অসুস্থতাকে "কিক" মারতে চান কি? তাহলে কিক বক্সিং শেখা মাস্ট!

Written By:
Subscribe to Boldsky

"এম এম এ"। এই শব্দবন্ধটির সঙ্গে পরিচিয় আছে কি? এম এম এ কথার ফুল ফর্ম হল মিক্স মার্সাল আর্ট। যারা সলমন খানের সুলতান সিনেমাটি দেখেছেন তারা নিশ্চয় এতদিনে মিক্স মার্শাল আর্টের সঙ্গে পরিচিত হয়ে গেছেন। এই স্পার্টসটি যারা করেন তাদের শরীর ভিতর এবং বাইরে থেকে এতটা শক্তিশালী হয়ে যায় যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই কারণেই তো চিকিৎসকেরা আজকাল সবাইকে কিক বক্সিং শিখতে বলে থাকেন।

কী উপকার পাওয়া যাবে কিক বক্সিং শিখলে? প্রথমত আত্মরক্ষার কৌশল তো শেখা যায়ই। সেই সঙ্গে এনার্জির ঘাটতি দূর হয় এবং হার্টের কর্মক্ষমতা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়। মেলে আরও অনেক উপকারও। যেমন...

১. স্ট্রেস কমে:

১. স্ট্রেস কমে:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই বিশেষ ধরনের শরীরচর্চাটি নিয়মিত করলে মস্তিষ্কের অন্দরে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মানসিক অবসাদ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের পাশাপাশি শরীরের প্রতিটি পেশী, প্রতিটি অংশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই শরীর ভিতর থেকে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে প্রতি বছর যে হারে লাফিয়ে লাফিয়ে মানসিক রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে কিক বক্সিং শেখার প্রয়োজন বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২. আত্মবিশ্বাস বাড়বে:

২. আত্মবিশ্বাস বাড়বে:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কিক বক্সিং করার সময় ব্রেনের অন্দরে "এন্ডোরফিন" হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই হরমোনটির ক্ষরণ যত বাড়তে থাকে, তত মন ভাল হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে শরীরের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে আত্মবিশ্বাস বাড়তে সময় লাগে না।

৩. শরীররে গঠনে উন্নতি ঘটে:

৩. শরীররে গঠনে উন্নতি ঘটে:

দীর্ঘসময় চেয়ারে বসে কাজ করার কারণে যাদের বডি পসচার একেবারে খারাপ হয়ে গিয়ে তাকে, তাহলে নিয়ম করে কিক বক্সিং শেখা শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ এই শরীরচর্চাটি করার সময় শরীরের প্রতিটি অংশ শক্তিশালী হয়ে উঠতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বডি ব্যালেন্স বাড়তে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বডি পসচারে উন্নতি ঘটে।

৪. ওজন কমে:

৪. ওজন কমে:

কিক বক্সিং হল এক ধরনের বডি কনট্যাক্ট স্পোর্টস। তাই বুঝতেই পারছেন তো এটি করার সময় কী পরিমাণে ঘাম ঝরাতে হয়। আর ঘাম যত ঝরে, তত শরীরের এদিক-সেদিক জমে থাকা চর্বিও গলতে শুরু করে। ফলে ওজন কমে চোখে পরার মতো! প্রসঙ্গত, বিশেষজ্ঞদের মতে এক ঘন্টা কিক বক্সিং করলে কম-বেশি প্রায় ৮০০ ক্যালরির ক্ষয় হয়। এই পরিমাণ যদি নিয়মিত হতে থাকে, তাহলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৫. এনার্জির ঘাটতি দূর হয়:

৫. এনার্জির ঘাটতি দূর হয়:

কিক বক্সি করার সময় প্রচুর মাত্রায় এনার্জির প্রয়োজন পরে। ফলে শরীর এবং মনের সব ক্লান্তি দূর হয়। সেই সঙ্গে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যাওয়ার কারণে শরীর একেবারে চনমনে হয়ে ওঠে।

৬. শরীরের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:

৬. শরীরের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:

বলিউডের প্রথম সারির অনেক অভিনেত্রীই আকর্ষণীয় বডি পাওয়ার জন্য নিয়মিত কিক বক্সির করে থাকেন। আসলে এই শরীরচর্চাটি করলে যেমন মেদ ঝরে, তেমনি শরীরের প্রতি অংশ টোন হয়ে ওঠে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দৈহিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। তাই আপনিও যদি আকর্ষণীয় শরীরের অধিকারি হতে চান, সেই সঙ্গে সুস্থ জীবন পেতে চান, তাহলে কিক বক্সিং ট্রেনিং শুরু করার বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন কিন্তু!

৭. জীবন নিয়মের মধ্যে চলে আসে:

৭. জীবন নিয়মের মধ্যে চলে আসে:

যে কোনও মার্শাল আর্টেরই প্রথম ধাপই হল বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলা। এমনটা করতে করতে জীবনটাও একটা নিয়মের মধ্যে চলে আসে। ফলে অনিয়ন্ত্রিত জীবনের কারণে শরীরের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, পরিসংখ্যান ঘাঁটলেই বুঝতে পারবেন অনিয়ন্ত্রিত জীবনের কারণে কিভাবে আমাদের দেশের যুব সমাজের একটা বড় অংশ ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল এবং হার্টের রোগের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

Read more about: রোগ, শরীর
English summary
You can kick and punch your way to a stress-free zone within minutes of your high-energy kickboxing routine. The movements in kickboxing challenge several core muscle groups and will give you a total body workout, fast.
Story first published: Wednesday, December 6, 2017, 14:48 [IST]
Please Wait while comments are loading...