ত্বককে চটজলদি উজ্জ্বল এবং ফর্সা করে তুলতে কাজে লাগাতে পারেন গোলাপ জলকে!

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে গোলাপ জলের অন্দরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, রয়েছে উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও, যা ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে গোলাপ জলের অন্দরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, রয়েছে উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও, যা ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি স্কিন টোনের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, নিয়মিত যদি গোলাপ জল মুখে লাগানো যায়, তাহলে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন...

১. ত্বকের অন্দরে পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক থাকে:

১. ত্বকের অন্দরে পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক থাকে:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত মাত্রায় সাবান, ক্লিন্সার এবং বিউটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে ত্বকের অন্দরে পিএইচ লেভেল কমতে শুরু করে। ফলে নানাবিধ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুর প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। আর এমনটা হলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রণ এবং আরও সব ত্বকের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এই কারণেই ত্বকের অন্দরে যাতে কোনও সময় পিএইচ লেভেলের মাত্রা না কমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে গোলাপ জল। বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত গোলাপ জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের অন্দরে পিএইচ লেভেল কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে নানাবিধ ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

২. ব্রণর প্রকোপ কমে:

২. ব্রণর প্রকোপ কমে:

সারা মুখে কি ব্রণয় ভরে গেছে? কেমন ভাবে মুক্তি পাবেন এই রোগ থেকে তাই ভেবে পাচ্ছেন না? কোনও চিন্তা নেই, আজ থেকেই গোলাপ জলের সাহায্যে ত্বকের পরিচর্যা শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। আসলে গোলাপ জল ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করার পর অতিরিক্ত তেলের ক্ষরণকে কমিয়ে ফেলে। সেই সঙ্গে পিএইচ লেভেলকে স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফলতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে ব্রণর প্রকোপ কমতে লময় লাগে না।

৩. ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে:

৩. ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে:

অফিস থেকে ফিরে নিয়ম করে গেলাপ জলের সাহায্যে ত্বক পরিষ্কার করলে একদিকে যেমন মুখে জমতে থাকা ময়লা ধুয়ে যায়, তেমনি অতিরিক্তি মাত্রায় তেলের ক্ষরণ হওয়ার আশঙ্কাও কমে। ফলে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসতে সময় লাগে না। ফলে বলিরেখা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বক তুলতুলে এবং নরম হয়ে ওঠে।

৪.ত্বকের বয়স কমে:

৪.ত্বকের বয়স কমে:

গত কয়েক বছরে পরিবেশ দূষণের মাত্রা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস লেভেলও বেড়েছে চোখে পরার মতো। এই দুই কারণে অসময়ে ত্বক যাচ্ছে বুড়িয়ে। সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যেরও অবনতি ঘটছে। ফলে প্রকোপ বাড়ছে নানাবিধ ত্বকের রোগের। এমন পরিস্থিতিতে ত্বককে সুন্দর রাখতে কাজে লাগাতে পারেন গোলাপ জলকে। নিয়মিত গোলাপ জলকে কাজে লাগিয়ে ত্বকের পরিচর্যা করলে ত্বকের অন্দরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানদেরা বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে অসময়ে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে ধীরে ধীরে উন্নতি ঘটে ত্বকের স্বাস্থ্যের।

৫. একজিমার প্রকোপ কমে:

৫. একজিমার প্রকোপ কমে:

সোরিয়াসিস এবং একজিমায়র মতো ত্বকের রোগের প্রকোপ কমাতে গোলাপ জলের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে গোলাপ জলের সাহায্যে ত্বকের পরিচর্যা করলে স্কিনের অন্দরে অ্যান্টি-ইনফেলেমটরি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। যার প্রভাবে এমন ধরনের ত্বকের রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

৬. ত্বককে তরতাজা রাখে:

৬. ত্বককে তরতাজা রাখে:

গরমের সময় বাড়ির বাইরে বেরনো মানেই ঘামের চোটে জীবন বেহাল হয়ে পরা। সেই সঙ্গে ঘামের সাথে বেরনো তেলের কারণে ত্বকের সৌন্দর্য কমে যাওয়ার মতো ঘটনা তো ঘটেই থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সারাদিন ত্বককে তরতাজা রাখতে সাহায্য করতে পারে গোলাপ জল। তাই এই গরমে ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে ছোট একটা স্প্রে বোতলে গোলাপ জল নিয়ে ব্যাগে রেখে দিন। যখনই দেখবেন ঘামের চোটে ত্বকের সৌন্দর্য কমছে, তখনই অল্প মাত্রায় গোলাপ জল স্প্রে করে দিন মুখে। তাহলেই দেখবেন কেল্লাফতে!

৭. পুড়ে যাওয়া ত্বকের পরিচর্যা কজে আসে:

৭. পুড়ে যাওয়া ত্বকের পরিচর্যা কজে আসে:

গরম যত বাড়তে থাকে, তত সূর্যের তেজও বাড়ে। আর এমন পরিস্থিতিতে ত্বক পুড়ে যাবে, এটাই তো স্বাভাবিক, তাই না? কিন্তু আপনি যদি চান এই গরমে আপনার ত্বককে পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারেন। কীভাবে? নিয়মিত দিনের শেষে গোলাপ জলের সাহায্যে ত্বকের পরিচর্যা করলে সান বার্নের প্রকোপ কমতে থাকে।

Story first published: Thursday, March 22, 2018, 15:19 [IST]
X
Desktop Bottom Promotion