ডানদিকের অংশের অ্যাকটিভি বেড়ে যায়। আর ব্রেনের এই অংশটাই যেহেতু আমাদের ক্রিয়েয়েটিভ পাওয়ারকে কন্ট্রোল করে। তাই চিন্তার বিকাশ ঘটতে সময়ই লাগে না।

৭. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়:
দাবার বোর্ডে আপনার জিত ধার্য হবে, না হার, তা পুরোটাই নির্ভর করে আপনার বুদ্ধির ভাঁজের উপর। তাই তো নিয়মিত এই খেলাটি খেললে একদিকে যেমন বুদ্ধির ধার বাড়তে থাকে, তেমনি অন্যদিকে আত্মবিশ্বাসও মাত্রা ছাড়ায়। আসলে বুদ্ধির জোর থাকলে যে কোনও পরিস্থিতি থেকেই বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়, আর এই বিষয়টিই মনের জোরকে এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে, কোনও কিছুই আর জীবনের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

৮. মস্তিষ্কের দুই দিকের ক্ষমতাই বৃদ্ধি পায়:
লক্ষ করে দেখা গেছে বেশিরভাগ মানুষই মস্তিষ্কের ডান অথবা বাম, যে কোনও একটা দিন ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু কেউ যদি একসঙ্গে দুটি দিকই সমানভাবে ব্যবহার করতে পারেন, তাহেল লাফল্য় তার চির সঙ্গী হয়। কারণ সেক্ষেত্রে ব্রেন পাওয়ার এতটাই বেড়ে যায় যে কোনও কাজই আর কঠিন লাগে না। তাই আপনিও যদি মস্তিষ্কের দুদিককে সমানভাবে কাজে লাগাতে চান, তাহলে আজ থেকেই দাবা খেলা শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ চেস বোর্ডে থাকা প্রতিটি ঘুঁটিকে চেনার জন্য মস্তিষ্কের বাঁদিকের অংশের প্রয়োজন পরে। আর ডান দিকের অংশ সঠিক দান দিতে আমাদের সাহায্য করে থাকে। এইভাবে মস্তিষ্কের দুটি অংশ একই সময় কাজ করতে করতে একটা সময়ে গিয়ে ব্রেন পাওয়ার এতটাই বৃদ্ধি পায় যে কর্মক্ষেত্র হোক, কী পড়াশোনা, যে কোনও ফিল্ডেই সাফল্য আসতে সময় লাগে না।

৯. সিজোফ্রেনিয়া রোগের চিকিৎসায় কাজে লাগে:
ফ্রান্সের ব্রোন শহরের বিখ্যাত নিউরো ইনস্টিটিউট, সেন্টার ফর কগনিটিভ নিউরো সায়েন্সের চিকিৎসকেরা লক্ষ করে দেখেছেন সিজোফ্রেনিয়া রোগে আক্রান্তরা নিয়মিত দাবা খেলার অভ্যাস করলে দারুন উপকার মেলে। এক্ষেত্রে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ধীরে ধীরে রোগের প্রকোপ যেমন চোখে পরার মতো কমে যায়, তেমনি মনোযোগ, চিন্তা করার শক্তি এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতারও বৃদ্ধি ঘটে।



Click it and Unblock the Notifications