পরিমিত মাত্রায় বিয়ার পান করলে হার্ট ভাল থাকে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে! জানুন এর অন্যান্য উপকারিতা

আমরা সকলেই জানি যে, প্রয়োজনের অতিরিক্ত যেকোনও কিছু খাওয়া স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। বিয়ারের ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য। তবে পরিমিত মাত্রায় বিয়ারের সেবন, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি হতে পারে।

মাদক হলেও, বিয়ারের স্বাস্থ্যগুণ কিন্তু অসীম! পরিমিত মাত্রায় বিয়ারের সেবন কিন্তু নিরাপদ হতে পারে। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, বিয়ারের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।

Health Benefits Of Drinking Beer

১) বিয়ার অন্যান্য অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়ের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর

আমরা সকলেই জানি যে, ওয়াইন হল একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পানীয়। কিন্তু বিয়ারেও অনেক বেশি মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বর্তমান! বিয়ারের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ওয়াইনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের থেকে আলাদা। কারণ বার্লি এবং হপসের ফ্ল্যাভোনয়েড আঙুরের থেকে আলাদা। বিয়ার আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফেট এবং ফাইবারের উৎস। এমনকি ওয়াইনের তুলনায় বিয়ারে প্রোটিন এবং ভিটামিন-বি এর মাত্রাও বেশি থাকে।

২) বিয়ার হার্টের ক্ষেত্রে উপকারি হতে পারে

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, পরিমিত মাত্রায় বিয়ারের সেবন হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক কিংবা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে যে, যেকোনও অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়ের পরিমিত সেবন কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

৩) কিডনি স্টোন হওয়া প্রতিরোধ করতে সহায়ক

পরিমিত মাত্রায় বিয়ারের সেবন কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে যে সকল ব্যক্তি পরিমিত মাত্রায় বিয়ার পান করেছেন বলে জানিয়েছেন, তাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪১ শতাংশ কমে গিয়েছে।

৪) বিয়ার খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক

বিয়ারে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার, এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। তাছাড়া দ্রবণীয় ফাইবারের সেবন বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা এবং কোলেস্টেরল মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

৫) হাড় মজবুত করতে সহায়তা করে

উচ্চ সিলিকন যুক্ত বিয়ার, হাড় শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। অর্থোসিলিসিক অ্যাসিডের দ্রবণীয় আকারে ডায়েটরি সিলিকন, হাড় ও টিস্যুর বৃদ্ধি এবং বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাছাড়া এটি অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

৬) ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে

বিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য উপকারিতা হল, এটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। বিয়ারে Xanthohumol নামক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বর্তমান, এটি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী এনজাইমকে বাধা দেয়।

Story first published: Tuesday, November 9, 2021, 20:45 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion