Latest Updates
-
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ১ মে ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ৩০ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৯ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৮ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৭ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: কেমন যাবে আজকের দিন? দৈনিক রাশিফল ২৬ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ কোন রাশির ভাগ্যে কী আছে? দৈনিক রাশিফল ২৫ এপ্রিল ২০২৫ -
Ajker Rashifal: আজ সারাদিন আপনার কেমন কাটবে? দৈনিক রাশিফল ২৪ এপ্রিল ২০২৫
জানা আছে কি প্রতিদিন এক বাটি করে কাঁচা শসা খাওয়ার পরামর্শ কেন দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?
গরম কালে এর জনপ্রিয়তা বাড়লেও শীতের মরসুমে আমাদের ধারে কাছে এদের তেমন একটা দেখা যায় না। কিন্তু এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ...
গরম কালে এর জনপ্রিয়তা বাড়লেও শীতের মরসুমে আমাদের ধারে কাছে এদের তেমন একটা দেখা যায় না। কিন্তু এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ গবেষণা বলছে শরীরকে মজবুত এবং সচল রাখতে প্রতিদিন যে যে উপদানগুলির প্রয়োজন পরে, তার সবকটাই মজুত রয়েছে শসাতে। যেমন ধরুন ভিটামিন কে, সি, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, রাইবোফ্লবিন, বি৬, ফলেট, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, আয়রন, সিলিকা, ক্যালসিয়াম এবং জিঙ্ক। এবার তাহলে বুঝেছেন নিশ্চয়, শুধু গরম কালে নয়, সারা বছর জুড়েই শসা খাওয়ার প্রয়োজন কতটা!
শরীরকে চাঙ্গা রাখতে যে নিয়মিত শসা খাওয়া উচিত, সে সম্পর্কে না হয় কোনও সন্দেহ নেই! কিন্তু প্রশ্ন হল এই প্রাকৃতিক উপাদানটি পুষ্টির ঘাটতি মেটানোর পাশাপাশি শরীরের আর কী কী উপকার লেগে?

১. হার্টের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটে:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে হার্টকে চাঙ্গা রাখতে বাস্তবিকই এই প্রাকৃতিক উপাদানটি কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে শসায় উপস্থিত লেরিসিরেসিনোল, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে হার্টের কোনও ধনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে।

২. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
পরিবারে কি এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে? তাহলে রোজের ডায়েটে শসাকে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন! আসলে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম, শরীরে প্রবেশ করার পর নুনের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে, যে কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে ব্লাড প্রেসারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পয়েছে, বিশেষত কম বয়সিদের মধ্যে, তাতে প্রতিটি ভারতীয় নাগরিকেরই যে শসা খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই!

৩. খনিজের চাহিদা মেটে:
খেয়াল করে দেখবেন অনেকেই ত্বকের পরিচর্যায় শসাকে কাজে লাগিয়ে থাকেন। কেন এমনটা করেন, জানেন? আসলে শসার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম,পটাসিয়াম এবং সিলিকন। এই সবকটি খনিজ শরীরের উন্নতির পাশাপাশি ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যদি অল্প দিনেই তরতাজা ত্বক পেতে চান, তাহলে আজ থেকেই কাজে লাগানো শুরু করতে পারেন শসাকে।

৪. দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে:
খাতায়-কলমে এখন বর্ষাকাল। কয়েকদিন তোলপার করা বৃষ্টি হয়েছিল বটে। কিন্তু অবস্তা যে কে সেই! প্রতিদিন গরম যাচ্ছে বেড়ে। এমন অবস্থায় দেহের তাপামাত্রা স্বাভাবিক রাখতে শাসা খাওয়াটা জরুরি। কারণ শসা দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে সানস্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, প্রচন্ড তাপদাহের কারণে ত্বক পুড়ে গেলেও শসা লাগাতে পারেন। কারণ পোড়া ভাব কমাতে শসা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমে:
প্রকৃতির ডাক মানেই কি যন্ত্রণার অনুভূতি? তাহলে তো বন্ধু আজ থেকেই শসা খাওয়া শুরু করা উচিত। কারণ এমন ধরনের কষ্ট কমতে বাস্তবিকই শসার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সবজিটির অন্দরে উপস্থিত ফাইবার, শরীরের ভিতরে বর্জ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

৬. ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
একেবারে ঠিক শুনেছেন ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাস্তবিকই এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে শসা খাওয়া মাত্র শরীরের অন্দরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস সম্পর্কিত অন্যান্য সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে:
বর্তমানে ভারতের যা পরিস্থিতি তাতে সকলেরই অতিরিক্ত সাবধান থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। কারণ প্রথম সারির গবেষকদের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে প্রতি বছর ভারতবর্ষে নতুন করে ক্যান্সার রোগে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ২০২০ সালে আকাশ ছোঁবে বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের। তাই সেই সব খাবার বেশি করে খাওয়া উচিত যাতে এই মারণ রোগ দূরে থাকে। আর এক্ষেত্রে শসাকে বাদ দেওয়া কোনও ভাবেই চলবে না। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শসাতে এমন কিছু উপাদান আছে, যা ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে থাকে।

৮. শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায়:
শসার শরীরে উপস্থিত বিপুল পরিমাণ জল দেহের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র ইতি উতি জমে থাকা টক্সিক উপাদনকে ধুয়ে মুছে বার করে দেয়। ফলে শরীরে বিষের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে কোনও ধরনের রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৯. শরীরের অন্দরে জলের অভাব দূর হয়:
দেহের অন্দরে জলের মাত্রা স্বাভাবিক থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। না হলে শরীর শুকিয়ে গিয়ে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই তো প্রতিদিন শসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। তাদের মতে শসার শরীরে এত মাত্রায় জল আছে, প্রায় ৯৬ শতাংশ, যে খুব সহজেই জলের ঘাটতি দূর করে ডিহাইড্রেশন হওয়ার আশঙ্কা কমানো সম্ভব।

১০. ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়:
শরীরকে সচল রাখতে ভিটামিনের প্রয়োজন পরে। সেই ভিটামিনের যোগান ঠিক রাখতে শাসা খাওয়া মাস্ট! কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, বি এবং এ থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি এনার্জির ঘাটতি দূর করতে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য় বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১১. পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়:
৩০০ গ্রাম শসার প্রায় ১১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ গ্রাম প্রোটিন, ২ গ্রাম ফাইবার, দিনের চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ ভিটামিন সি এবং ৬২ শতাংশ ভিটামিন কে থাকে। সেই সঙ্গে থাকে দিনের চাহিদার ১০ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম, ১৩ শতাংশ পটাশিয়াম এবং ১২ শতাংশ মেঙ্গানিজ। এই সবকটি উপাদানই আমাদের শরীরের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমনিকা পালন করে থাকে। তাই তো নিয়মিত পরিমাণ মতো শসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

১২. ওজন কমে চোখে পরার মতো:
অতিরিক্ত ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে সকাল-বিকাল শসা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ শসাতে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শরীরে মজুত অতিরিক্ত চর্বি ঝরাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।



Click it and Unblock the Notifications