H3N2 Influenza: ভারতে বাড়ছে H3N2 ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণ! কাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

একের পর এক ভাইরাস আঘাত হানছে দেশে। এই তালিকায় নতুন সংযোজন ইনুফ্লয়েঞ্জা ভাইরাসের সাবটাইপ H3N2। দিনে দিনে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত কয়েক মাসে ভারতে জ্বরে আক্রান্তের ঘটনা প্রচুর বেড়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই H3N2 ভাইরাসে আক্রান্ত বলে দাবি করা হচ্ছে।

h3n2 influenza symptoms

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের অনেক ভাগ রয়েছে। H3N2 ভাইরাস হল 'ইনফ্লুয়েঞ্জা এ' ভাইরাসের উপরূপ। খুবই ছোঁয়াচে এই ভাইরাস এবং মহামারীর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, H3N2-তে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি এবং এই ভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার উপায়।

H3N2 ফ্লুতে সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি?

H3N2 ফ্লুতে সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি?

ইনফ্লুয়েঞ্জার এই নতুন সাবটাইপ খুব ছোঁয়াচে। দেখে নিন কাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি -

-পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু

-৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি

-হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের রোগী

-নিউরোলজিক এবং নিউরোডেভেলপমেন্ট অবস্থা

-সিকেল সেল অ্যানিমিয়ার মতো রক্তের ব্যাধি আছে

-ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা

-যারা স্থূলকায় বা মোটা

-হার্ট, কিডনি এবং লিভারের রোগ রয়েছে

-গর্ভবতী মহিলা

-কোমর্বিডিটি যাঁদের রয়েছে

H3n2 ভাইরাস কত দিন স্থায়ী হয়?

H3n2 ভাইরাস কত দিন স্থায়ী হয়?

চিকিৎসকদের মতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ৫ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে এই ভাইরাস থাকে। ভাইরাসের প্রভাব ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপরও নির্ভর করে। IMA-র স্যান্ডিং কমিটি ফর অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স জানিয়েছে, জ্বর তিন দিন পর কমে যেতে পারে, কিন্তু কাশি তিন সপ্তাহ পর্যন্তও চলতে পারে।

এটি কী ভাবে ছড়ায়?

এটি কী ভাবে ছড়ায়?

H3N2 ভাইরাস অত্যন্ত ছোঁয়াচে। কাশি, হাঁচি এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এমনকী কথা বলার সময়ও মুখ থেকে যেই তরল বিন্দু বের হয়, তাতেও থাকে এই জীবাণু। চিকিৎসকরা তাই কোভিডের মতোই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন সাধারণ মানুষকে। বাড়িতে একজন আক্রান্ত হলে তাঁকে আলাদা রাখাটাই ভালো। তবেই অন্যরা সুরক্ষিত থাকবেন।

এই ভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন কী ভাবে?

এই ভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন কী ভাবে?

-বেশি করে তরল জাতীয় খাবার ও জল খান

-পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন

-পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খান

-ঘন ঘন হাত ধোওয়ার অভ্যাস করুন

-ভিড় জায়গায় যাবেন না

-প্রয়োজনে মাস্ক পরুন

-কাশি এবং হাঁচির সময় নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন

X
Desktop Bottom Promotion