হাই কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ কমায় এই মিশ্রন

উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমাতে চান? তাহলে এক্ষুনি পড়ে ফেলুন এই প্রবন্ধটি।

উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল হার্টের জন্য় একেবারেই ভালো নয়। একথা কারোর আজানা নেই যে দীর্ঘদিন যদি এই দুটি রোগের চিকিৎসা না হয়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক সহ আরও নানা ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

তাই তো এই প্রবন্ধে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান সম্পর্কে আলোচনা করা হল যেগুলি উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য় করে। এখানেই শেষ নয়। এই ঔষুধির আরও অনেক গুণ রয়েছে। স্ট্রেস কমাতে এটি দারুন কাজে আসে। তাই আপনি যদি ইতিমধ্য়েই উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টরলের সমস্য়ায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন বা শরীরের যা আবস্থা, তাতে মনে হচ্ছে খুব শীঘ্র হয়ে যাবেন , তাহলে এক্ষুনি পড়ে ফেলুন বাকি লেখাটি।

এই ঘরোয়া ওষুধটি বানাতে যে উপাদানগুলি ব্য়বহার করা হয় সেগুলি অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টাল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ। প্রসঙ্গত, মোট পাঁচটি উপাদান ব্য়বহার করে তৈরি করা হয় এই ওষুধটি। আর এই পাঁচটি উপাদান যে কারও বাড়িতেই পাওয়া যায়। তাই এটা ভেবে নেওয়ার কোনও কারণ নেই যে এটি বানাতে খুব কষ্ট পোয়াতে হবে।

তাহলে অপেক্ষা কিসের, এই ঘরোয়া ওষধিটি কীভাবে বানাবেন তা জানতে পড়ে ফেলুন বাকি প্রবন্ধটি।

হাই কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ কমায় এই মিশ্রন

প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১. অর্ধেক লেবু
২. অর্ধেক চামচ থেঁতো করা আদা
৩. ১ টা রসুনোর কোয়া
৪. ১ চামচ অর্গেনিক মধু
৫. ১ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার

বানানোর পদ্ধতি:
উপকরণগুলি একসঙ্গে মেশান। তারপর মিক্সিতে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর মিশ্রনটি একটি বাটিতে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন।

কীভাবে খেতে হবে এই ওষুধটি:
প্রতিদিন দুপুরের খাবারের পর এক চামচ করে এই মিশ্রন খেলে দেখবেন অসুবিধাগুলি অনেকটাই কমতে থাকবে। তবে টানা এক মাস খাবেন কিন্তু! না হলে তেমন সুফল পাবেন না।

এবার তাহলে জেনে নিন এই ওষুধটি বানাতে যে উপকরণগুলি ব্য়বহার করা হয়েছে সেগুলির উপকারিতা সম্পর্কে।

ক. রসুনের উপকারিতা:
রক্তবাহিকায় রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না রসুন। ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে রসুন রক্ততে ঘন করতেও সাহায্য় করে। তাই তো বলা হল উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমাতে এটির কোনও বিকল্প নেই।

খ. আদার গুণাগুণ:
আদায় রেয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা আর্টারির দেওয়ালে নোংড়া জমা আটকায়। ফলে আর্টারি বন্ধ হয়ে গিয়ে হার্ঠ অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে। তাই একথা বলতেই হয় যে, কোলেস্টরল কমাতে বা ওই সম্পর্কিত নানা রোগের থেকে দূরে থাকতে আদার সাহায্য় নেওয়া যেতেই পারে।

গ. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার:
এই ভিনিগারটিতে যে যে উপাদান রেয়েছে সেগুলি উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টরল কমাতে দারুন কাজে আসে।

Story first published: Saturday, February 4, 2017, 11:33 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion