প্রবল গরমে ঘেমে-নেয়ে অস্থির? রইল রেহাই পাওয়ার টিপস

বৈশাখের ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা বঙ্গবাসীর। তার উপর বাতাসে আদ্রর্তার পরিমাণও বেশি। ফলে ঘেমে নেয়ে একশা হচ্ছেন আট থেকে আশি। গরমে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার ফলে শরীর থেকে দুর্গন্ধ বেরোয়, ঘাম বসে ঠান্ডাও লেগে যেতে পারে। তবে দৈনন্দিন জীবনে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চললেই ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। দেখে নিন, ঘাম হওয়া কমানোর জন্য কী কী টিপস অনুসরণ করবেন-

how to stop sweating naturally

গরমের পানীয়
ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায়। যে কারণে শরীরে জলের অভাব পূরণ করতে প্রচুর জল পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। জল পান ছাড়াও আপনি ছাতুর শরবত, ঘোল, লস্যি, লেবুর শরবত, ফলের রসে চুমুক দিতে পারেন। ডায়েটিশিয়ানদের মতে, এই সব স্বাস্থ্যকর পানীয় শরীর ঠান্ডা রাখে এবং জলের অভাব হতে দেয় না।

ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন
দিনে চার-পাঁচ কাপ চা, কফি পানের অভ্যাস থাকে অনেকেরই। কিন্তু গরমের সময় শরীরে বেশি ক্যাফেইন গেলে আরও ঘাম হওয়ার প্রবণতা থাকে। ডায়েটিশিয়ানদের মতে, ক্যাফেইন অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলিকে উদ্দীপিত করে, ফলে আমাদের হাতের তালু, পা এবং আন্ডারআর্মসে আরও ঘাম হয়। তাই চা, কফি কম খান।

তেল-মশলাযুক্ত খাবার কম খান
ঝাল, তেল, মশলাযুক্ত খাবার গরমে কম খান। এই সব খাবার অতিরিক্ত খেলে ঘামের পরিমাণ বেড়ে যায়। কারণ মশলাদার বা ঝাল বা তৈলাক্ত খাবার শরীর গরম করে। ফলে ঘাম প্রচুর হয়। তাই গুরুপাক খাবার বেশি খাবেন না।

শান্ত থাকুন
মানসিক চাপ, স্ট্রেস, উৎকণ্ঠা, ভয়, টেনশন বেশি হলে ঘামও বেশি হয়। মূলত কোনও বিষয় নিয়ে বেশি প্যানিকের কারণেই এমনটা হয়ে থাকে। তাই বিশেষজ্ঞরা সবসময় মাথা ঠান্ডা রাখার পরামর্শ দেন। প্রতিদিন কিছুটা সময় মেডিটেশন করার চেষ্টা করুন। ডিপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। তাহলে দেখবেন ঘাম কম হবে।

অ্যান্টিপারসপিরেন্টস ব্যবহার করুন
ঘাম হওয়া কমাতে অ্যান্টিপারসপিরেন্টস ব্যবহার করতে পারেন। অ্যান্টিপারসপিরেন্টের মধ্যে সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম-ভিত্তিক যৌগ থাকে, যা অস্থায়ীভাবে ঘাম ঝরানোর লোমকূপগুলোকে বন্ধ করে দেয়।

X
Desktop Bottom Promotion