ডিনার স্কিপ করলে কি সত্যিই ওজন কমে? শরীরে বাসা বাঁধতে পারে এই রোগগুলি, সতর্ক হন

By Bhagysree Sarkar

বর্তমানে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় কম-বেশি অনেকেই ভুগছেন। এরজন্য নানান পন্থাও আমরা অবলম্বন করে থাকি। এরমধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট ডায়েট, সঠিক ওর্য়াক-আউটের মত নানান পন্থা আমরা বেছে নিই। যা আমাদের স্বাস্থ্যে কোনও কুপ্রভাব ফেলে না। তবে সবথেকে সহজ যে পন্থা তা হল, খাবার খাওয়ার পরিমাণ হঠাৎ কমিয়ে দেওয়া। এটি তাড়াতাড়ি ও পরিশ্রম কম বলে এই কাজ করে থাকি। কিন্তু জানেন এতে কী বড় বিপদ আমরা ডেকে আনছি, সেই সম্বন্ধে?

সকালের ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যাওয়ার অনেক অসুবিধা রয়েছে তা আমরা সকলেই জানি। তাই সকালের ব্রেকফাস্ট হতে হবে পুষ্টিকর এবং পরিপূর্ণ। পুষ্টিগুণে পূর্ণ, কারণ এটিই সারাদিন শরীরকে শক্তি জোগাতে প্রস্তুত করে। তাই সকালের ব্রেকফাস্টের গুরুত্ব নিয়ে কথা বললেও রাতের খাবারের গুরুত্ব নিয়ে প্রায়শই কথা বলা হয় না। শুধু বলা হয়, রাতের খাবার হালকা হতে হবে এবং ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে এটি খেতে হবে। যদিও এই জিনিসগুলি একেবারে সত্য। তবুও কিছু মানুষ ডিনার একেবারেই এড়িয়ে যান, যা কিন্তু সুস্বাস্থ্যে একেবারেই বিপক্ষে।

dinner

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতের খাবার একেবারেই এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। এটি স্বল্প মেয়াদে ওজন কমাতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আপনাকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হবে। তাই এই সমস্ত জিনিসগুলি করার আগে আপনার নিজের চিন্তাভাবনা বদলান। মূলত, রাতের খাবার এড়িয়ে যাওয়া সকালের ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যাওয়ার মতোই খারাপ। চলুন জেনে নিই রাতের খাবার এড়িয়ে যাওয়ার কুফল-

  • এতে আমাদের শক্তির মাত্রা কমে যায়।
  • একাধিকবার ডিনার না করায় হজমের সমস্যা শুরু হয়।
  • এতে চিনি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেড়ে যায়।
  • এটি করলে ঘুমের গুণমান প্রভাবিত হয়, যা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।
  • আমাদের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে।
  • মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতার মতো সমস্যা হতে পারে।
  • রাতের খাবার এড়ালে মেটাবলিজমকে ধীর করে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় এবং শক্তি কমায়। এটি মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এবং ক্লান্তি সৃষ্টি করে।

এইসব কুফলগুলি থেকে আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন যে ডিনার এড়িয়ে যাওয়া কতটা ক্ষতিকর আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য। তাই একবারে পুরো খাবার খাওয়ার পরিবর্তে সারাদিনে বেশ কয়েকটি ছোট খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ক্যালোরি কম এবং ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য খান। প্রতিদিন ব্যায়াম করুন এবং মন দিয়ে খান। সমস্যা এড়াতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।

Story first published: Thursday, August 29, 2024, 19:46 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion