দুর্গা পুজোর আগে রোগা হতে চান তো?

Written By:
Subscribe to Boldsky

আরে মশাই হাতে তো আর সময় নেই। আর কয়েকদিনের মধ্যেই তো শুরু হয়ে যাবে পুজোর কোনাকাটা, তার আগে শরীটাকে একটু শেপে নিয়ে আসতে হবে তো! না হলে কিন্তু এবারও সেই "এক্স এল" সাইজের জামা-কাপড়ই আপনার জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে!

নিশ্চয় ভাবছেন এত কম দিনে রোগ হওয়া যায় নাকি? যদি বলি যায়, তাহলে কী বলবেন? কিভাবে এমনটা সম্ভব? হাতে তো আর মাত্র ৩০ দিন! এত চিন্তা কিসের বোল্ডস্কাই বাংলা নামে অপনার একটা বন্ধু আছে তো। সেই অপনাকে পথ দেখাবে। তাই "ফিকার নট!"

একাদিক গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত ওজন কমাতে বেশ কিছু ফল বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। একেবারেই ঠিক শুনেছেন। আসলে এই প্রবন্ধে আলোচিত ফলগুলির অন্দরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা ক্ষিদে কমায়। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবতা যেমন হ্রাস পায়, তেমনি চিপস বা ভাজা জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমে। আর যদি এই ফলগুলি খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন অল্প বিস্তর শরীরচর্চা করতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই! এখানেই শেষ নয়, এই ফলগুলিতে উপস্থিত পেকটিন নামক একটি উপাদান শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বি ঝরাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও সাহায্য করে। ফলে সবদিক থেকে ওজন কমার পথ প্রশস্ত হয়।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি হওয়ার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক একটি পরীক্ষা চলাকালীন লক্ষ করেছিলেন, প্রতিদিন ফল খেলে বাস্তবিকই ওজন কমতে থাকে। এমনকি বেশি মাত্রায় ক্যালরি জাতীয় খাবার খাওয়ার সঙ্গে যদি ফল খাওয়া যায়, তাহলেও ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে না। এবার নিশ্চয় বুঝতে পরেছেন, আকারে ছোট হলেও চর্বি ঝরাতে ফলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

এখন প্রশ্ন হল চটজলদি ওজন কমাতে কী কী ফল সাহায্য করতে পারে? এক্ষেত্রে যে ফলগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল...

১. তরমুজ:

১. তরমুজ:

প্রতি ১০০ গ্রাম তরমুজে থাকে মাত্র ৩০ ক্যালরি, যা ওজন তো বাড়ায়ই না, উল্টে এই ফলটিতে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড চর্বি গলানোর পাশাপাশি শরীরে জলের মাত্রা ঠিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. পেয়ারা:

২. পেয়ারা:

এতে উপস্থিত প্রচুর মাত্রায় ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর যেমনটা আপনাদের সবারই জানা আছে যে কম খেলে স্বাভাবিকভাবেই ওজনও কমতে শুরু করে। যদিও এখানেই শেষ নয়, পেয়ারার আরও অনেক উপকারিতা আছে। যেমন হার্টকে সুস্থ রাখার পাশাপাশা, কনস্টিপশেন দূর করতে এবং হজম শক্তির উন্নতিতেও এই ফলটি সাহায্য করে।

৩. নাশপাতি:

৩. নাশপাতি:

ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরকে সুস্থ রাখতে নাশপাতির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এতে উপস্থিত ভিটামিন সি একদিকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটিয়ে নানাবিধ সংক্রমণকে দূরে রাখে। অন্যদিকে, নাশপাতিতে থাকা ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমে গিয়ে ওজন কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতেও নাশপতি সাহায্য করে থাকে।

৪. কমলা লেবু:

৪. কমলা লেবু:

এই ফলটি খাওয়া মাত্র শরীরের ক্যালরি বার্ন করার যে প্রক্রিয়া রয়েছে, তা আরও জোরদার হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেহে মজুত অতিরিক্ত ক্যালরি ঝরতে শুরু করে। সেই সঙ্গে কমতে থাকে ওজনও।

৫. জাম:

৫. জাম:

সুপার ফুডের তালিকায় একেবারে উপরের দিকে থাকা এই ফলটিতে রয়েছে বিপুল পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে দেয়। এমনটা হওয়ার কারণে যে পরিমাণ খাবারই খাওয়া হোক না কেন, তা হজম হতে সময় লাগে না। ফলে শরীরে মেদ জমার কোনও সুযোগই পায় না।

৬.পীচ:

৬.পীচ:

জাম জাতীয় এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জল এবং ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। আর যেমনটা আগেও কয়েকবার আলোচনা করা হয়েছে যে পেট ভরা থাকলে স্বাভাবিকভাবেই মানুষ কম কম খাওয়া শুরু করে। ফলে ওজন বাড়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না।

Read more about: রোগ, শরীর
English summary
Recently, scientists at Harvard University found that increasing the daily intake of fruit can prevent weight gain, even if you continue consuming the same amount of calories.
Story first published: Tuesday, August 29, 2017, 12:05 [IST]
Please Wait while comments are loading...