For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে খান গরম জল, দেখে নিন এর নানান উপকারিতা

|

জলের অপর নাম জীবন। সুস্বাস্থ্যের জন্য জলের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব কতটা, তা আমরা সকলেই জানি। চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ শরীরের জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা অত্যন্ত প্রয়োজন। শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখা, শরীরকে সচল রাখা, ত্বক ও চুলকে ঠিক রাখা, কিডনির যত্ন নেওয়া, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা ইত্যাদি কাজের জন্য জল আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারি একটি উপাদান। সাধারণত আমরা নর্মাল জল বা ঠান্ডা জল পান করে থাকি। তবে, গরম জল পান করা যে আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারি, তা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। ঠান্ডা জলের পরিবর্তে উষ্ণ জল পান করলে আপনি পেতে পারেন অবিশ্বাস্য ফল।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, সারাদিনে ১-২ গ্লাস গরম জল পান করা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কিছু বিশেষ সুবিধা বয়ে আনতে পারে। উষ্ণ জল, হজম ক্ষমতা ও রক্ত চলাচলকে উন্নত করতে, ওজন হ্রাস করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে সহায়তা করে। তাই, শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে রোজ খান ১-২ গ্লাস গরম জল। তাহলে জেনে নিন গরম জল খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে, পাশাপাশি জেনে নিন কখন ও কীভাবে খাবেন।

স্বাস্থ্য উপকারিতা

১) ডিটক্স

১) ডিটক্স

গরম জল শরীরের থেকে সমস্ত ক্ষতিকারক টক্সিনকে বের করে শরীরকে ডিটক্স করে। গরম জল ঘাম ও মূত্রের মধ্য দিয়ে শরীরের টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক।

২) হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

২) হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

গরম জল হজম শক্তিকে বৃদ্ধি করে। পাকস্থলী এবং অন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাবার সময় হজম অঙ্গগুলিকে আরও ভালোভাবে হাইড্রেটেড করে, যার ফলে বর্জ্য বস্তু শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয় এবং হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম জল পান করুন।

৩) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

৩) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

এটি বহু মানুষের একটি সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রাত্রে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস করে গরম জল পান করুন। এটি অন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্ত্রকে সংকুচিত করে বর্জ্য পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে।

বর্ষায় সু্স্থ থাকতে মেনে চলুন এই টিপসগুলি

৪) শরীরের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে

৪) শরীরের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে

গরম জল পান করলে রক্ত সঞ্চালন ভালোভাবে হয় বলে এটি শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকে সচল রাখতে সাহায্য করে, যা শরীরের বিভিন্ন ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। মাথা যন্ত্রণা, গাঁটে গাঁটে ব্যথা, মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিক ঋতুচক্রের খিঁচুনিতে আরামদায়ক গরম জল।

৫) রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে

৫) রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে

গরম জল শরীরের ব্লাড ভেসেলস্-কে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। ফলে প্রতিটি নার্ভ সচল থাকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৬) অনিয়মিত পিরিয়ড ও ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়

৬) অনিয়মিত পিরিয়ড ও ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়

মহিলাদের ক্ষেত্রে গরম জল পান করার একটি বড় সুবিধা হলো, এটি অনিয়মিত ঋতুস্রাব ঠিক করতে এবং ঋতুস্রাবের ব্যথা থেকে উপশম দিতে সহায়তা করে। অনেক সময় রক্ত জমাট বেঁধে তা বেরোতে না পারলে ব্যথা হতে থাকে। এই সময় গরম জল পান করলে জমাট বাধা রক্ত ভেঙে গিয়ে ব্লাড ফ্লো সঠিকভাবে হয়, যা ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

৭) ওজন কমাতে সাহায্য করে

৭) ওজন কমাতে সাহায্য করে

গরম জল শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে এবং খিদে কমায়। ফলে 'ক্যালরি ইনটেক' কম হয়, যা দ্রুত ওজন ঝরাতে সহায়ক। তাই প্রতিদিন সকালে খালিপেটে লেবু বা মধু এক গ্লাস গরম জলে মিশ্রিত করে পান করুন।

এছাড়াও

এছাড়াও

১) স্ট্রেস কমাতে হালকা গরম জল পান করুন।

২) জমে যাওয়া সর্দি, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি থেকে মুক্তি পেতে গরম জল পান করুন।

৩) গরম জল ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং ব্রণর সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।

৪) ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে এবং বার্ধক্যের ছাপ পড়তে না দিতে, রোজ গরম জল পান করুন।

৬) গরম জল স্কাল্পকে হাইড্রেটেড রেখে খুশকি থেকে দূরে রাখে।

অ্যালকোহল তো পান করেন, কিন্তু এই বিষয়গুলি দিকে নজর দেন কি?

কীভাবে এবং কখন খাবেন

কীভাবে এবং কখন খাবেন

রোজ রাতে খাওয়ার পরে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম জল পান করুন। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম জল পান করুন। সকালে এই গরম জলের সঙ্গে মধু বা লেবু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

কত তাপমাত্রায় গরম জল খাবেন

কত তাপমাত্রায় গরম জল খাবেন

অত্যাধিক তাপমাত্রা যুক্ত গরম জল খাবেন না। ৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রা বা তার কম তাপমাত্রা যুক্ত জল পান করুন। সাধারণ অর্থে, ঈষদুষ্ণ জল পান করুন। নাহলে জিভ পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

English summary

Health Benefits Of Drinking Warm Water

Read on to know the various health benefits offered through the consumption of warm water.
X