জানেন কি নিয়মিত খালি পেটে ২ টো করে নিম পাতা খাওয়ার পরামর্শ কেন দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

Subscribe to Boldsky

হাজার বছরে ধরে নিম পাতার গুণগান গেয়ে আসছেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির শরীরে মজুত রয়েছে কম-বেশি ১৩০ টার মতো বায়োলজিকাল কম্পাউন্ড, যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। তাই নিম পাতা খেলে শরীরের তো কোনও ক্ষতি হয়ই না, বরং দেহের অন্দরে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ম্যালেরিয়াল, অ্যান্টি-মাইক্রাবিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল প্রপাটিজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে...

১.ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর হয়:

১.ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর হয়:

শুনতে আজব লাগলেও সত্যিই কিন্তু ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফেরাতে নিম পাতার কোনওবিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে প্রবেশ করার পর ত্বকের অন্দরে জলের ঘাটতি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে ড্রাই স্কিনের সমস্যা মিটতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এমন উপকার পেতে নিয়মিত নিম পাতা য়েমন ৎেতে পারেন, তেমনি নিম পাতা দিয়ে বানানো পেস্ট মুখে লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।

২. অ্যাস্থেমার মতো রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়:

২. অ্যাস্থেমার মতো রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়:

বিশেষজ্ঞদের মতে নিয়মি করে কয়েক ড্রপ নিম তেল নেওয়া শুরু করলে অ্যাস্থেমার মতো রোগের প্রকোপ কমতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি জ্বর এবং সর্দিকাশির মতো রোগও দারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৩. আলসার মতো রোগের চিকিৎসায় কাজে লাগান নিমকে:

৩. আলসার মতো রোগের চিকিৎসায় কাজে লাগান নিমকে:

একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মত নিম পাতা এবং নিম গাছের ছাল খাওয়া শুরু করলে স্টমাক এবং ইন্টেস্টিনাল আলসারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, ম্যালেরিয়া এবং একাদিক ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও কিন্তু এই দুটি প্রকৃতিক উপাদান দারুন কাজে আসে। তাই তো বলি বন্ধু, সুস্থ-সুন্দর জীবন পেতে চাইলে নিমের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে ভুলবেন না যেন!

৪. ডায়াবেটিসের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:

৪. ডায়াবেটিসের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত নিম পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে। আর এমনটা যখন হয়, তখন ডায়াবেটিসের মতো রোগ যে ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না, তা তো বলাই বাহুল্য!

৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:

৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:

নিয়মিত নিম পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে রক্তে উপস্থিত নানাসব টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যায়। ফলে ত্বক ভিতর থেকে সুন্দর হয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ ত্বকের সংক্রমণ, পুড়ে যাওয়া সহ নানবিধ স্কিন প্রবলেম সারাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, অনেকেই নিম পাতা কাঁচা চিবিয়ে খেতে পারেন না। আসলে নিম পাতা এতটাই তেঁতো যে অনেকের পক্ষেই এমনটা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সেক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। তাতে তেঁতো ভাবটা তো কমবেই। সেই সঙ্গে শরীরেরও উপকার হবে।

৬. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে:

৬. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে:

এক্ষেত্রে দুভাবে নিম পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। এক, প্রতিদিন নিম পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন অথবা পাতাটা জলে ফুটিয়ে, সেই জলটা টান্ডা করে চোখে লাগাতে পারে। যে কোনও একটা পদ্ধতি অনুসরণ করলেই দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে শুরু করবে। শুধু তাই নয়, চোখের ইরিটেশন, ক্লান্তি এবং লাল ভাবও কমবে। আজকাল দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করলে অনেকেরই চোখ লাল হয়ে যায়, যন্ত্রণা করে। এমন ধরনের সমস্যা কমাতে নিম পাতা দারুন কাজে আসে।

৭. হজম ক্ষমতার বাড়ে:

৭. হজম ক্ষমতার বাড়ে:

বাঙালি হয়ে জন্মেছো তো হজমের রোগ থেকে তোমায় বাঁচানো বেশ মুশকিল। আসলে আমরা খেতে এত ভালবাসি যে পেটের খেয়াল রাখাটা ঠিক আমাদের দ্বারা হয়ে ওঠে না। তাই তো প্রতিটি বাঙালিরই নিম পাতার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা একান্ত প্রয়োজন। কেন এমনটা করা উচিত, তাই ভাবচেন তো? আসলে নিম পাতায় থাকা একাধিক উপকারি উপাদান পাকস্থলিতে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। সেই সঙ্গে লিভার এবং কোলনের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।

৮. চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:

৮. চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:

নিম পাতায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অক্সিডাইজ স্ট্রেসের হাত থেকে চুলকে রক্ষা করে। সেই সঙ্গে চুলের বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই চুল পরে যাওয়ার কারণে যারা চিন্তায় রয়েছেন, তারা আজ থেকেই নিম পাতা খাওয়া শুরু করতে পারেন। দেখবেন দারুন উপকার মিলবে। প্রসঙ্গত, নিমপাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে স্নান করলে খুশকির সমস্যা একবারে নিমূল হয়ে যায়।

৯. দাঁত শক্তপোক্ত হয়:

৯. দাঁত শক্তপোক্ত হয়:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত নিম পাতা চিবেলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির মধ্যে থাকা একাদিক স্বাস্থ্যকর উপাদান দাঁতের একেবারে উপরের স্থর, এনামেলকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে দাঁতের ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। আসলে নিমে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ মুখ গহ্বরে বাসা করে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। সেই সঙ্গে স্যালাইভায় অ্যালকালাইন লেভেল যাতে ঠিক থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে দাঁতের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

১০. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

১০. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে। নিম পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপাটিজ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষণতাকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, নিমে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বার করে দেয়। ফলে ক্যান্সার থেকে ছোট-বড় নানা রোগ, কোনটাই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Read more about: শরীর রোগ
    English summary

    10 reasons to add neem to your daily routine

    For over 5,000 years, Indians have recognized the neem tree for the boon it is for humanity. We have used it for a variety of medicinal and therapeutic purposes. All parts of the neem tree have their own benefits. However, one of the most beneficial part of this tree are its leaves.
    Story first published: Saturday, September 29, 2018, 14:50 [IST]
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Boldsky sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Boldsky website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more