অপরূপ সুন্দরি হয়ে উঠতে চাইলে এই ফেসিয়াল যোগাসনগুলি করতে ভুলবেন না যেন!

সুন্দরি হয়ে উঠতে কসমেটিক্সের ব্যবহার তো অনেক করলেন। এবার না হয় এই প্রবন্ধে আলোচিত হাজার বছরের পুরানো একটি পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে দেখুন না!

সুন্দরি হয়ে উঠতে কসমেটিক্সের ব্যবহার তো অনেক করলেন। এবার না হয় এই প্রবন্ধে আলোচিত হাজার বছরের পুরানো একটি পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে দেখুন না! উপকার যে পাবেন, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই কিন্তু!

কী সেই পদ্ধতি? যোগশাস্ত্রে এমন কিছু ব্যায়ামের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা নিয়মিত করলে আমাদের মুখমন্ডলের অন্দরে থাকা প্রায় ৫২ টি পেশির কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বকের অন্দরে রক্তাচলাচল বেড়ে যাওয়ার কারণে সৌন্দর্য় বাড়তে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এই প্রবন্ধে আলোচিত ফেসিয়াল যোগাসনগুলি নিয়মিত করলে ফেসিয়াল টেনশন, স্ট্রেস কমে, সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে ঘার এবং চোখের কর্মক্ষমতা। ফলে সৌন্দর্য তো বাড়েই, তার সঙ্গে নানাবিধ শারীরিক উপকারও পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে মুখের পেশী কিন্তু শরীরের অন্যান্য পেশীর মতো হয় না। চরিত্রগতভাবে আলাদা হওয়ার কারণে ফেসিয়াল মাসলের এক্সারসাইজ না করলে ধীরে ধীরে ত্বকের সৌন্দর্য কমতে শুরু করে, সেই সঙ্গে ত্বকের পেশীরা ঝুলতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সৌন্দর্য কমতে সময় লাগে না। এই কারণেই তো এই প্রবন্ধে আলোচিত সহজ কিছু ব্য়য়াম নিয়মিত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন যোগ গুরুরা।

কী কী আসন নিয়মিত করলে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে সময় লাগে না?

১. শ্বাস টেনে মুখের ভিতর নিন:

১. শ্বাস টেনে মুখের ভিতর নিন:

ব্যায়ামটা বেশ সহজ। প্রথমে শ্বাস টেনে মুখের ভিতর অল্প করে বায়ু টেনে নিন। তারপর মুখটা ফুলিয়ে মুখের ভিতরে থাকা বায়ুকে একবার ডানদিকে, একবার বাঁদিকে করতে থাকুন। যেমনটা আমরা মুখে জল নিয়ে কুলকুচি করার সময় করে থাকি। এমনটা কম করে পাঁচবার করতে হবে। প্রসঙ্গত, ব্যায়ামটা যদি দিনে ৩-৪ বার করতে পারেন, তাহলে দেখবেন অল্প দিনেই দারুন উপকার পেতে শুরু করেছেন।

২. জিভ বার করে রাখতে হবে:

২. জিভ বার করে রাখতে হবে:

এই আসনটি করার সময় যতটা সম্ভব জিভটা বার করতে হবে। এইভাবে ৬০ সেকেন্ড রেখে, আরও ৩ বার করতে হবে। দেখুন কী সবজ একটা ব্যায়াম, তাই না! এমনটা নিয়মিত করলে দেখবেন ত্বক টানটান হতে শুরু করবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগবে না।

picture courtesy

৩. সিলিং-এর দিকে কিছু সময় তাকিয়ে থাকুন:

৩. সিলিং-এর দিকে কিছু সময় তাকিয়ে থাকুন:

মনে মনে ভাবুন ছাদকে চুমু খেতে হবে। এমনটা করতে গেলে ছাদের দিকে তাকিয়ে চুমু খাওয়ার মতো মুখের ভঙ্গি করতে হবে। এমনটা করা অবস্থায় ৫ সেকেন্ড থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন। এই আসনটি দিনে ৫ বার করতে হবে। আর যদি আরও বেশি মাত্রায় উপকার পেতে চান, তাহলে জিভ বার করে সিলিং এর দিকে ৫ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। সময় হয়ে গেলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন।

৪. থুতনিটা নামাতে হবে:

৪. থুতনিটা নামাতে হবে:

"ওহো" উচ্চারণ করে দেখুন তো, কী হয়! কী হবে মশাই এমনটা করলে? দেখবেন থুতনিটা নিচে নেমে যাবে এবং ঠোঁটটা ইংরেজি "ও" অক্ষরের মতো হয়ে যাবে। এই ব্যায়ামটি করার সময় ঠিক এইভাবে থুতনি নামাতে হবে। সেই সঙ্গে হাসার ভঙ্গী করতে হবে। এমনটা করলে দেখবেন ছোট "ও" টা বড় হয়ে যাবে। এইভাবে ১০ বার আসনটি করলেই উপকার পাবেন।

৫. মাছের মতো মুখ করতে হবে:

৫. মাছের মতো মুখ করতে হবে:

নিচের ছবিতে যেমনটা দেখানো হয়েছে, ঠিক তেমনভাব মুখটা করুন। দিনে পাঁচবার এমনটা করলে দেখবেন ঠোঁট এবং গালের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। সেই সঙ্গে বাড়বে সার্বিক সৌন্দর্যও।

picture courtesy

৬.

৬. "ক্রো ফিট" আসন:

এমন আজব নাম কেন দেওয়া হয়েছে এই আসনটিকে, তা জানা নেই যদিও। তবে একটা কথা বলা যেতে পারে যে নিয়মিত এই যোগটি করলে বলিরেখা কমতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের বয়স কমে চোখে পরার মতো। এখন প্রশ্ন হল, আসনটি করবেন কীভাবে? এক্ষেত্রে প্রথমে চোখটা বড় করতে হবে,তারপর দুহাত দিয়ে ত্বককে পিছনের দিকে টানতে হবে। এমনটা নিয়মিত করলে দেখবেন ত্বক টানটান হয়ে উঠতে সময় লাগবে না একেবারেই!

picture courtesy

X
Desktop Bottom Promotion