For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অযথা উদ্বেগের শিকার? বাঁচার ১১টা পথ

|

অযথা উদ্বেগের জন্য জরুরি কাজে সমস্যা হওয়া, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় দৈনন্দিন কাজে ভুল করে ফেলা, আজকের দিনে এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন প্রায় সমস্ত বয়সের মানুষ। নিজের ক্ষেত্রেও একই কথা মনে হচ্ছে? প্রতিদিনের নানানরকম কাজের মাঝে, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, শরীরের যত্ন না নেওয়া, মূলতঃ এসবের জন্যই বাড়তে থাকে উদ্বেগ। তবে তা কমিয়ে সুস্থ থাকার ও উপায় আছে । সেগুলোই বিস্তারিত খুঁজে নিতে পারেন নিচের উপায়গুলোতে।

১. ডিপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ করুন

১. ডিপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ করুন

প্রতিদিন সকাল ও বিকালে নিয়ম করে পাঁচ থেকে দশ মিনিট এই ব্যায়ামটি করুন। খোলা পরিবেশে বসে গভীর শ্বাস নিন ও অল্পক্ষণ তা ধরে রাখার পর মুখ দিয়ে ছাড়ুন। দেখবেন এতে আপনার স্ট্রেস একেবারেই কমে গেছে। মন ও মাথা প্রচন্ড হালকা হয়ে গেছে।

২. ব্যায়াম করুন

২. ব্যায়াম করুন

মন ও শরীর দুই'ই ভালো রাখতে ব্যায়ামের গুরুত্ব অনেক। তাই প্রতিদিন আধঘন্টা সময় বের করুন ব্যায়াম করতে। প্রয়োজনে ফিটনেস ট্রেনার এর পরামর্শ নিন। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজের মত সহজ ব্যায়াম বেছে নিন।

৩. মদ্যপান কমান

৩. মদ্যপান কমান

মদ্যপান অযথা দুশ্চিন্তা বাড়ায়। এর ফলে যে কোনও পরিস্থিতিতে প্যানিক অ্যাটাক হতে পারে। তাই আপনার এই অভ্যাস থাকলে আজই বিদায় জানান।

৪. সত্য মেনে নিন

৪. সত্য মেনে নিন

প্রতিদিনের ঘটনা গুলোতে নিজের ভুল থাকা সত্ত্বেও মানতে পারছেন না? ফলে বাড়ছে স্ট্রেস, ঘটনা নিয়ে অযথা ভাবনা। বরং বাস্তবটা মেনে নিন। পজিটিভ থাকুন ও পজিটিভ ভাবুন।

৫. বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান

৫. বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান

কাজের শেষে আপনার অবসর সময়টা কাটান বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মেরে। পুরোনো বন্ধুদের ডেকে নিন বাড়িতে, অথবা তাদের সঙ্গে দেখা করুন কোথাও। চুটিয়ে আড্ডা মারলে দেখবেন আপনি একেবারেই চিন্তামুক্ত হয়ে গেছেন। এতে পরের দিন কাজের ক্ষেত্রে উৎসাহও পাবেন।

৬. হবিগুলোকে সময় দিন

৬. হবিগুলোকে সময় দিন

অবসর সময়ে নিজের হবিগুলোকে সময় দিন। যাদের নিয়ে সময় কাটাতে ভালো লাগে তারাই আপনার দুশ্চিন্তা কমিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

৭. বিনোদন বেছে নিন

৭. বিনোদন বেছে নিন

অবসর সময়ে বেছে নিতে পারেন বিনোদন। যেতে পারেন সিনেমা হলে, অথবা লাইভ গানের শোতে। এই হ্যাং আউট আপনাকে রোজকারের রুটিন থেকে মুক্তি দেবেই।

৮. ডায়েরিতে লিখে রাখুন

৮. ডায়েরিতে লিখে রাখুন

যা সব দুশ্চিন্তা আপনার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেসব কিছু দিনের শেষে লিখে ফেলুন ডায়েরিতে। এতে আপনার মাথা থেকে খাতায় বন্দি হবে দুশ্চিন্তারা। আপনার স্ট্রেসও কমবে।

৯. সময় ধরে ঘুমান

৯. সময় ধরে ঘুমান

দিনে একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে ঘুমোনো অত্যন্ত আবশ্যক। ঘুমের অভাবে স্ট্রেস আরও বাড়ে। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। ঘুমই একমাত্র আপনার মস্তিস্ককে বিশ্রাম দেয়, ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে সময় ধরে ঘুমান। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে অন্তত ৮ ঘন্টা ঘুম দরকার। কম ঘুম আপনাকে আরও স্ট্রেসফুল জীবনের দিকে ঠেলে দেবে।

১০. ছুটি কাটান

১০. ছুটি কাটান

সপ্তাহশেষে বাড়ি বসে না থেকে উইকেন্ড কাটিয়ে আসুন আউটস্টেশনে। এতে আপনার মন ও শরীর দুইই ভালো থাকবে। সাময়িক ভাবে আশেপাশের পরিবেশ থেকে ছুটি পেলে স্ট্রেস আপনাকে কাবু করতে পারবে না।

১১. কাজকে ভালোবাসুন

১১. কাজকে ভালোবাসুন

অনেক সময় কাজের প্রতি ভালোবাসা না থাকলে কাজকে অতিরিক্ত চাপ বলে মনে হয়। তাই চেষ্টা করুন তেমন কাজই বেছে নিতে, যাকে আপনি মন থেকে ভালোবাসতে পারবেন। কাজকে একবার ভালোবাসতে পারলে তা কখনোই আপনার কাছে স্ট্রেসফুল মনে হবে না। ফলে দিনের শেষে আপনি ফুরফুরে মেজজে অফিস থেকে বেরোতে পারবেন।

English summary

Do You Live with Anxiety? Here’s 11 Ways to Cope

Here are 11 ways to cope with anxity.
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more