সাবধান: এইচ১ এন১ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচতে কোলাকুলি নৈব নৈব চ!

Written By:
Subscribe to Boldsky

নামাজ পড়ার পর ভাইয়ে ভাইয়ে কোলাকুলি না হলে চলে! কিন্তু ভয় একটা জয়গাতেই, গত কয়েক দিনে যে হারে সোওয়াই ফ্ল-এর প্রকোপ বেড়ছে তাতে নিজেকে এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের বাঁচাতে এইটুকু সাবধনতা না নিলে যে চলবে না বন্ধুরা!

আজ পর্যন্ত পাওয়া স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে ইতিমধ্যেই সারা দেশে প্রায় ২২,১৮৬ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে কিন্তু বিপদ! আসলে এই ভাইরাসটি খুব সহজে এক শরীরে থেকে আরেক শরীরে পৌঁছে গিয়ে সুস্থ মানুষকে নিমেষে অসুস্থ করে তোলে। সেই কারণেই তো আজকের দিনে কোলাকুলি করতে মানা করছেন চিকিৎসকেরা।

কী এই এইচ১ এন ১ ভাইরাস?

কী এই এইচ১ এন ১ ভাইরাস?

এটি এক ধরনের ইনফ্লয়েঞ্জা ভাইরাস, যা সাধারণত শুকরের শরীর থেকে মানুষের শরীরে এসে বাসা বাঁধে। তারপর এক শরীর থেকে আরেক শরীরে ছড়িয়ে পরে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। প্রসঙ্গত, এইচ১ এন ১ ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশ করার পর রোগীর হাঁচি-কাশি বা ঘামও যদি সুস্থ মানুষের শরীরের সংস্পর্শে আসে, তাহলেও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন সামান্য সুযোগ পেলেই এই ভাইরাসটি এতটা ক্ষতি করে থাকে যে অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়া বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

কাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে:

কাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে:

৮-৮০ যে কোনও বয়সেই এই রোগ থাবা বসাতে পারে। তবে বাচ্চা এবং বয়স্কদের এই ধরনের ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। কারণ এই দুই বয়সে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ততটা শক্তিশালী হয় না। ফলে দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভেঙে এইচ১ এন১ ভাইরাস খুব সহজেই শরীরের অন্দরে প্রবেশ করে যায়।

লক্ষণ কী কী দেখা দেয়?

লক্ষণ কী কী দেখা দেয়?

এক্ষেত্রে সাধারণত যে যে লক্ষণগুলির প্রকাশ ঘটে থাকে, সেগুলি হল- জ্বর, কাশি, সর্দি, গলায় ব্যথা, নাক থেকে জল পরা, সারা শরীরজুড়ে ফুসকুড়ি, ক্লান্তি, ডায়ারিয়া এবং বমি প্রভৃতি।

রোগের সন্ধান পাওয়া যায় কিভাবে?

রোগের সন্ধান পাওয়া যায় কিভাবে?

এমন ধরনের লক্ষণ দেখা গেলেই চিকিৎসক প্রথমেই কাশি বা সর্দির স্যাম্পেল সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে পাঠিয়ে দেন। এই টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ এলেই চিকিৎসক নিশ্চিত হন যে শরীরে বাসা বেঁধেছে এইচ১ এন১ ভাইরাস।

চিকিৎসা:

চিকিৎসা:

এক্ষেত্রে মূলত লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা করা হয়ে থাকে, যদি না অন্য কোনও জটিলতা দেখা দেয় তো। তবে এই সময় রোগীকে একটু সাবধানে থাকতে হয়। কারণ সেই একই! এই ভাইরাস খুব দ্রত এক শরীর থেকে আরেক শরীরে ছড়িয়ে পরে। প্রসঙ্গত, একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে এইচ ১ এন১ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীরা নির্দিষ্ট ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি ঠিক মতো আরাম করেন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খান, তাহলে রোগ থেকে তাড়াতাড়ি নিস্তার মেলে।

Read more about: রোগ, শরীর
English summary
As a precautionary measure against rampant swine flu cases this Eid ul Azha Muslims have been advised to ‘salaam” instead of embracing family and friends while offering Eid greetings.
Story first published: Saturday, September 2, 2017, 11:25 [IST]
Please Wait while comments are loading...